রয়টার্সের বিশ্লেষণ : যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের বাঁচাতে এবার লড়বে ওবামার সরকার

১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বক্তৃতার পর রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান বলেন, ‘সরকার আমাদের সমস্যার সমাধান নয়, সরকার নিজেই একটি সমস্যা।’ এর ১৫ বছর পর ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর প্রথম বক্তৃতায় বলেন, ‘বড় আকারের সরকার গঠনের যুগ শেষ হলো।’ বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অবশ্য তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে শপথের পর দেওয়া ভাষণে সরাসরি এমন কোনো কথা বলেননি। তবে ওবামার ভাষণে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর সরকারের মূল কাজ হবে, দেশের দরিদ্র জনগণকে বাঁচানো। তিনি ভাষণে দরিদ্র ব্যক্তিদের সহায়তায় সরকারের ব্যয়বহুল সামাজিক প্রকল্পগুলো অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দেন। অবশ্য বিরোধী রিপাবলিকান পার্টি এসব সামাজিক প্রকল্পে ব্যয় কমিয়ে দেশের বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আনার আহ্বান জানাচ্ছে। সামাজিক প্রকল্পের পক্ষে অবস্থানের কারণে কট্টরপন্থী ব্যক্তিরা ওবামাকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের’ সমাজতান্ত্রিক নেতা বলে আখ্যা দিয়েছেন। ওবামাকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির মূলধারার বাইরের ব্যক্তি বলেও মন্তব্য করেন সমালোচকেরা। ওবামা তাঁর ১৮ মিনিটের ভাষণে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য দিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারণায়ও সেই বিষয়গুলো তিনি সামনে এনেছিলেন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর দৃষ্টি অনেক প্রসারিত বলেই মনে হচ্ছে। ভাষণে তেমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। ভাষণে ওবামার সামাজিক প্রকল্পগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি কট্টরপন্থী রিপাবলিকানরা ধনীদের আরও কর বাড়ানোর ইঙ্গিত বলে মনে করছেন। মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেলের মুখপাত্র ডন স্টুয়ার্ট বলেন, যখন জাতীয়ভাবে বাজেট ঘাটতি কমানোর দাবি উঠেছে, তখন প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর ভাষণে বাজেটের আকার আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন। ওবামা তাঁর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসী অধিকার ও সমকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করারও ইঙ্গিত দেন। হিস্পানিক ভোটারদের সন্তুষ্টির জন্য ওবামা অভিবাসনপদ্ধতি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন। ভেন্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক টমাস অ্যালান সয়ার্টৎজ বলেন, ওবামা তাঁর ভাষণে অনেক ইস্যু নিয়েই কথা বলেছেন। তিনি ভাবছেন, বর্তমান পরিবেশ তাঁর পক্ষেই রয়েছে। জ্যেষ্ঠ একজন রিপাবলিকান নেতা বলেন, ওবামা যাঁদের ভোট পেয়েছেন, প্রথম ভাষণে শুধু তাঁদের জন্যই কথা বলেছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে যে আরও অর্ধেক জনগণ আছেন, তাঁদের কথা ভাবেননি। প্রেসিডেন্টের ভাষণে মার্কিন জনগণের প্রতি ঐক্যের ডাক আসেনি। রিপাবলিকান সিনেটর রব পোর্টম্যান বলেন, ওবামা ঐকমত্যের সুযোগ হারিয়েছেন। মিসৌরি ইউনিভার্সিটির রাজনীতি-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক পেভেরিল স্কয়ার বলেন, ‘এই মুহূর্তে ওবামা শক্ত অবস্থানে আছেন, এটা ঠিক। কিন্তু তাঁকে আগ্রাসী রিপাবলিকানদের মোকাবিলা করতে হবে। আমার মনে হয়, ওবামা ভবিষ্যতে প্রতিশ্রুত কিছু ইস্যু থেকে সরে আসতে পারেন।’প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests