ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়

এখন থেকে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে বেশিরভাগ ম্যাচ খেলতে চাইবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এই ভেন্যুতে রঙিন জার্সি গায়ে যে এখনো কোনো ম্যাচ হারেনি টাইগাররা। পয়া ভেন্যুতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে খুলনা ভেন্যুর ‘পয়া তত্ত্ব’কে আরও পোক্ত করল মুশফিকুর রহিমের দল। কেবল ‘পয়া তত্ত্ব’ নিয়ে বসে থাকলে কিন্তু বড্ড ভুল হয়ে যায়। অবিচার করা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের প্রতি। ব্যাটে বলে আজ তাদের দুর্দান্ত নৈপুণ্যকেই খাটো করা হয়। আজ এনামুল, মুশফিকুর, মমিনুল, সোহাগ, রাজ্জাক, মাশরাফিরা ব্যাটে-বলে যা করে দেখালেন, তা সত্যিই অসাধারণ। বাংলাদেশের অসাধারণ নৈপুণ্যের কাছেই গেইল, পোলার্ড, স্যামুয়েলস, রাসেল, রামপলরা বিপুল ব্যবধানে পরাজিত। এনামুল হক আজ খেলতে নেমেছিলেন তাঁর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে। দ্বিতীয় ম্যাচেই বাজিমাত করলেন এই তরুণ। আসাধারণ এক সেঞ্চুরি করে নিজেকে চেনালের; দেশের অসাধারণ এই বিজয়ে রাখলেন অনন্য অবদান। মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ১৭৪ রানের রেকর্ড ভাঙা জুটিটি ছিল প্রাথমিক বিপর্যয়ের পর বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় অনুষঙ্গ। অধিনায়কত্বের চাপ দূরে সরিয়ে রেখে মুশফিকুর ৭৯ রানের এক অসাধারণ ইনিংস খেলে অনেক দিন পর নিজের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করলেন। মুশফিকুর ও এনামুলের গড়ে দেওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে মমিনুল, মাশরাফির তোলা ঝড় বাংলাদেশকে নিয়ে যায় অন্য উচ্চতায়। সকালে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। উদ্দেশ ছিল সকালের আর্দ্রতাকে কাজে লাগানো। তামিম ও নাঈম শুরুতেই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান বোলারদের ফাঁদে পা দিয়ে স্যামির মুখে হাসি ফুটিয়েছিলেন। ২১ রানে ২ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো ধুঁকছিল টাইগার বাহিনী। কিন্তু এনামুল ও মুশফিকুরের ১৭৪ রানের সেই দুর্দান্ত জুটিটি ক্যারিবীয়দের কাছ থেকে ম্যাচের লাগাম বের করে বাংলাদেশকে বসিয়ে দেয় চালকের আসনে। ২৯২ রান স্কোর বোর্ডে উঠে যাওয়ার পরেও জয়টা যে এত সহজে আসবে—তা বোধ হয় ভাবেননি কেউই। ব্যাটসম্যানদের অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর বাকি কাজটা করে দেন বোলাররা, বিশেষ করে দুই স্পিনার সোহাগ গাজী ও আবদুর রাজ্জাক। সোহাগ ও রাজ্জাকের পাশাপাশি মাশরাফি, মাহমুদউল্লাহ দারুণ বল করে বাংলাদেশকে এনে দেন বিশাল এক জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আজকের এই বিশাল জয় রানের ব্যবধানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১৪৬ রানের জয়টি ছিল রানের ব্যবধানে সবচেয়ে বড় জয়। ২৯২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং প্রথম থেকেই ছিল দিশেহারা। ক্রিস গেইল ও লিন্ডল সিমন্স মাশরাফি ও সোহাগের বল মোকাবিলা করতে গিয়ে চাপ তৈরি করে ফেলেন। মূলত সেই চাপই সংক্রমিত হয়ে যায় ব্যাটিং লাইন আপে। প্রথম থেকেই চাপে পড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের অসহায় অবস্থার পরিপূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন পরবর্তীতে আবদুর রাজ্জাক। তিনি ৫ ওভার বল করে ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। ড্যারেন ব্রাভো, ডোয়াইন স্মিথ ও ডেভন টমাস রাজ্জাকের ঘূর্ণির শিকার হন। সোহাগ গাজী আজও ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ব্যাটসম্যানদের কাছে ত্রাস। তিনি ২১ রানে তুলে নেন ৩ উইকেট। তাঁর শিকার সিমন্স, স্যামুয়েলস ও নারাইন। মাশরাফি তুলে নেন ক্রিস গেইলের উইকেট। নাঈম পোলার্ডের এবং মাহমুদউল্লাহ স্যামির উইকেট নিয়ে ধসিয়ে দেন ক্যারিবীয় ব্যাটিং লাইন আপ। ২৯৩ রানের লক্ষ্য ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩২ রানেই। সকালে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার ছিলেন রবি রামপল। তিনি তুলে নেন পাঁচ উইকেট। তবে এর বিনিময়ে তিনি ছিলেন কিছুটা খরুচেও। সেঞ্চুরিয়ান এনামুল তাঁর এক ওভারেই তুলে নেন ২০টি রান। বাংলাদেশের পতন হওয়া আর একটি উইকেট তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্ষুদ্র ইনিংসে ড্যারেন ব্রাভোর ব্যাট থেকে এসেছে সর্বোচ্চ ২৮ রান। কাইরান পোলার্ডের সংগ্রহ ২৫।প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests