টয়লেট বিরতি মাত্র ২ মিনিট!

শ্রমিক শোষণ দুনিয়ায় নতুন কোনো ঘটনা নয়। নানা উপায়ে দেশে দেশে অসহায় শ্রমিকদের শোষণ করা হয়। অতিরিক্ত সময় খাটানো, কম মজুরি, অস্বাস্থ্যকর কর্মপরিবেশ, বিলম্বে বেতন দেয়া, অবৈধভাবে চাকরিচ্যুত ও বেতন বন্ধসহ নানা উপায়ে শ্রমিকদের শোষণ করা হয়।
তবে এবার চীনের একটি বৃহত্ কোম্পানি শ্রমিক শোষণের জন্য নজিরবিহীন ঘৃণ্য পন্থা বেছে নিয়েছে। শ্রমিকদের জন্য মাত্র ২ মিনিটের টয়লেট বিরতির আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে জরিমানা ও বরখাস্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।
ওই আদেশ জারির পর সাংহাই ইলেকট্রিক কোম্পানির এক হাজার শ্রমিক বিদ্রোহ করেছে। তারা কোম্পানির ১০ জন জাপানি ও ৮ জন চীনা ব্যবস্থাপককে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে ৩০০ পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তাদেরকে মুক্ত করে।
ওই কোম্পানির এক নিরাপত্তারক্ষী বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ নোটিশ দেয় টয়লেটের জন্য কোনো শ্রমিক ২ মিনিটের বেশি সময় পাবেন না। প্রথমবার কেউ এ আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে তাকে ৮ ডলার (৬৫০ টাকা) জরিমানা করা হবে। দ্বিতীয়বার কেউ বিলম্ব করলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হবে।’ তবে কর্তৃপক্ষ এই নোটিশ পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দেয়ার পর এবং পুলিশি হস্তক্ষেপের ফলে অবরুদ্ধ ম্যানেজাররা মুক্তি পান।
কোম্পানিটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কয়েল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্য উত্পাদন করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মঙ্গলবার কারখানাটি বন্ধ করে দেয় হয়। তবে গতকাল সেটি আবার চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
সমাজতান্ত্রিক চীনে প্রায়শই শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে। তীব্র প্রতিযোগিতার মার্কেটে টিকে থাকার জন্য মালিকরা শ্রমিকদের শোষণ করে লাভ বাড়াতে চাইছে। অন্যদিকে মোবাইল ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে শ্রমিকরা দিন দিন অধিকার সচেতন হয়ে উঠেছে। সূত্র : এপি/আমার দেশ
তবে এবার চীনের একটি বৃহত্ কোম্পানি শ্রমিক শোষণের জন্য নজিরবিহীন ঘৃণ্য পন্থা বেছে নিয়েছে। শ্রমিকদের জন্য মাত্র ২ মিনিটের টয়লেট বিরতির আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে জরিমানা ও বরখাস্ত করার বিধান রাখা হয়েছে।
ওই আদেশ জারির পর সাংহাই ইলেকট্রিক কোম্পানির এক হাজার শ্রমিক বিদ্রোহ করেছে। তারা কোম্পানির ১০ জন জাপানি ও ৮ জন চীনা ব্যবস্থাপককে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে ৩০০ পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তাদেরকে মুক্ত করে।
ওই কোম্পানির এক নিরাপত্তারক্ষী বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ নোটিশ দেয় টয়লেটের জন্য কোনো শ্রমিক ২ মিনিটের বেশি সময় পাবেন না। প্রথমবার কেউ এ আদেশ পালনে ব্যর্থ হলে তাকে ৮ ডলার (৬৫০ টাকা) জরিমানা করা হবে। দ্বিতীয়বার কেউ বিলম্ব করলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হবে।’ তবে কর্তৃপক্ষ এই নোটিশ পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দেয়ার পর এবং পুলিশি হস্তক্ষেপের ফলে অবরুদ্ধ ম্যানেজাররা মুক্তি পান।
কোম্পানিটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কয়েল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্য উত্পাদন করে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মঙ্গলবার কারখানাটি বন্ধ করে দেয় হয়। তবে গতকাল সেটি আবার চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
সমাজতান্ত্রিক চীনে প্রায়শই শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি হচ্ছে। তীব্র প্রতিযোগিতার মার্কেটে টিকে থাকার জন্য মালিকরা শ্রমিকদের শোষণ করে লাভ বাড়াতে চাইছে। অন্যদিকে মোবাইল ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে শ্রমিকরা দিন দিন অধিকার সচেতন হয়ে উঠেছে। সূত্র : এপি/আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests