Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

নিউ ইয়র্ক টাইমসে নিবন্ধ :ব্রান্ডকে নয়, বাংলাদেশকে দায়ী করুন -কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 23 বার

প্রকাশিত: February 2, 2013 | 9:14 AM

 ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে গার্মেন্টে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৪০০ শ্রমিক নিহত হয়েছে। এসব গার্মেন্টের জানালা আটকে দেয়া। গার্মেন্ট থেকে বের হওয়ার পথ তালাবদ্ধ। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেখানে ক্ষীণ। তা সত্ত্বেও এসব গার্মেন্ট ইন্সপেকশনে পাস করেছে। এ অবস্থায় এ কারখানায় যেসব ব্রান্ডের পোশাক তৈরি হতো বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, শ্রমিক অধিকার বিষয়ক সংস্থা তাদের দায়ী করছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি তোলা হয়েছে ব্রান্ডগুলোর কাছে। কিন্তু এমন দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী। তিনি বলেছেন, ব্রান্ডকে দায়ী করবেন না। বাংলাদেশকে দায়ী করুন। প্রফেসর জগদীশ ভগবতী ‘ইন ডিফেন্স অব গ্লোবালাইজেশন’ বইয়ের লেখক ও কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স-এর ফেলো। তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের ‘রুম ফর ডিবেট’ বিভাগে ‘ব্লেম বাংলাদেশ, নট দ্য ব্রান্ডস’ শীর্ষক এক মন্তব্য কলামে এসব কথা লিখেছেন। তিনি উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার হ্যামলেটে একটি পোল্ট্রি ফার্মে অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে লিখেছেন, ওই প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জন শ্রমিক নিহত হন। আহত হন ৫৫ জন। এতে রাজ্যজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের আত্মীয়স্বজন তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানতেন, ওই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ভাল চাকরির সুবিধা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের যে ভবনে শ্রমিকরা অগ্নিকাণ্ডের আগে কাজ করছিলেন তার বহির্গমন গেট বা বের হওয়ার পথ ছিল তালাবদ্ধ। ফলে নিহত ও আহতদের বেশির ভাগই আগুনে পুড়ে মারা যান। সরকারের নিষ্ক্রিয়তার পরিপ্রেক্ষিতে করপোরেট ব্রান্ডগুলোকে শ্রমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কার করার দাবি খুবই সংকীর্ণ। বাংলাদেশ বা করাচির কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কি এই প্রশ্ন? ওই লেখায় তিনি নিজেই এ প্রশ্ন তুলে উত্তর দিচ্ছেনÑ না। ওই ঘটনা ঘটেছে নর্থ ক্যারোলিনার হ্যামলেটে একটি পোল্ট্রি ফার্মে। ১৯৯১ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক সিটি এ শহরকে ‘অল-আমেরিকান সিটি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। ওই অগ্নিকাণ্ডের জন্য দায় শুধু কোম্পানির নয়। একই সঙ্গে দায় সরকারেরও। বাংলাদেশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফের কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ঘাটতি ও অলস মানসিকতা বড় করে ফুটিয়ে তুলেছে। এতে সম্ভবত যোগ হয়ে থাকতে পারে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ছোঁয়া। এতে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের অনিরাপদ অবস্থা থেকে রক্ষার বিষয়টি অবহেলিত থেকেই গেছে বলে প্রতিফলিত হয়। যেমন, যখন শ্রমিকরা কোন খোলা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চুল্লির কাছে কাজ করবেন তখন তাদেরকে চশমা দিতে হবে এবং তারা উপযোগী পোশাক পরেছেন কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। সরকারের নিষ্ক্রিয়তার ফলে ওয়াল-মার্ট, গ্যাপ ও অন্য ব্রান্ডগুলোকে শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বলা সংকীর্ণতা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV