Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিশ্বের রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্কে বাংলাবাজার এভিনিউ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 48 বার

প্রকাশিত: May 4, 2013 | 4:12 PM

মাহমুদ মেনন, হেড অব নিউজ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
গিয়াস উদ্দিন ও বাংলাবাজার একে অপরের

নিউইয়র্ক: ভিনদেশে বাংলাবাজার এভিনিউ নামে একটি সড়কের নামকরণ যে কোনও বাঙালির জন্যই আনন্দের। বিশ্বের রাজধানী বলে খ্যাত নিউইয়র্কের বুকে এমনই একটি এভিনিউ রয়েছে এখানকার বাঙালি অধ্যুসিত এলাকা ব্রঙ্কসের স্টার্লিংয়ে।
কিভাবে এলো এমন একটি নাম সে কথা জানতে কথা হয় এর অন্যতম উদ্যোক্তা ব্রঙ্কসে ৩০ বছর ধরে বসবাসকারী প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও এখানকার কমিউনিটির প্রধানতম ব্যক্তিত্ব গিয়াস উদ্দিনের সাথে। সদাহাস্য মানুষটির সঙ্গে কথা বললে বাঙালির আবহমান কালের ঐতিহ্যমাখা আন্তরিকতার ছোঁয়া পাওয়া যায়। তিনিই জানালেন এই ‘বাংলাবাজার এভিনিউ’র স্বপ্ন পূরণের কথা। বললেন, দীর্ঘ আগে যে স্বপ্নের বীজ বুনেছিলাম ২০০৮ সালে এসে তার ফল পেয়েছি। নিউইয়র্কের এই ব্রঙ্কসকে এখন আমার কাছে মনে হয় একটুকরো বাংলাদেশ। কাজের জন্য যেখানেই যাই এখানে ফিরে এলে মনে হয় নিজভূমিতে ফিরলাম। বিশেষ করে এখানে বাংলাবাজার এভিনিউ নামে একটি সড়কের নামকরণের পর থেকেই আমার এমন অনুভূতি হচ্ছে।
গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে কথা হয় এই বাংলাবাজার এভিনিউর পাশেই বিশাল ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ডাবল ডিসকাউন্ট এ তার অফিস কক্ষে বসে। ডাবল ডিসকাউন্ট নিউইয়র্কের একটি চেইনশপ। নগরীরর প্রাণকেন্দ্র ম্যানহাটনসহ প্রধান প্রধান এলাকায় রয়েছে এর চারটি বড় বড় শোরুম। যুক্তরাষ্ট্রের মেইনস্ট্রিমে নামকরা একজন ব্যবসায়ী এই গিয়াস উদ্দিন।

বললেন, এখন আমি শুধু এই এভিনিউর গণ্ডি পেরিয়ে পুরো এলাকাটিকেই বাংলাবাজার হিসেবে প্রথমে পরিচিত করে পরে নামকরণের লক্ষ্যে কাজ করতে চাই। একসময় ব্রঙ্কসের পার্কচেস্টারে এসে যে কেউ এই এলাকায় আসতে বলবে বাংলাবাজার যাবো, তাতেই আমার তৃপ্তি।
“এক প্যান্ট এক শার্টে নিউইয়র্ক এসেছিলাম। প্রথম সাতদিন একটি রেস্টুরেন্টে টানা ৪৮ ঘণ্টা ডিউটি করে দেখি পা দুটো ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে। এসেই ভীষণ জ্বরে পড়লাম। এরপর শুধুই সংগ্রামের ইতিহাস”, বললেন গিয়াস উদ্দিন।
তিনি বলেন, “আই ওয়ার্কড রিয়েল রিয়েল হার্ড। পুরোপুরি একটা যন্ত্রের মতো কাজ করেছি। দুটো করে চাকরি করেছি সবসময়ই। এই দেশে ছয় বছর এভাবে কাজ করার পর ১৯৮৮ সালে প্রথম ব্যবসায় নামি। কিন্তু এরপরও কাজ থামিয়ে দেইনি। কাজ ও ব্যবসা একসাথে চালিয়েছি।”
কি কাজ করেছেন এমন প্রশ্নে গিয়াস উদ্দিনের মত, এই দেশে কঠোর পরিশ্রম ছাড়া কেউ বড় হতে পারে না।
তিনি বলেন, “প্রথম যে রেস্টুরেন্টে কাজ নেই তখন নিচ তলা থেকে চার তলা পর্যন্ত বার বার ওঠানামা করতে হতো। সেই কাজ ছাড়তে হলো পায়ের ব্যথায়। এরপর আরেক বাংলাদেশি মালিকের রেস্টুরেন্টে কাজ নিয়ে সেখানে দারুণভাবে বঞ্চনার শিকার হই মালিকের ভাইয়ের হাতে। লোকটি আমাকে ভীষণ হার্ড টাইম দিতেন।”
‘হার্ডটাইম’ নিউইয়র্কে বাঙালিদের মুখে প্রায়শঃই শোনা যায়। এখানে একজন অন্যকে সহযোগিতা করার যেমন উদাহরণ আছে তেমনি রয়েছে ‘হার্ডটাইম’ দেওয়ার রেওয়াজ। নতুন কেউ এলে বা কারো সুযোগ থাকলেই স্বদেশি আরেকজনকে কঠোর বিপদে ফেলে দেয়, কাজ করতে গেলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের জ্বালাতন করে, সবচেয়ে বেশি হয় বঞ্চনা। তবে এই হার্টটাইম দেওয়ার রেওয়াজ যেমন রয়েছে, তেমনি ভালোবাসা, সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ারও রয়েছে হাজারো উদাহরণ। ব্যক্তির কঠোর পরিশ্রম এখানে তাকে প্রতিষ্ঠিত করবেই। পরিশ্রমের মূল্য এখানে পাওয়া যায়।
সেই হার্ডটাইমের কথাই বললেন গিয়াস উদ্দিন। তবে শস্রুমণ্ডিত ফর্সা মুখখানিতে এখন আর কোনো হার্ডটাইমের ছাপ নেই সেখানে ভেসে থাকে সদা হাসি, স্বস্তি ও আভিজাত্য মাখা চেহারা।
গিয়াসউদ্দিন জানালেন, ইউরোপেও তার কিছুদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিলো। তারই সূত্র ধরে এখানে তিনি কাজ পেয়ে যান হোটেল ম্যারিয়টে। নিউইয়র্কের অভিজাত চেইন হোটেল ম্যারিয়টে কোয়ালিটি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পরে ১৯৯৮ সালে তৃতীয় ব্যবসাটি খোলার পর চাকরি ছেড়ে দিয়ে পুরোপুরি ব্যবসায় মনোনিবেশ করলেন। এরপর এখন একজন পাক্কা ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন। জানালেন বঙ্কসে তিনিই ছিলেন প্রথম বাঙালি ব্যবসায়ী।
“বংশগত ভাবেই আমরা ব্যবসায়ী। বাংলাদেশের সুনামগঞ্জের ছাতকে আমাদের বাড়িটি দোকানবাড়ি নামে পরিচিত। আমার দাদা পরদাদারাও ব্যবসা করতেন বলেই জেনেছি,” বলেন গিয়াস উদ্দিন।
তিনি বলেন, ব্যবসায় প্রধান দিকটি হচ্ছে সেবা। আপনি যদি সেবার মনোভাব নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তাহলে নিশ্চয়ই তা থেকে ভালো ফল পাওয়া যাবে।
গিয়াসউদ্দিন জানান, তার চেইন শপগুলোর মধ্যে কেবল ব্রঙ্কসের স্টোরে ১০ শতাংশ বাঙালি ক্রেতা রয়েছেন বাকি সবাই বিদেশি। এছাড়া অন্য তিনটি স্টোরের শতভাগ ক্রেতাই বিদেশি।

তিনি বলেন, অঞ্চলভিত্তিক ব্যবসায় সুবিধার দিকটি হচ্ছে এখানে ক্রেতারাও আপন হয়ে যায়। তাদের একটি ভরসার স্থান হয়ে ওঠে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি। তারা নিশ্চিত হতে চায় এখানে গেলেই প্রয়োজনীয় পণ্যটি পাওয়া যাবে। আমার ডাবল ডিসকাউন্ট শপগুলো তেমনই। এখানে একটি সংসারে যা কিছু প্রয়োজন সব পাওয়া যায়। ডাবল ডিসকাউন্ট নিউইয়র্কবাসীর একটি পছন্দের শপ।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, এই ব্রঙ্কসে এদেশিদের মধ্যে যাদের খুব ছোট ছোট দেখেছি তারা এখন অনেক বড় হয়েছে। অনেকেই মা-বাবা হয়ে গেছে। ওরা যখন হেঁটে যায় আমাকে জড়িয়ে ধরে কথা বলে। ওদের মধ্যেও এক ধরনের আন্তরিকতার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
গিয়াসউদ্দিন ব্রঙ্কসে বাঙালি কমিউনিটির অন্যতম নেতা। বাংলাবাজার এভিনিউ ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এখানে সব বাঙালিই তাতে সম্মান ও শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। যে কারো বিপদে আপদে তিনি এগিয়ে যান।
তবে এখানে মেইনস্ট্রিমেও রয়েছে তার সমান জনপ্রিয়তা। অ্যাসেব্লিম্যান এরিক স্টিভেনসন, সিনেটর রিবেন ডিয়াজ, পুলিশের বড় কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গেও রয়েছে তার সমান সখ্য ও বন্ধুত্ব। কমিউনিটির যেকোনো প্রয়োজনে তিনি তাদের সহযোগিতা যেমন পান তেমনি কমিউনিটির সমর্থন পেতেও নেতারা তার মাধ্যমে যোগাযোগ করেন।

গিয়াস উদ্দিন বলেন, কমিউনিটি হিসাবে ওরা সবসময়ই আমাদের সম্মান দেখায়। আমাদেরও উচিত ওদের সম্মান দেখানো।
তিনি বলেন, এটি একটি অধিকারের দেশ। এখানে অবশ্যই আমরা আমাদের যতটুকু অধিকার তার সবটুকু পেতে পারি।
ব্যবসার পেছনে এত বড় সাফল্যে নিজের চেষ্টার বাইরে কেউ অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে কি না? এমন প্রশ্নে গিয়াস উদ্দিন তার স্ত্রী রোশনা উদ্দিনের কথাই বললেন। তিনি বলেন, তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও সহায়তা ও সমর্থন ছাড়া আমি এ কাজ করতে পারতাম না। 

যখন কাজ করতাম তখন আমার স্ত্রী এক হাতে এই ব্যবসা সামলিয়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। রোশনা উদ্দিন সিলেটের অন্যতম জনহিতৈষী রাগীব আলীর ভাই মুজাহিদ আলীর মেয়ে বলে জানান তিনি।
জনহিতৈষীমূলক কাজে গিয়াস উদ্দিনেরও রয়েছে প্রগাঢ় ইচ্ছা ও অবদান। তারই প্রচেষ্টায় ব্রঙ্কসে প্রায় দেড় মিলিয়ন ডলার খরচে তৈরি হয়েছে ছয় তলা মসজিদ। তিনি বলেন, এখানে প্রতি শুক্রবার হাজার হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে আসেন। দেখে মনটা ভরে যায়। তিনি বলেন, মসজিদ নির্মাণসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ি নিউইয়র্কে আসার পর থেকেই। ম্যানহাটনে তিনি প্রথম বাঙালিদের মসজিদ ‘মদিনা মসজিদ’ এর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।  
বাংলাবাজার এভিনিউ নামকরণের পেছনে তার কি ধরনের প্রচেষ্টা ছিলো জানতে চাইলে বলেন, বাংলাবাজার এর প্রধান রূপকার ছিলেন নূরুল এয়াহিয়া। আমরা সবাই তাকে সহযোগিতা করেছি। এখন আমরা সবাই চাই ব্রঙ্কসের স্টার্লিং নামের পুরো এলাকাটিই হোক বাংলাবাজার। এরই মধ্যে সে লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছি। ‘বাংলাবাজার এলাকায় আপনাকে স্বাগতম’ এই লেখা দিয়ে স্টার্লিং বাংলাবাজার বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে নিজ খরচে কিছু সাইনবোর্ড পুরো রাস্তার বিভিন্ন স্থানে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। গিয়াস উদ্দিনের এই স্বপ্ন পূরণে সব ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন প্রবাসী দুই বাংলাদেশি সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ও শাখওয়াত হোসেন সেলিমসহ অন্যরা।
স্টার্লিং এভিনিউর নামটি বাংলাবাজার এভিনিউ হয় ২০০৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর। বাঙালির বিজয়ের মাসে সে ছিলো আরেক বিজয়ের দিন। আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিলম্যান অ্যানাবেল পালমা। তিনি সেদিন বলেছিলেন, পার্কচেস্টারসহ নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান অনেক। সেই হিসেবে বাংলাবাজার নামকরণ সামান্য পুরস্কার মাত্র।
গিয়াসউদ্দিন বলেন, ওরা যেভাবে আমাদের পুরস্কৃত করে ওদেরও আমাদের পুরস্কৃত করতে হয়। ওদের নির্বাচনে আমরা বড় অংকের তহবিল সংগ্রহ করে দেই। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করি। আমরা সবধরনের চেষ্টা চালিয়ে ওদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করি। একটা কথা মরে রাখতে হবে, আমাদের অধিকারের জন্য আমাদেরই সংগ্রাম করতে হবে।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এসে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি করে নয়, এখানে আমাদের পুরো কমিউনিটিকে একযোগে কাজ করতে হবে। এখানে আমাদের এদেশের মতো কাজ করতে হবে। সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে মেইনস্ট্রিমে ঢুকে পড়তে হবে। আর সেটা করতে হলে নিজের স্বার্থ ত্যাগ করতে হবে। আর সেই সঙ্গে নিজের দেশকে ভুললে চলবে না।

ভিনদেশে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সন্তান সন্ততিকে নিজস্ব সংস্কৃতি ভুলে যেতে না দিয়ে এই দেশের শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। আর সে চেষ্টা আমি চালিয়ে যাচ্ছি, বলেন গিয়াস উদ্দিন। তার তিন ছেলে মেয়ে এই দেশে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছেন। বড় ছেলে আমিন উদ্দিন ব্রুকলিন টেকনোলজি কলেজ থেকে অনার্স কোর্স শেষ করেছেন। ছোট ছেলে আহসান উদ্দিন তৃতীয় বর্ষের এবং মেয়ে তাহমিনা উদ্দিন দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
আমেরিকায় তিন দশকের বেশি সময় পার করেও একজন পুরোদস্তুর বাংলাদেশি রয়ে গেছেন গিয়াস উদ্দিন। প্রতিবছর একাধিকবার সুনামগঞ্জের ছাতকে যান। সেখানেও রয়েছে তার কিছু ব্যবসায়ী কার্যক্রম। সন্তানদের মধ্যেও দেশপ্রেম জাগ্রত রেখেছেন। বড় ছেলের কথা জানালেন, তার চাওয়াতেই বাংলাদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ করছেন তিনি। কারণ এতে দেশের কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয়। খেয়ে পড়ে ভালো থাকতে পারে।বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV