Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

জাতিসংঘে বাংলাদেশ’র প্রধানমন্ত্রীর শান্তি মডেল পাস

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 65 বার

প্রকাশিত: December 18, 2012 | 4:24 PM

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশ’র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ এবং ‘শান্তির সংস্কৃতি’ শীর্ষক দুটি প্রস্তাব জাতিসংঘে পেশ করার মধ্য দিয়ে ‘শান্তিকেন্দ্রিক উন্নয়নের’ যে মডেল তুলে ধরেছিলেন, তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় গত সোমবার বিকেলে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ১৯৩টি সদস্যরাষ্ট্র প্রস্তাব দুটি সমর্থন করে। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। খবর বাসসের। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাধারণ পরিষদের এক সভায় সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সমর্থনে ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ প্রস্তাব পাস হয়। এরপর ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবটি রেজুলেশন আকারে পাস করা হয়। প্রস্তাব দুটির প্রথমটি শেখ হাসিনা গত বছর জাতিসংঘের ৬৬ ও ৬৭তম অধিবেশনে এবং পরেরটি আওয়ামী লীগের ক্ষমতার বিগত মেয়াদে ২০০১ সালে উত্থাপন করেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাব পাস হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আবদুল মোমেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘বিষয়টি ঐতিহাসিক। কারণ, এ রেজুলেশন লিপিবদ্ধ হওয়ার সময় শেখ হাসিনার নামও উল্লেখ করা হয়েছে, যা সচরাচর ঘটে না।’ প্রস্তাবের সাতটি বিশেষ বিষয় তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন, ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’—এই তত্ত্বটি রাষ্ট্র পরিচালনায় সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ‘দার্শনিক মাইলস্টোন’ হিসেবে কাজ করবে। আবদুল মোমেন প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবের সামগ্রিক দিক এবং রেজুলেশন আকারে গ্রহণের পর এর কার্যকারিতা কী হবে, তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং গত জুনে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত রাইয়ো প্লাস ২০ সম্মেলনে ‘কী ধরনের বিশ্ব চাই আমরা’ শীর্ষক আলোচনার পর শেখ হাসিনার ওই মডেল আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত অধিবেশনের রেজুলেশনকে আরও যুগোপযোগী করে আবারও পাস করা হলো বলে মোমেন জানান। আবদুল মোমেন আরও জানান, জাতিসংঘের ৬৬ ও ৬৭তম সাধারণ অধিবেশনের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ‘জনগণের ক্ষমতায়ন’ তত্ত্ব তুলে ধরেন। সমাজ-রাষ্ট্রের সাতটি বিশেষ উপাদানের আন্তসম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ তৎপরতার মাধ্যমে মানুষের আত্মোন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও স্থিতিশীল উন্নয়ন এবং শান্তি নিশ্চিত করার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার এই তত্ত্বে মানুষের ক্ষমতায়নের জন্য দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই, বৈষম্য নিরসন, বঞ্চনা রোধ, সবার জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সমাজের বিশেষ নজরে আনা, শ্রমবাজারে আগতদের দক্ষ করে গড়ে তোলা, শিক্ষার প্রসার ও শ্রেণী বিভাজনভিত্তিক প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে সামগ্রিকভাবে গোটা জনগোষ্ঠীর সরকার পরিচালনায় ভূমিকা রাখার প্রয়াস চালানো এবং তাদের আন্তর্জাতিক আইন মান্য করার পাশাপাশি সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামী করে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। আবদুল মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই তত্ত্বের মূল দর্শন হচ্ছে দারিদ্র্য ও দারিদ্র্য অভিগামিতা থেকে মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করা গেলে সমাজ-রাষ্ট্রে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। প্রধানমন্ত্রীর ‘শান্তির সংস্কৃতি’ প্রস্তাবটি আওয়ামী লীগ সরকারের আগের মেয়াদের শেষ দিকে ২০০১ সালে প্রথম উপস্থাপিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ‘শান্তির সংস্কৃতি দশক’ বিশ্বব্যাপী উদ্যাপিত হয়। ২০০১ থেকে প্রতিবছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করে আসছে এবং তা প্রতিবছরই সর্বসমঞ্চতিক্রমে গৃহীত হয়ে আসছে। এ বছরের প্রস্তাবে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক প্রতিবছর আয়োজন করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV