বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৬২ বিদেশি বন্ধুকে সম্মাননা

লড়াইয়ের মূল চেতনায় ছিল নিপীড়ন আর শোষণের নিগড় ভেঙে ন্যায়বিচার আর মানবতা প্রতিষ্ঠা। মহত্ এই উদ্যোগের জয় হবেই। এ আত্মবিশ্বাস শুরু থেকেই ছিল বিদেশি বন্ধুদের। ন্যায়বিচার আর মানবতা প্রতিষ্ঠার এই চেতনা ক্রমেই বিশ্বের নানা প্রান্তে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন জোরালো করতে ভূমিকা রেখেছে, যার চূড়ান্ত পরিণতি ১৬ ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়। লাল-সবুজের বাংলাদেশ বিদেশি বন্ধুদের হূদয়ের গভীরেই রেখেছে। এটা দেখে তাঁরা মুগ্ধ, আপ্লুত। আনন্দের ক্ষণে তাঁদের চাওয়া—জয় হোক বাংলাদেশের। বিজয় দিবসের প্রাক্কালে বিদেশি বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা এবং আগামী দিনেও বাংলাদেশের পাশে থাকার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে আজ শনিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দেওয়ার আয়োজন। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশি বন্ধুদের সম্মাননা তুলে দেওয়ার সময় তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আজকের এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আপনাদের মাঝে উপস্থিত হতে পেরে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। ১৯৭১ সালের ভয়াবহ দিনগুলোতে আপনারা যে সমর্থন দিয়েছিলেন, তা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি।’ সম্মাননা অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। তিনি রাষ্ট্রপতির দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। স্বাধীনতার চার দশক পূর্তিতে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো বিদেশিদের সংবর্ধনা জানাতে আজ চতুর্থ দফায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং পররাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আজ চতুর্থ দফায় নয়টি দেশের ৬০ জন ব্যক্তি ও দুটি সংগঠনকে দেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা। মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা বিদেশিদের সম্মানিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয় ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে সম্মাননা জানানোর মধ্য দিয়ে। গত বছরের ২৫ জুলাই বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্রবধূ ও কংগ্রেস পার্টির সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর হাতে তুলে দেন ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’। দ্বিতীয় পর্বে গত বছরের ২৭ মার্চ ৮২ ব্যক্তি ও সংগঠনকে দুটি আলাদা শ্রেণীতে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দেওয়া হয়। আর তৃতীয় পর্বে গত ২০ অক্টোবর ৬১ ব্যক্তি ও সংগঠনকে এ দুই শ্রেণীতে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সংবর্ধনা পাওয়া বিদেশি বন্ধুদের হাতে স্মারক ও মানপত্র তুলে দেন। সম্মাননা পাওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন নাচোলের রানিমা হিসেবে খ্যাত ভারতের কমিউনিস্ট নেত্রী ইলা মিত্র, তাঁর স্বামী রমেন মিত্র, গণসংগীতের প্রবাদপুরুষ সলিল চৌধুরী, কণ্ঠশিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও মান্না দে, চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটক, সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এবং শিল্পী মকবুল ফিদা হুসেন, অস্ট্রেলিয়ার ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড, পাকিস্তানি শাসকদের রোষানলে পড়া এবং বর্তমানে সুইডিশ নাগরিক সাইয়েদ আসিফ শাহকার, যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তান-নীতির প্রতিবাদে ইউএসএআইডি থেকে পদত্যাগকারী টাউনসেন্ট সোয়াজি প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এ বি তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।প্রথম আলো
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK