Thursday, 11 June 2026 |
শিরোনাম
Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
সব ক্যাটাগরি

জলবায়ু পরিবর্তন: ৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ৩ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 23 বার

প্রকাশিত: February 11, 2013 | 11:37 PM

ডেস্ক: তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বরফ বা হিমবাহ গলনের ফলে প্রতিক্ষণ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের শতকরা ১৭ ভাগ এলাকা পানির নিচে চলে যাবে। ভূমি ক্ষয় হবে। এর ফলে এ সময়ের মধ্যে এদেশের ২ কোটি থেকে ৩ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে। ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি)-এর রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে কানাডার টরেন্টো থেকে প্রকাশিত অনলাইন দ্য স্টার এ কথা বলেছে ৯ই ফেব্রুয়ারি। এতে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী শরণার্থীতে পরিণত হবে। তারা তাদের ভূমি হারাবে। ফলে তারা দেশের ভূ-ভাগের ভিতরের দিকে অগ্রসর হবে। সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন দেশে যাওয়ার চেষ্টা করবে। এরই মধ্যে জলবায়ুর পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত কমে গেছে। আবার যখন বৃষ্টি হচ্ছে তখন মুষলধারে হচ্ছে। খরার ব্যাপ্তি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ঝড় ও ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি বেড়েছে। তা আরও প্রলয়ংকরী হয়ে উঠছে। আইপিসিসি’র রিপোর্টের অন্যতম লেখক আতিক রহমান বলেন, গ্রিন হাউজ গ্যাস হ্রাসের অভাবে এসব ঘটনা খুব দ্রুতগতিতে ঘটতে পারে। এখনও যদি আমরা এর গতি থামাতে পারি তাহলেও সবকিছু ঠিকঠাক হতে অনেক সময় নেবে। তিনি বাস করেন ঢাকায়। জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ কেন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সে বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা করেন। বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণের দেশ। এটি সমতল। এখানে গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা সহ বড় বড় নদীগুলোর অববাহিকায় বসবাস ১৫ কোটি মানুষের। দেশের বেশির ভাগ অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬ মিটার উঁচুতে। উপকূলের অনেক এলাকার উচ্চতা ৩ থেকে ৪ ফুট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ শতাব্দীর শেষের দিকে বাংলাদেশের বিশাল অংশ পানির নিচে চলে যাবে। এতে শুধু ওই ভূভাগ অদৃশ্যই হবে তা নয়। আইপিসিসি’র রিপোর্ট অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে তাতে বাংলাদেশের বেশির ভাগ আবাদি জমি কেড়ে নেবে। বিশ্বের অন্য যেকোন দেশের তুলনায় তা হবে সবচেয়ে বেশি ভূ-ভাগ। ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের ধান উৎপাদন কমে যেতে পারে শতকরা ১০ ভাগ। গমের উৎপাদন কমতে পারে শতকরা ৩০ ভাগ। যে দেশ গরিব ও উন্নয়নশীল তাদের জন্য এটা একটি বড় ঝুঁকি। ওই রিপোর্টে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ২০০৯ সালের আইলা’র আঘাতের পর দুর্ভোগের শিকার মানুষদের দুর্দশা তুলে ধরা হয়। বলা হয়, এখনও আইলার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত মানুষগুলো ঠিকমতো অর্থনৈতিকভাবে আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারেন নি। তারা চাষের জমি হারিয়েছেন। হালের বলদ হারিয়েছেন। এখন বেঁচে থাকার অবলম্বন সামান্যই। বাধ্য হয়েই অনেকে অন্য জেলায় চলে গিয়েছেন। কেউ গিয়েছেন যশোরে। কেউ গিয়েছেন সাতক্ষীরা। কেউ গিয়েছেন খুলনা। কেউ বা বিদেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন বা গিয়েছেন। এভাবেই তারা প্রকৃতির সঙ্গে লড়াইয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। এতে তুলে ধরা হয়েছে জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল যখন পানিতে নিমজ্জিত হবে তখন সেখানকার মানুষ এভাবেই কাজের সন্ধানে, বসবাসের ঠাঁই খুঁজতে, বেঁচে থাকার তাড়নায় এলাকা ছেড়ে বাস্তুচ্যুতে পরিণত হবে। ওই রিপোর্টে বলা হয়, জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশ মানুষ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়তে পারে। এর ফলে ২৫ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারে। কানাডার মোট জনসংখ্যার ৭ গুণের সমান এ সংখ্যা। এ মানুষগুলোকে ২০৫০ সালের মধ্যে এমন বিপদের মুখোমুখি হতে হবে। তারা মরুভূমি থেকে যেখানে পানি বিপদের কারণ নয় সেখানে ছুটবে। উপকূল থেকে দেশের ভূ-ভাগের দিকে ধাবিত হবে, যেখানে তারা ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস থেকে নিরাপদে থাকবে। নিচু ভূমি থেকে ছুটবে উঁচু স্থানে। তারা ছুটবে চাকরি ও নিরাপত্তার সন্ধানে। তারা আশ্রয় নেবে নিকটবর্তী শহরে। কেউ পাশের দেশে আশ্রয়ের জন্য দেশ ছাড়বে। কেউ চিরদিনের জন্য দেশ ছাড়বে। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে করুণ পরিণতি ভোগ করবে যে দেশ তাহলো মালদ্বীপ ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত ছোট ছোট দ্বীপ। এগুলো এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ অদৃশ্য হয়ে যাবে। গত শতাব্দীতে মালদ্বীপের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে ২০ সেন্টিমিটার। পরবর্তী ১০০ বছরের মধ্যে আরও ৫৬ সেন্টিমিটার বাড়তে পারে ওই উচ্চতা।মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV