Saturday, 14 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

যুদ্ধাপরাধ আদালতের সাক্ষী অপহরণের অভিযোগ জরুরিভিত্তিতে তদন্ত করুন: বাংলাদেশ সরকারকে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 25 বার

প্রকাশিত: November 13, 2012 | 2:35 PM

 ডেস্ক: ঢাকায় যুদ্ধাপরাধ আদালতের গেট থেকে গত ৫ই নভেম্বর একজন সাক্ষীকে অপহরণের অভিযোগ জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে বাংলাদেশ সরকারকে। গতকাল নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)  ‘বাংলাদেশ: ইনভেস্টিগেট অ্যালিগড অ্যাবডাকশন অব ওয়ার ক্রাইমস উইটনেস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ সব কথা বলেছে। এতে বলা হয়, এ ঘটনায় বিচারক তদন্তের নির্দেশ না দেয়াতে পক্ষপাতিত্বের ইঙ্গিত মিলেছে। বলা হয়, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ অপরাধ আদালতে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে রাজি হয়েছিলেন সুখরঞ্জন বালি নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু বিবাদী  পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে বলেছেন, সুখরঞ্জন বালি ওইদিন আদালতের সামনে হাজির হয়ে বিবাদীপক্ষের সদস্যদের সঙ্গে আদালতে প্রবেশ করামাত্র সাদা পোশাকের কর্মকর্তারা তাকে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে জোর করে নিয়ে যায়। এ সময় ওইসব কর্মকর্তা নিজেদের পুলিশের ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। এইচআরডব্লিউ আর বলছে, বাংলাদেশের আইনের অধীনে এক্ষেত্রে আদালত নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেয়ার পরিবর্তে প্রসিকিউশনকে অভিযোগ আমলে নিতে বলে। পরে তাদের বিবৃতি  গ্রহণ করে যে, পুরো ঘটনাটি সাজানো। ১১ই নভেম্বর এটর্নি জেনারেল হাই কোর্টে রিট পিটিশনে সাক্ষ্য দেন। তিনি বলেন, বিবাদীপক্ষ অপহরণের ঘটনা সাজিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা আদালতকে বিতর্কিত করতে চায়। এ বিষয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক পরিচালক ব্রাড এডামস বলেন, একজন সাক্ষীকে অপহরণের অভিযোগ গুরুতর। এতে প্রয়োজন বিলম্ব না করে পদক্ষেপ নেয়া এবং পক্ষপাতহীন তদন্ত করা। নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেয়ার পরিবর্তে আদালত এ ঘটনার এক পক্ষকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়। পরে তাদের বক্তব্যই গ্রহণ করে। এমন একটি অপহরণের ঘটনায় এমন পদক্ষেপ অগ্রহণযোগ্য। সুখরঞ্জন বালি কোথায়? এতে আরও বলা হয়, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় ২১শে অক্টোবর। সেদিন আদালত বিবাদীপক্ষের আরও সাক্ষীকে অনুমোদন দেয়ার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে। ৩১শে অক্টোবর বিবাদী পক্ষ একটি পিটিশন করে এই মামলা পুনরায় চালু করে সুখরঞ্জন বালি ও প্রসিকিউশনের অন্য তিন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়। বিবাদীপক্ষ তাদের আবেদনে অভিযোগ করেন, এসব সাক্ষীর কয়েকজন ফের সাক্ষ্য দিতে সম্মত হয়েছেন। তারা বলতে চান, তাদেরকে প্রসিকিউশনে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করানো হয়েছে। এ আবেদনের ওপর শুনানির নির্ধারিত তারিখ ছিল ৫ই নভেম্বর। বিবাদীপক্ষ দাবি করেন, সুখরঞ্জন বালি তাদের সঙ্গে ওইদিন সকালে তাদের অফিসে সাক্ষাত করেন। তারপর তারা একত্রে আদালতে যান। কিন্তু আদালতের গেটে পৌঁছামাত্র বালি ও আইনজীবীদের গাড়ি থেকে নামতে নিদের্শ দেয়া হয় এবং তাদের পরিচয় দিতে বলা হয়।  যখন বিবাদীপক্ষের আইনী কাউন্সেল বালিকে তার নাম ধরে পরিচয় করিয়ে দেয় তখন গোয়েন্দা পুলিশ বালি’কে তাদের সঙ্গে যেতে বলে। এ সময় বালি ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি দেখান বালি একজন সাক্ষী। দিনের পরের দিকে তার আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার কথা। এ সময় আদালত চত্বর থেকে ‘পুলিশ’ লেখা একটি সাদা ভ্যানগাড়ি বেরিয়ে আসে। সেখানে বিবাদীপক্ষের যেসব আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন তারা বলেন, ওই সময় আদালতের গেটে ইউনিফর্ম পরা ১০ থেকে ১২ জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিল। তাদের অভিযোগ, ওইসব কর্মকর্তা বেশ কয়েকবার বালি’র মুখে থাপর মারে। তারপর তাকে ওই পুলিশ ভ্যানে উঠতে বাধ্য করে। তিনি পুলিশ ভ্যানে উঠলে তা সেখান থেকে চলে যায়। তারপর থেকে বালি’কে আর দেখাও যায় নি। এমনকি তার কোন কথাও শোনা যায় নি।  দেরি না করে এ বিষয়ে আদালতের রেজিটস্ট্রারের অভিযোগ করেন বিবাদীপক্ষের আইনজীবীরা। তারপর তারা অভিযোগ করেন ট্রাইব্যুনাল চেম্বারে। অভিযোগ শোনার পর বিচারক প্রধান প্রসিকিউটর ও সিনিয়র তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এ বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন। কিছু সময় পরে প্রসিকিউশন টিম রিপোর্ট দেয় যে, অপহরণের ঘটনা মোটেও ঘটেনি। বিবাদীপক্ষ একটি গল্প সাজিয়েছে। এরপর বিচারিক চেম্বার অন্যান্য বিষয়ে দৃষ্টিপাত করেন এবং অভিযোগের বিষয়ে আর কোন পদক্ষেপ নিতে অস্বীকৃতি জানান। এ অবস্থায় পরে বিবাদীপক্ষ বাংলাদেশের দণ্ডবিধির অধীনে পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দেয়। পুলিশ তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। তারা বলে, এই মামলা নিতে তাদের ট্রায়াল চেম্বারের অনুমতি লাগবে। ব্রাড এডামস বলেন, আদালত ও পুরো যুদ্ধাপরাধ আদালতের বিচারিক কার্যক্রমকে বিশ্বাসযোগ্য করার  জন্য এই ঘটনায় আসলে কি ঘটেছিল তা বের করা দরকার। যদি বিবাদীপক্ষ কোন ভুয়া বা সাজানো ঘটনায় জড়িত হয় তাহলে তাদেরকে দণ্ডবিধি অনুয়ায়ী শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। যদি বালি’কে অপহরণ করা হয়ে থাকে তাহলে তার জীবন ঝুঁকির মুখে থাকতে পারে। এক্ষেত্রে তার পরিণতির জন্য তদন্তে ব্যর্থ হয়ে দায়ী থাকবে আদালত ও সরকার।মানবজমিন
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV