Sunday, 15 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
সব ক্যাটাগরি

ফেসবুক, ইয়াহুর অভিবাসন জোট

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 49 বার

প্রকাশিত: April 9, 2013 | 3:54 PM

ফেসবুক, ইয়াহু, ইন্টেল, সিসকোর মতো তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবার একসঙ্গে জোট বেঁধেছে আমেরিকার অভিবাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন আনার জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া অভিবাসীরা রাখছেন অনবদ্য ভূমিকা। এই খাতে ভবিষ্যতে কাজ করার মতো যথেষ্ট কর্মী যুক্তরাষ্ট্রের নেই। তাই বাইরে থেকে কর্মী আনাটা জরুরি। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলো সেটা বুঝতে পেরেছে অনেক আগেই। কিন্তু জটিল ভিসা-পদ্ধতির কারণে অনেক দক্ষ কর্মীকে ধরে রাখতে পারছে না তারা। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে জোট গড়েছে প্রায় ১০০টি বড় কোম্পানি। তারা কংগ্রেসের কাছে খোলা চিঠি লিখেছে। দাবি, ‘মান্ধাতার আমলের ও অযোগ্য’ অভিবাসনব্যবস্থায় সংস্কার আনা। ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, ইয়াহুর মারিসা মায়ারসহ অনেকেই সেই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। শুধু চিঠি লিখেই বসে নেই তারা, লক্ষ্য পূরণে একটি শক্তিশালী লবি গ্রুপ তৈরির চেষ্টা করছেন তারা। তাতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—দুই দলের সদস্যদেরই পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া চলতি মাসে কংগ্রেসে অভিবাসন সংস্কারের ওপর ভোটাভুটিকে কেন্দ্র করে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা কংগ্রেসের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এই কোম্পানিগুলো আশা করছে, এসব প্রচার, প্রচারণার মাধ্যমে তারা অভিবাসনব্যবস্থায় সংস্কার আনতে সক্ষম হবে, যেমনটা তারা পেরেছিল গত বছর। সে সময় একটি বিতর্কিত আইনের বিরুদ্ধে ইন্টারনেটে প্রচারণা চালিয়েছিল কোম্পানিগুলো। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি আটজনের একজন অভিবাসী। সংখ্যার হিসাবে সেটা প্রায় সাড়ে চার কোটি। এর মধ্যে এক কোটি ১০ লাখ অবৈধ। কংগ্রেসে ভোটের মাধ্যমে তাদের ভবিষ্যত্ নির্ধারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র : ডিডব্লিউ/আমার দেশ
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV