Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামীলীগের জেল হত্যা দিবস পালন – জেলে ও আমরা নিরাপদ নই

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 102 বার

প্রকাশিত: November 9, 2012 | 12:05 AM

ক্যালিফোর্নিয়া  স্টেট আওয়ামী লীগের জেল হত্যা দিবস পালন – জেলে ও আমরা নিরাপদ নই আওয়ামী লীগ বিনে (ছাড়া) বাংলাদেশের জেলে সাধারন মানুষ তো দুরের কথা স্বাধীনতার স্থপতি মহান চার জাতীয় নেতা ( বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রী তাজ ঊদ্দীন আহমেদ,   সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজামান, সাবেক ক্যাপ্টেন মনসুর আলী,) বাঙ্গালীর মধ্যমনিরা ও নিরাপদে ছিলেন না, তাদেরকে হত্যা করা হয়েছে নির্মমভাবে। শুধু হত্যা নয় হত্যা পরবর্তি হত্যার সমস্ত আলামত ও সরিয়ে ফেলা হয়েছিল সন্তর্পনে। ১৯৭৫ সন ৩রা নভেম্বরের সেই কালো দিনের কথা স্মরণ করে বাংলাদেশ থেকে যোজন যোজন দূরে সুদুর প্রবাসে প্যাসিফিকের পাড়ে আমারিকার লস এঞ্জেলেসে জেল হত্যা দিবস পালন করলেন ক্যালিফোর্নিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগ। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সমন্নয় করেন কালিফোর্নিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক স¤পাদক টি. জাহান কাজল, আলী আহমেদ প্যারিস এবং দেলোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ¯ষ্টার অব ইন্ডিয়া, ৭২১২ মেলরোজ এভিনিঊ, লস এঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া- ৯০০০৪, আমেরিকা, ৪ঠা নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত – এ যেন শেষ হইয়া ও হইল না শেষ। অনুস্টানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্বা সাইদুর রহমান পাটেল, বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মোস্তাইন দারা বিল্লাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন সাধারন স¤পাদক ডঃ রবি আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতির পদ অলংকৃত করেন ক্যালিফোর্নিয়া আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট শফিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মোস্তাইন দারা বিল্লাহ, মুক্তিযোদ্বা সাইদুর রহমান পাটেল, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ডঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, ডঃ রুবি হোসেন, মুজিব সিদ্দিকি, এম কে জামান, ভুপাল বড়–য়া, মোবারক হোসেন বাবলু, রেনু কনা বড়–য়া, মিয়া আব্দুর রব, জহির আহমেদ, ফিরোজ আলম, লেঃ জিয়া, মো আকতার হোসেন, সাতারু মোশারফ হোসেন, সাবেক সভাপতি সোহেল রহমান বাদল, সভাপতি শফিকুর রহমান, সহ সভাপতি মিজানুর রহমান শাহীন, মোঃ আনিসুর রহমান,  সাংগঠনিক স¤পাদক টি. জাহান কাজল, আলী আহমেদ প্যারিস এবং দেলোয়ার হোসেন, ছাত্র লীগের আহ্বায়ক শওকত আহমেদ চৌধুরী ওপ্রমুখঃ। ঊপস্থিত সুধীদের মধ্যে ঊল্লেখ্য মহিলা বিষয়ক স¤পাদক শিঊলি মিজান, সহ সাধারন স¤পাদক আমিনুল আলম পাপ্পু, ক্রিয়া স¤পাদক ফ্রেন্ডস বাবু, ফ্রেন্ডস আকতার, ফ্রেন্ডস ফেরদোস, মিসেস মোশারফ, মিঠু বড়–য়া, খন্দকার সুলতানা পান্না  ও সৈয়দ আমিনুর রহমান, টুরিষ্ট গাইড মোহাম্মদ, নাজমুল হুদা জুয়েল, রানা বড়–য়া প্রমুখঃ। অনুস্টানে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রবাসী সুশীল সমাজের  বক্তারা যা বলেন তার সার সংক্ষেপঃ সেদিন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় এই চার নেতাকে রাষ্ট্রীয় শক্তির মদদ ও সমর্থনেই হত্যা করা হয়। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে থাকাকালীন শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নৈতিক নেতৃত্বের এমন পরিকল্পিত ও নৃশংস হত্যাকান্ড সারা পৃথিবীতেই বিরল। যারা স্বাধীনতা যুদ্বের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যারা  সশস্ত্র যুদ্বের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলন। স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে ও গরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রেখেছিলেন, স্বাধীনতার পরে মাত্র সাড়ে তিন বছর পরে সে স্বাধীন দেশেরই কারাগারে বন্দী অবস্থায় হত্যার শিকার হতে হল তাদের। এ হত্যাকান্ড শুধু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের জন্যই পরিচালিত হয়নি বরং সদ্য স্বাধীন দেশ থেকে প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক ও গনতান্ত্রিক চেতনা মুছে দেওয়ার লক্ষে নেতৃত্বশুন্য পরিস্থিতি তৈরি করা ও ছিল ঘাতকদের লক্ষ্য। জাতীয় নেতাদের এই হত্যাকান্ডের মুল্য দশকের পর দশক সামরিক শাসনের অগনতান্ত্রিক, সাম্প্রদায়িক ও পশ্চাদপদ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জাতি পরিশোধ করেছে। অবশেষে গন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা ফিরে এলেও জাতীয় নেতাদের হত্যাকান্ডের কোন বিচার হয়নি। হত্যাকান্ডের প্রায় তিন যুগ অতিক্রান্ত হওয়ার পরও মামলা এখন ও বিচারাধীন। বিচারের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ছে অনেক দেরিতে। ফলে খুনি ও ষড়যন্ত্রকারীরা দীর্ঘদিন গুরুতর অপরাধ করে ও দাপটের সংগে ঘুরে বেড়িয়েছে। স্বাধীন ও গনতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য এটি লজ্জাস্কর। আইনের শাসনের ক্ষেত্রে ও এটি বেমানান। উল্লেখ্য সংগঠনের সভাপতি শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় চার নেতাকে হত্যার জন্য যারা দায়ী, যারা হত্যাকারীদের মদদদাতা – সবার শাস্তি নিশ্চিত হওয়া দরকার। ন্যায় বিচারের মাধ্যমে এমন রাজনৈতিক হত্যার প্রতিবিধান করা সম্ভব। এমনিতেই অনেক দেরী হয়ে গেছে, আর দেরী বাঞ্ছনীয় নয়। সংগঠনের সাংগঠনিক স¤পাদক টি জাহান কাজল বলেন, ” অনেকেই বলেন কোন ভাবে রাজ  নৈতিক নেতা হতে পারলে নিজের এবং নিজ পরিবারের জন্য পয়সার অভাব হয় না কিন্তু এই চার মহান জাতীয় নেতা তার স¤পুর্ন উল্টো দিক। এদের অবদানের কথা যত বেশী স্মরন করা যায় , তত বেশী উপকৃত হব আমরা। বিশেষত আমাদের নুতন প্রজন্মের কাছে এদের তুলে ধরার প্রয়োজন অসামান্য। সংগঠনের উপদেষ্ঠা জনাব মুস্তায়ীন দ্বারা বিল্লাহ দেশ উন্নয়নের কাজে প্রবাসীদের ভুমিকার গরুত্ব অনুধাবন করে যুক্তরাষ্ট আওয়ামী লীগের হাতকে শক্তিশালী করার জন্যে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।  বিশেষভাবে ঊল্লেখ্য মুক্তিযোদ্বা সাইদুর রহমান পাটেলের সেই কালো দিনগুলতে কারাগারে মহান জাতীয় চার নেতার সাথে সময় কাটানোর বিভিন্ন স্মৃতি চারন প্রবাসীদের যেন নিস্বাস বিহীন এক  অধ্যায়ের সুচনা করেছিল। তিনি প্রবাসিদের হত্যাকান্ডের বিশদ বর্ননা দেন যাতে উল্লেখ করেন ঘটনাকালীন সময়ে ……………………….. তিনি শুনতে পান জেলে পাগলা ঘন্টি বাজছে। সেনা সদস্যরা জেলারকে সঙ্গে করে প্রবেশ করেন কারাগার কক্ষে। নিয়ে যান চার মহান নেতাকে। কিছুক্ষন পরে শোনা যায় ব্রাশ ফায়ার। একটু বিরতি দিয়ে শোনা গেল আর ও পাচটি গুলির শব্দ। তখন ও মারা যাননি চার মহান নেতা। অতএব নৃশংসভাবে আবারো দশ পনেরটি করে বেয়নেটের আঘাতে মৃত্যু নিশ্চিত করলো ঘাতকেরা ………………………………।  এ ধরনের প্রয়াস প্রবাসীদের অনুপ্রানিত করলো। ঊল্লেখ্য সাংসদ আক্তারুজামান বাবু ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ওয়াহিদুর রহমানের মৃত্যুতে শোকাহত আওয়ামি পরিবার  এক মিনিট নিরবতা পালন করেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV