Thursday, 11 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
সব ক্যাটাগরি

নিউ ইয়র্ক টাইমসে নিবন্ধ :ব্রান্ডকে নয়, বাংলাদেশকে দায়ী করুন -কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 110 বার

প্রকাশিত: February 2, 2013 | 9:14 AM

 ডেস্ক: বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে গার্মেন্টে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৪০০ শ্রমিক নিহত হয়েছে। এসব গার্মেন্টের জানালা আটকে দেয়া। গার্মেন্ট থেকে বের হওয়ার পথ তালাবদ্ধ। ফলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেখানে ক্ষীণ। তা সত্ত্বেও এসব গার্মেন্ট ইন্সপেকশনে পাস করেছে। এ অবস্থায় এ কারখানায় যেসব ব্রান্ডের পোশাক তৈরি হতো বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা, শ্রমিক অধিকার বিষয়ক সংস্থা তাদের দায়ী করছে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি তোলা হয়েছে ব্রান্ডগুলোর কাছে। কিন্তু এমন দাবির বিপরীতে অবস্থান নিয়েছেন কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ও অর্থনীতিবিদ জগদীশ ভগবতী। তিনি বলেছেন, ব্রান্ডকে দায়ী করবেন না। বাংলাদেশকে দায়ী করুন। প্রফেসর জগদীশ ভগবতী ‘ইন ডিফেন্স অব গ্লোবালাইজেশন’ বইয়ের লেখক ও কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্স-এর ফেলো। তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের ‘রুম ফর ডিবেট’ বিভাগে ‘ব্লেম বাংলাদেশ, নট দ্য ব্রান্ডস’ শীর্ষক এক মন্তব্য কলামে এসব কথা লিখেছেন। তিনি উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ার হ্যামলেটে একটি পোল্ট্রি ফার্মে অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে লিখেছেন, ওই প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ২৫ জন শ্রমিক নিহত হন। আহত হন ৫৫ জন। এতে রাজ্যজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ ঘটনায় নিহত ও আহতদের আত্মীয়স্বজন তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা জানতেন, ওই এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ভাল চাকরির সুবিধা দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের যে ভবনে শ্রমিকরা অগ্নিকাণ্ডের আগে কাজ করছিলেন তার বহির্গমন গেট বা বের হওয়ার পথ ছিল তালাবদ্ধ। ফলে নিহত ও আহতদের বেশির ভাগই আগুনে পুড়ে মারা যান। সরকারের নিষ্ক্রিয়তার পরিপ্রেক্ষিতে করপোরেট ব্রান্ডগুলোকে শ্রমিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংস্কার করার দাবি খুবই সংকীর্ণ। বাংলাদেশ বা করাচির কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কি এই প্রশ্ন? ওই লেখায় তিনি নিজেই এ প্রশ্ন তুলে উত্তর দিচ্ছেনÑ না। ওই ঘটনা ঘটেছে নর্থ ক্যারোলিনার হ্যামলেটে একটি পোল্ট্রি ফার্মে। ১৯৯১ সালে দ্য নিউ ইয়র্ক সিটি এ শহরকে ‘অল-আমেরিকান সিটি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। ওই অগ্নিকাণ্ডের জন্য দায় শুধু কোম্পানির নয়। একই সঙ্গে দায় সরকারেরও। বাংলাদেশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফের কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ঘাটতি ও অলস মানসিকতা বড় করে ফুটিয়ে তুলেছে। এতে সম্ভবত যোগ হয়ে থাকতে পারে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির ছোঁয়া। এতে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের অনিরাপদ অবস্থা থেকে রক্ষার বিষয়টি অবহেলিত থেকেই গেছে বলে প্রতিফলিত হয়। যেমন, যখন শ্রমিকরা কোন খোলা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন চুল্লির কাছে কাজ করবেন তখন তাদেরকে চশমা দিতে হবে এবং তারা উপযোগী পোশাক পরেছেন কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে। সরকারের নিষ্ক্রিয়তার ফলে ওয়াল-মার্ট, গ্যাপ ও অন্য ব্রান্ডগুলোকে শ্রমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বলা সংকীর্ণতা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV