পানির দামে পুরনো বই বিক্রি করে সফল ব্যবসায়ী: ফ্লোরিডার টিকনারের সংগ্রহে ৫০ হাজার বই

ই লি য়া স হো সে ন : যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার বাসিন্দা ডুনি টিকনার তার পুরো জীবনটা কাটিয়েছেন বইয়ের দুনিয়ায়। কিশোর বয়সেই তিনি বুক ক্লাবের সদস্য হয়েছিলেন। কলেজে ভর্তি হয়ে তিনি সাহিত্য ও ইতিহাস বিষয়ে পড়াশোনা করেন। এরপর ১২ বছর ধরে তিনি ডেসটিন লাইব্রেরির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বইয়ের জন্যে রয়েছে তার অগাধ ভালোবাসা। নিজস্ব সংগ্রহে রয়েছে হাজার হাজার বই। এসব পুরনো বা ব্যবহৃত বই দিয়ে তিনি চালু করেছেন ডুনি’স বুক কোম্পানি। এখানে রয়েছে সাহিত্যের সব শাখার বই। টিকনার বলেন, ‘এখানে বর্তমানে ৫০ হাজারের কিছু বেশি বই আছে। আমার সংগ্রহে আছে আরো বেশ কিছু বই। এগুলো এই স্টোরের বাইরে রয়েছে।’ তিনি বলেন, মূলত সব ধরনের বই নিয়েই আমার কারবার। কিশোরদের বই থেকে নন-ফিকশনধর্মী সব বইয়ের সংগ্রহ রয়েছে আমার কাছে। অধুনা সাহিত্যেরও বিশাল সংগ্রহ আছে আমার। তবে স্থান সীমাবদ্ধতার কারণে আমি শুধু রোমান্টিক বই রাখিনি। শুরুতে টিকনার তার নিজের সংগৃহীত বই দিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন, কিন্তু এখন তিনি বিভিন্ন সূত্র থেকে বই পেয়ে থাকেন। বই আসে লাইব্রেরি এবং চার্চ থেকেও। এছাড়া ক্রেতাদের কাছ থেকেও তিনি সীমিত সংখ্যক বই কিনে থাকেন । টিকনার বলেন, কোনো বই কেনার প্রস্তাব এলে আমি প্রথমেই না করি না। প্রথমে বইটি ভালো করে দেখে নিই। এ ধরনের ব্যবসায় এটা কোনো কঠিন কাজ নয়। টিকনার ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ডেসটিন লাইব্রেরির ম্যানেজার ছিলেন। ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি নিজেই ডুনি’স বুক কোম্পানি চালু করেন। তার কোম্পানিতে রয়েছে মাত্র ৫০ সেন্ট থেকে ৫০ ডলার দামের বই। তবে ৪০-৫০ ডলার দামের বই তার কোম্পানিতে খুবই সীমিত। বইয়ের অবস্থা মানসম্মত হলে দাম পড়ে গড়ে তিন ডলার আর খুবই ভালো হলে দাম পড়ে ছয় ডলার। বইয়ের অবস্থা খারাপ হলে সেই বই বিক্রি করেন না টিকনার। তিনি এমন অনেক বই সরিয়ে ফেলেন যেগুলো বেশ পাঠযোগ্য। তিনি বলেন, এগুলো বিক্রি করে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না। পুরনো বই সংগ্রহে মানুষের সহজাত প্রবণতার কথা উল্লেখ করে টিকনার বলেন, শিশুকালে মানুষ যেসব বই পড়ে, সেগুলো সে সংগ্রহে রেখে তার সন্তান-সন্ততি এমনকি নাতি-নাতনিদের দিতে চায়। তিনি বলেন, ক্রেতাদের ভালো সেবা দেয়ায় আমার ব্যবসায়ের উন্নতি হয়েছে। ব্যক্তিগতভাবেই আমি নিজেই ক্রেতাদের সেবা দিয়ে থাকি। আমি অনেক ক্রেতাকে চিনি, জানি কোন লেখকের বই তাদের পছন্দ। যদিও বর্তমানে দিনদিনই ই-বইয়ের চাহিদা বাড়ছে, তবে টিকনার মনে করেন না, এটি কখনও প্রিন্ট বা মুদ্রিত বইয়ের বিকল্প হবে। তিনি বলেন, পর্যটক ও ছোট পরিসরে জীবনযাপনকারীদের জন্য ই-বই উপযুক্ত। কিন্তু বেশিরভাগ লোক মুদ্রিত বই পড়তেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। আগামী দু-তিন মাসের মধ্যেই ফেসবুকের মাধ্যমে মূল্যহ্রাসে বই বিক্রির পরিকল্পনা করছেন টিকনার।আমার দেশ
সর্বশেষ সংবাদ
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests