সবচেয়ে বেশি সুখী অস্ট্রেলিয়ার মানুষ
ডেস্ক : বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার মানুষ সবচেয়ে বেশি সুখী। গত সোমবার প্যারিসভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) প্রকাশিত ‘উন্নত জীবন সূচকে’ (বেটার লাইফ ইনডেক্সে) এ তথ্য ওঠে এসেছে। এ নিয়ে পরপর তিন বছর অস্ট্রেলিয়া এ অবস্থান ধরে রাখল। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সুইডেন। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড। ১৯৬১ সালে ২০ সদস্য দেশ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ওইসিডি। সদস্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চাঙ্গা করা, দেশগুলোর গণতন্ত্র ও বাজার অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার বিষয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকে সংস্থাটি। বর্তমানে এর সদস্য দেশ ৩৪টি। সংস্থাটি গত ১০ বছর ধরে ‘বেটার লাইফ ইনডেক্স’ শিরোনামে উন্নত দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থা এবং জীবনমানের ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। এ বছর তারা ৩৬টি দেশের ওপর জরিপ চালায়। আয়ের স্তর, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও আবাসনসহ মোট ১১টি সূচক বিবেচনায় তালিকাটি করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অনেকগুলো সূচকে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া সবচেয়ে এগিয়ে। কল্যাণের বিচারে দেশটির পরিস্থিতি খুবই ভালো।’ দেশটির জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটি ৩০ লাখ। এর মধ্যে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সসীমার ৭৩ শতাংশেরই কর্মসংস্থান আছে। গড় আয়ু প্রায় ৮২ বছর। গত দুই দশক ধরে দেশটির অর্থনীতি একটানা প্রবৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র উন্নত দেশ, যারা ২০০৯ সালের মন্দা পরিস্থিতি এড়াতে সক্ষম হয়েছে। তবে খনি শিল্পে ধস, বেকারত্ব এবং আয় বৈষম্য নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে আসছে। অন্যান্য দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র আছে ষষ্ঠ অবস্থানে, যুক্তরাজ্য দশম, জার্মানি ১৭তম, ফ্রান্স ১৮তম, জাপান ২১তম, ইসরায়েল ২৪তম, কোরিয়া ২৭তম, রাশিয়া ৩২তম এবং ব্রাজিল আছে ৩৩তম অবস্থানে। গড় আয়ু প্রায় সমান হলেও অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে সুইডেন কর্মসংস্থানের দিক থেকে এগিয়ে, ৭৪ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান ৬৭ শতাংশ। জাপানে ও যুক্তরাজ্যে ৭০ শতাংশ, রাশিয়ায় ৬৮ ও কোরিয়ায় প্রায় ৬৪ শতাংশ। এদিকে বসবাসের জন্য সবচেয়ে ভালো দেশের মধ্যে ওঠে এসেছে কানাডার নাম। তবে তালিকাভুক্ত প্রায় সব দেশেই আয়ের বৈষম্য দিন দিন বিরাট আকার নিচ্ছে। সূত্র : ওইসিডি, বিবিসি, গার্ডিয়ান।কালের কণ্ঠ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি