পুলিশের ড্রোন ব্যবহার চান না মার্কিনরা
যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে মানুষবিহীন বিমান (ড্রোন) প্রিয় হয়ে উঠছে। এই বিমান দিয়ে প্রয়োজনীয় ভিডিওধারণ, অপরাধীদের পিছু ধাওয়া করাসহ নানা কাজ খুব সহজেই করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু ড্রোনের এই ব্যবহারে জনমনে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। তাই ড্রোনের ব্যবহারে বিধিনিষেধ বা এর অপব্যবহার রোধে নিরাপত্তামূলক কোনো কিছু করার দাবি উঠেছে।
ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের শার্লটসভিল শহরের কাউন্সিলম্যান ডেভ নরিস বলেন, ‘ড্রোনের ব্যবহার আমার কাছে বিগ ব্রাদারের মতো মনে হয়।’ বিগ ব্রাদার হলো বিখ্যাত ঔপন্যাসিক জর্জ অরওয়েলের উপন্যাস নাইনটিন এইটটি ফোর-এর একটি চরিত্র। স্বৈরশাসকরূপী এই চরিত্রটি তার সমাজের প্রতিটি ব্যক্তিকে কড়া নজরদারির আওতায় রেখেছিল। নরিসের মতে, বর্তমান মার্কিন সমাজে ড্রোন যেন সেই ভূমিকাই পালন করছে।
শার্লটসভিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম শহর হিসেবে চলতি মাসে ড্রোন ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ফৌজদারি কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার করে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে এই শহরের পুলিশ কর্মকর্তাদের নিষেধ করা হয়েছে। শুধু ড্রোন নয়, আকাশ থেকে কোনো যন্ত্র ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শহরের কাউন্সিলম্যান নরিস বলেন, পুলিশ বিভাগে নতুন নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নীতিমালার ক্ষেত্রে নতুন নতুন সংকটও সৃষ্টি হয়েছে।
ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের সিয়াটলে ড্রোনের ব্যবহার বন্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। এই বিক্ষোভের পর সিয়াটলের মেয়র মাইকেল ম্যাকগিন ড্রোনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেন। সিয়াটলের পুলিশ বিভাগ গত সপ্তাহে দুটি ড্রোন-সংশ্লিষ্ট নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানকে ফেরত দিতে রাজি হয়েছে। পুলিশ অবশ্য এখনো ওই ড্রোন ব্যবহার করেনি। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অকল্যান্ডের পুলিশ কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য একটি ড্রোন কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। তবে সেখানেও ড্রোন কেনার বিরোধিতা শুরু হয়েছে।
চলতি সপ্তাহে মার্কিন কংগ্রেসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে ড্রোনের ব্যবহার বন্ধে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। বিনা পরোয়ানায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও সম্পত্তির ওপর নজরদারি করা হচ্ছে উল্লেখ করে এই বিল আনা হয়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি আইন করা হয়। ওই আইনে ড্রোনের বাণিজ্যিক ব্যবহার ও সরকারি বিভিন্ন সংস্থা যাতে সহজেই ড্রোন পেতে পারে, সেই অনুমোদন দেওয়া হয়।
অ্যালামেডা কাউন্টিতে পুলিশের জন্য ড্রোন কেনার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে কাউন্টির প্রধান আইন প্রয়োগকারী বিভাগের কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন টম ম্যাডিগন বলেন, জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ড্রোন কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর এই ড্রোন সামরিক গ্রেডের কোনো ড্রোন নয়, এটা কোনো অস্ত্রও নয়।
ড্রোনের ব্যবহার বন্ধের পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হলো, এর মাধ্যমে মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন ইন ওয়াশিংটনের জ্যেষ্ঠ নীতি বিশ্লেষক জে স্ট্যানলি বলেন, ড্রোন নিঃসন্দেহে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ক্ষেত্রে হুমকি। নিউইয়র্ক টাইমস।প্রথম আলো
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests