যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্কার আইন নিয়ে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে
ইব্রাহীম চৌধুরী, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন সংস্কার আইন প্রণয়ন নিয়ে বিবদমান পক্ষের মধ্যে সমঝোতা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা মতৈক্যে পৌঁছেছেন। ব্যবসায়ী ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যেও সমঝোতা হয়েছে। এপ্রিল মাসেই সমঝোতার অভিবাসন আইন কংগ্রেসে উপস্থাপন সম্ভব বলে এখন মনে করা হচ্ছে।
আইনপ্রণেতারা একমত হলেও অভিবাসী শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ নিয়ে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা নতুন অভিবাসী শ্রমিকদের হ্রাসকৃত মজুরি নির্ধারণে চাপ সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শ্রমিক স্বার্থবিরোধী অভিবাসন আইন প্রণয়নের বিপক্ষে অবস্থান নেন। এতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই আইনপ্রণেতারা ইস্টারের দীর্ঘ ছুটিতে ওয়াশিংটন ত্যাগ করেন।
কিন্তু অবকাশকালীন সময়েও আইনপ্রণেতারা ভেঙে পড়া অভিবাসনব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে সমঝোতার প্রয়াস চালিয়েছেন। ইস্টার সানডের প্রাক্কালে নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত সিনেটর চার্লস শুমার জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে সমঝোতা হয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী সমন্বিত অভিবাসন সংস্কার আইনে নতুন ধরনের একটি ভিসা রাখা হবে। ডব্লিউ ভিসা নামে আধা দক্ষ শ্রমিকদের যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা হবে। ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে প্রতিবছর নির্ধারিত কোটায় বহির্বিশ্ব থেকে আধা দক্ষ শ্রমিকেরা যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারবেন। নির্মাণকাজ, হোটেল-রেস্তোরাঁ শ্রমিক, নার্সিং হোমের সেবাকর্মীর মতো আধা দক্ষ ২০ হাজার কর্মী প্রথম বছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন।
ডব্লিউ ভিসায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার দ্বিতীয় বছরে ৩৫ হাজার, তৃতীয় বছরে ৫৫ হাজার এবং চতুর্থ বছরে ৭৫ হাজার কর্মীর প্রবেশ ঘটবে যুক্তরাষ্ট্রে। চূড়ান্ত পর্বে বছরে সর্বোচ্চ দুই লাখ আধা দক্ষ শ্রমিক এ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারবেন। তবে অভ্যন্তরীণ চাকরি বাজারে কর্মহীনতা বৃদ্ধি পেলে এ ভিসার বার্ষিক কোটা হ্রাস করা হবে। ডব্লিউ ভিসায় আসা আধা দক্ষ শ্রমিকেরা তাঁদের ইচ্ছা অনুযায়ী চাকরিদাতা পরিবর্তন করতে পারবেন। এক বছর পর এই ভিসায় আসা অভিবাসী শ্রমিকেরা গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বর্তমানে মৌসুমি ভিসায় বছরে সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার শ্রমিক যুক্তরাষ্ট্রে এলেও তাঁরা গ্রিনকার্ডের জন্য আবেদন করার যোগ্য নন এবং মৌসুমি কাজ শেষে তাঁদের স্বদেশে ফিরে যেতে হয়। সিনেটর চার্লস শুমার অভিবাসন সংস্কার আইন নিয়ে শেষ মুহূর্তের সমঝোতায় মধ্যস্থতা করছেন। এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই উভয় দলের আইনপ্রণেতা, বাণিজ্য ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের যৌথ সংবাদ সম্মেলন করার প্রস্তুতি চলছে।
- Bangladesh Calls for Stronger UNDP Support on Climate Finance and Smooth LDC Graduation
- জলবায়ু অর্থায়ন ও এলডিসি উত্তরণে ইউএনডিপি’র অধিকতর সহায়তার আহ্বান বাংলাদেশের
- নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে কমার্শিয়াল পার্কিং প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত
- নিউইয়র্ক সিটির কমিউনিটি অ্যাকশন বোর্ড এর প্রতিনিধি নির্বাচিত আব্দুস শহীদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK