ভারত-বাংলাদেশের ধর্ষণকারীদের মৃত্যুদণ্ড দাবিতে নিউ ইয়র্কে বহুজাতিক সমাবেশ
এনা: : ভারত ও বাংলাদেশের ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড দাবিতে স্লোগান উঠেছে নিউ ইয়র্কে বহুজাতিক একটি সমাবেশ থেকে। ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হলে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন বর্বর আচরণে প্রবৃত্ত হবে না বলে ওই সমাবেশের বক্তারা উল্লেখ করেন। ৯ই জানুয়ারি রাতে (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল) নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসের ওই সমাবেশ ডাকা হয় নিউ ইয়র্কে হেইট ক্রাইমের বিরুদ্ধে। সামপ্রতিক সময়ে দুই বাংলাদেশীসহ ৬ জন ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক হামলার শিকার হয়ে নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে কেয়ার (কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স) এবং ড্রাম (দেশিজ রাইজিং আপ অ্যান্ড মুভিং) যৌথভাবে এ সমাবেশের আয়োজন করে। এতে নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের দুই নির্বাচিত কাউন্সিলমেনসহ দেড় ডজনেরও অধিক মানবাধিকার, ধর্মীয়, শ্রমিক ইউনিয়ন, ইমিগ্র্যান্টস রাইটস, সিভিল রাইটস সংগঠনের কর্মকর্তারা বক্তব্য দেন। তারা সবাই যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম সমপ্রদায়ের নিরাপত্তায় স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার সমালোচনা করেন। সর্বশেষ সুনন্দ সেন নামক এক বাঙালিকে ধাক্কা দিয়ে ট্রেনের নিচে ফেলে দিয়ে হত্যার ঘটনায় কম্যুনিটিতে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। কারণ, সুনন্দ সেনকে নাকি মুসলমান ভেবেই ধাক্কা দেয়া হয় বলে গ্রেপ্তারকৃত মহিলা মাননীয় আদালতকে জানিয়েছে। নয়া দিল্লিতে বাসের ভেতর তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার উদ্দেশ্যে বাস থেকে ফেলা দেয়া এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণের ঘটনার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বক্তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বক্তারা বলেন, নয়া দিল্লি, ঢাকা এবং নিউ ইয়র্কে যেসব ঘটনা ঘটছে তা পরস্পরের সঙ্গে জড়িত। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ থাকলে এ ধরনের অপরাধ তৎপরতা বন্ধ হতে বাধ্য বলে মন্তব্য করেন এ সমাবেশের আয়োজকদের অন্যতম ড্রামের সংগঠক কাজী ফৌজিয়া, সিটি কাউন্সিলম্যান ডেনিয়েল ড্রোম প্রমুখ। তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রেও সংবিধান সকল নাগরিকের সমঅধিকার সংরক্ষণ করেছে। তারপরও মুসলিম আমেরিকানদের ওপর গোপনে নজরদারি চালানো হচ্ছে নিউইয়র্ক সিটিতে- এটি মেনে নেয়া যায় না। ফাহাদ আহমেদের পরিচালনায় এ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিটি কাউন্সিলম্যান জিমি ব্রেমার, ড্রামের শাহিনা পারভীন, রঞ্জিত দে রায়, ইন্টারফেইথ সেন্টারের কর্মকর্তা রেভারেন্ড চুলে ব্রেয়ার, ইহুদি সমপ্রদায়ের নেতা জন মস্কো, এশিয়ান-আমেরিকান লিগ্যাল ডিফেন্স অ্যান্ড এডুকেশন ফান্ডের টমাস মারিয়াডাসন, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সভাপতি হাসানুজ্জামান হাসান, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ওসমান চৌধুরী, নর্থ আমেরিকা হিন্দু টেম্পল এসোসিয়েশনের ড. উমা মিজস্কার, জাস্টিস কমিটির নেতা স্টিভ কোহস্ট প্রমুখ।
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK