হরতাল বাদ দিয়ে সংসদে ফেরা উচিত বিএনপির -দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেক

হরতালের মতো কর্মসূচির বিরোধিতা করে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেক বলেছেন, হরতাল একটি দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। নতুন বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে ব্যর্থ হয়। তাই হরতালের মতো কর্মসূচি বাদ দিয়ে সংসদে ফিরে বিএনপির আলোচনা করা উচিত। তিনি বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের রাজপথ অবরোধের সময় সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। আজ মঙ্গলবার সকালে গত রোববারের অবরোধ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের এ মনোভাব জানিয়েছেন রবার্ট ও ব্লেক। ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার আগে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে প্রধান দুই দলের মতপার্থক্য কীভাবে দূর করা সম্ভব—এ প্রশ্নের জবাবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে একসঙ্গে সমাধান করতে হবে। দুই দলকে সংলাপে বসে একটি ফর্মুলা বের করতে হবে। তাদের কাছে যা গ্রহণযোগ্য হবে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তা মেনে নেবে। প্রধান দুই দলের মধ্যে আলোচনার পথ রুদ্ধ হলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে কি না বা ২০০৭ সালের জানুয়ারির মতো জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ব্লেক বলেন, ‘আমি কাল্পনিক (হাইপোথিটিক্যাল) কোনো প্রশ্নের জবাব দিতে চাই না। তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে নেওয়ার আহ্বান জানাব।’ তিনি বলেন, ‘সমস্যার সমাধান কীভাবে হবে, তা এখানকার রাজনৈতিক দলগুলোই ঠিক করবে। তবে সংলাপের প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের দৃঢ় সমর্থন রয়েছে।’ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গ্রেপ্তারে রবার্ট ব্লেক উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিএনপির নেতৃত্ব গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ মন্তব্য করেছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। গতকালের বৈঠকে অবরোধ চলার সময় তিনজনের হত্যার ব্যাপারে আমি গভীর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। সহিংসতার বীভত্স ছবি যে আমাকে উদ্বিগ্ন করেছে, সেটিই আমি বলেছি।’ সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বক্তৃতা পড়ে শোনান দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রবার্ট ও ব্লেক। লিখিত বক্তব্যে তিনি অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে মার্কিন সরকারের অতীতের অবস্থান পুর্নব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যথাসময়ে এবং স্বচ্ছ নির্বাচনপ্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত যোগ্য একজন ব্যক্তিকে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের ব্যাপারে আমাদের জোরালো সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। কারণ, এ প্রক্রিয়ায় এমডি নিয়োগ করা হলে তিনি প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক, বিশেষ করে নারীদের স্বার্থ সমুন্নত রাখার পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে পারবেন।’ তৈরি পোশাক কারখানা তাজরীনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রবার্ট ও ব্লেক। তিনি বলেন, উত্তরণের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সংস্থার সঙ্গে ‘উন্নত কর্মব্যবস্থা’-সংক্রান্ত চুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা রূপরেখা চুক্তি (টিকফা) সই করতে পারে বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীন শ্রমিক সংগঠন তৈরি হবে, যা চূড়ান্তভাবে শ্রমিকদের কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টেকসই পরিবর্তন আনবে।প্রথম আলো
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK