Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর হবে অভিবাসন সংস্কার বিল : মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আশাবাদ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 151 বার

প্রকাশিত: January 31, 2013 | 5:59 PM

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অভিবাসন সংস্কার বিলের চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ বছরের প্রথমদিকে না হলেও বছরের শেষদিকে সংস্কার বিল অর্জিত হবে। তিনি এ ব্যাপারে রিপাবলিকানদের আপত্তি প্রত্যাখ্যান করেছেন। স্পেনিস ভাষাভাষী মার্কিন টিভি চ্যানেলের সঙ্গে সাক্ষাত্কারে ১ কোটি ১০ লক্ষাধিক অবৈধ অভিবাসীকে মার্কিন নাগরিকত্ব দেয়ার ব্যাপারে তিনি একমত পোষণ করেন। মার্কিন কংগ্রেসের ৮ সিনেটরের প্রস্তাবিত অভিবাসন সংস্কার বিলের পক্ষে বুধবার ভোরে মতামত ব্যক্ত করেন ওবামা। ওবামা তার বক্তৃতায় বলেন, ভঙ্গুর অভিবাসন ব্যবস্থার সুযোগ নিচ্ছেন অনেক ব্যবসায়ী।  টেলেমুন্ডু টিভি চ্যানেলে তিনি আরও বলেন, অভিবাসন চুক্তির বিষয়ে আমি আশাবাদী। আমি মনে করি না এতে অনেক মাস ব্যয় হবে। চলতি বছরই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করা যায়—সে লক্ষ্যে কাজ চলছে। সম্ভব হলে এ বছরের প্রথমদিকে চুক্তি সম্পন্ন করা হবে। ওবামা আরও বলেন, এই সংস্কার বিলে প্রযুক্তির চেয়ে রাজনৈতিক বাধা অনেক বেশি। বুধবার অভিবাসন সংস্কার বিষয়ে তার দ্বিধাহীন মতৈক্যের কথা বলার একদিন পর ওবামা এসব মন্তব্য করেন। টেলেমুন্ডো টিভির সঙ্গে কথা বলার সময় ওবামা বলেন, এ ব্যাপারে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি যে, আমি এ কাজের সবকিছুর নেপথ্যে থাকব। তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে আমি সব রাজনীতিকের সঙ্গে একত্রে কাজ করব। এমনকি ফ্লোরিডার রিপাবলিকান সিনেটর মার্কো রুবিওর সঙ্গেও বসব। এদিকে প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন, অনেক ব্যবসায়ী অবৈধ অভিবাসীদের কাজ দিচ্ছেন কিন্তু ন্যায্য পারিশ্রমিক দিচ্ছেন না। যারা কঠোর শ্রম দিচ্ছেন এবং এই আমেরিকা গড়ছেন, তাদের নানা ভয়ভীতির মধ্যে বাস করতে হচ্ছে। এ অবস্থা দেশের জন্য যেমন ভালো নয়, ঠিক তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্যও কল্যাণকর নয়। তাই এখন সময় এসেছে এ অবস্থাকে ঢেলে সাজানোর। তিনি উল্লেখ করেন, ইমিগ্রেশন ইস্যুতে অনেক দেন-দরবার হয়েছে, সময়ক্ষেপণও হয়েছে অনেক। এখন আর সময় নষ্ট করার সময় নেই। ওবামা তার পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন এবং ইমিগ্রেশন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে ৪টি বিষয় চিহ্নিত করেন। এগুলো হচ্ছে—১. সীমান্ত দিয়ে যেন আর কেউ অবৈধভাবে ঢুকতে না পারে—এমন ব্যবস্থা গ্রহণ; ২. অবৈধ অভিবাসীদের যারা কাজ দেবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ; ৩. নাগরিকত্ব পাওয়ার আগ পর্যন্ত অবৈধ অভিবাসীদের একটি তালিকা তৈরি এবং সে তালিকা অনুযায়ী তারা ট্যাক্স দেবেন ও কাজের অনুমতি পাবেন। এরপর তারা ইংরেজি শিখবেন, তারা কোনো অপকর্মে লিপ্ত নেই—তা নিশ্চিত করবেন এবং ৪. স্ট্যাটাস অ্যাডজাস্টমেন্টের চলমান প্রক্রিয়ায় তারা গ্রিনকার্ডের আবেদন করবেন। উল্লেখ্য, ওবামা তার নির্বাচনী ওয়াদা পূরণে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিয়েছেন। বর্ডার পেট্রল এজেন্টের সংখ্যা দ্বিগুণ করেছেন। এ বিষয়ে রিপাবলিকানদেরও দ্বিমত নেই। অবৈধ অভিবাসীদের যারা কাজ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হয়েছে গত ক’বছরে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এক কোটি ১০ লক্ষাধিক অবৈধ অভিবাসীকে ভীতিকর পরিবেশে রেখে সামগ্রিক উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা সম্ভব নয় বলে ওবামা এ সমাবেশে মন্তব্য করেন। তিনি অভিবাসন সংস্কার বিল অবিলম্বে পাসের জন্য কংগ্রেসের আন্তরিক সহায়তা চেয়েছেন। ওবামা প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে বলেন, যদি কংগ্রেস দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সক্ষম না হয়, তাহলে আমি নিজের ক্ষমতাবলে একটি প্রস্তাব প্রেরণ করব—যা ভোটে দিতে তারা বাধ্য হবেন।  এদিকে ওবামার এ প্রস্তাব প্রসঙ্গে হাউসের স্পিকার রিপাবলিকান জন এ বয়েহনার বলেছেন, ভঙ্গুর অভিবাসন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে হিসপ্যানিক জনগোষ্ঠীর ক্রমবর্ধমান প্রভাবেই সিনেট সদস্যরা এ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন বলে ধারণা বিশ্লেষকদের। এর আগের দিন ২৮ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে সিনেট সদস্যরা অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ করার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। আইন প্রণেতাদের সমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রস্তাবে অভিবাসন সংস্কারের পাশাপাশি নিরাপত্তা বিষয়টিতেও জোর দেয়া হয়েছে। যেসব বিদেশি স্বল্পমেয়াদি ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছেন, তাদের ভিসার মেয়াদ শেষে নিজ নিজ দেশে ফেরত যাওয়ার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।রয়টার্স, বিবিসি/আমার দেশ
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV