Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

রয়টার্সের বিশ্লেষণ : যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের বাঁচাতে এবার লড়বে ওবামার সরকার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 148 বার

প্রকাশিত: January 22, 2013 | 7:13 PM

বারাক ওবামা

১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রথম বক্তৃতার পর রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান বলেন, ‘সরকার আমাদের সমস্যার সমাধান নয়, সরকার নিজেই একটি সমস্যা।’ এর ১৫ বছর পর ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁর প্রথম বক্তৃতায় বলেন, ‘বড় আকারের সরকার গঠনের যুগ শেষ হলো।’ বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অবশ্য তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদে শপথের পর দেওয়া ভাষণে সরাসরি এমন কোনো কথা বলেননি। তবে ওবামার ভাষণে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে, দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর সরকারের মূল কাজ হবে, দেশের দরিদ্র জনগণকে বাঁচানো। তিনি ভাষণে দরিদ্র ব্যক্তিদের সহায়তায় সরকারের ব্যয়বহুল সামাজিক প্রকল্পগুলো অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দেন। অবশ্য বিরোধী রিপাবলিকান পার্টি এসব সামাজিক প্রকল্পে ব্যয় কমিয়ে দেশের বাজেট ঘাটতি কমিয়ে আনার আহ্বান জানাচ্ছে। সামাজিক প্রকল্পের পক্ষে অবস্থানের কারণে কট্টরপন্থী ব্যক্তিরা ওবামাকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের’ সমাজতান্ত্রিক নেতা বলে আখ্যা দিয়েছেন। ওবামাকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির মূলধারার বাইরের ব্যক্তি বলেও মন্তব্য করেন সমালোচকেরা। ওবামা তাঁর ১৮ মিনিটের ভাষণে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য দিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারণায়ও সেই বিষয়গুলো তিনি সামনে এনেছিলেন। তবে দ্বিতীয় মেয়াদে তাঁর দৃষ্টি অনেক প্রসারিত বলেই মনে হচ্ছে। ভাষণে তেমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। ভাষণে ওবামার সামাজিক প্রকল্পগুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি কট্টরপন্থী রিপাবলিকানরা ধনীদের আরও কর বাড়ানোর ইঙ্গিত বলে মনে করছেন। মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেলের মুখপাত্র ডন স্টুয়ার্ট বলেন, যখন জাতীয়ভাবে বাজেট ঘাটতি কমানোর দাবি উঠেছে, তখন প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর ভাষণে বাজেটের আকার আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন। ওবামা তাঁর ভাষণে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসী অধিকার ও সমকামীদের অধিকার নিয়ে কাজ করারও ইঙ্গিত দেন। হিস্পানিক ভোটারদের সন্তুষ্টির জন্য ওবামা অভিবাসনপদ্ধতি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার ইঙ্গিত দেন। ভেন্ডারবিল্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক টমাস অ্যালান সয়ার্টৎজ বলেন, ওবামা তাঁর ভাষণে অনেক ইস্যু নিয়েই কথা বলেছেন। তিনি ভাবছেন, বর্তমান পরিবেশ তাঁর পক্ষেই রয়েছে। জ্যেষ্ঠ একজন রিপাবলিকান নেতা বলেন, ওবামা যাঁদের ভোট পেয়েছেন, প্রথম ভাষণে শুধু তাঁদের জন্যই কথা বলেছেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে যে আরও অর্ধেক জনগণ আছেন, তাঁদের কথা ভাবেননি। প্রেসিডেন্টের ভাষণে মার্কিন জনগণের প্রতি ঐক্যের ডাক আসেনি। রিপাবলিকান সিনেটর রব পোর্টম্যান বলেন, ওবামা ঐকমত্যের সুযোগ হারিয়েছেন। মিসৌরি ইউনিভার্সিটির রাজনীতি-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক পেভেরিল স্কয়ার বলেন, ‘এই মুহূর্তে ওবামা শক্ত অবস্থানে আছেন, এটা ঠিক। কিন্তু তাঁকে আগ্রাসী রিপাবলিকানদের মোকাবিলা করতে হবে। আমার মনে হয়, ওবামা ভবিষ্যতে প্রতিশ্রুত কিছু ইস্যু থেকে সরে আসতে পারেন।’প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ