বিদ্যালয়ে পড়া শুরু পাঁচ বছরের আগে নয়
শিশুর আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরুর জন্য ছয় বা সাত বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। কারণ, আগেভাগে বিদ্যালয়ে পাঠানো হলে শিশুর ‘বড় ধরনের’ ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। যুক্তরাজ্যের ১৩০ জন বিশেষজ্ঞের একটি দল এ রকম মতামত দিয়েছে।যুক্তরাজ্যের আইনে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের অবশ্যই বিদ্যালয়ে পাঠানোর বিধান রয়েছে। তবে দেশটিতে প্রচুর ছেলেমেয়ে চার বছর বয়সেই বিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু করে থাকে। আবার স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের দেশগুলোতে ছয় বা সাত বছর বয়সে শিশুদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তুলনামূলক বেশি বয়সে যে শিশুরা পড়াশোনা শুরু করে, তারা সাধারণত ভালো ফলাফল করে এবং উচ্চশিক্ষায় তুলনামূলক বেশি সাফল্য পায়। তাই ছয়-সাত বছর বয়সের আগ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক পড়াশোনার পরিবর্তে শিশুদের খেলাধুলাভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। কারণ, আগেভাগে পড়াশোনা শুরু করলে শিশুদের ‘নিজস্ব ভাবমূর্তি’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তাদের শেখার প্রবণতাও নষ্ট হতে থাকে।তবে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী মাইকেল গোভের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বিশেষজ্ঞদের ওই মতামত মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। ‘নিজস্ব ভাবমূর্তির’ ধারণাটি বাজে। দেশে এমন একটা শিক্ষাব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে শিশুরা ক্যালকুলাসের মতো গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারে এবং প্রকৌশলী কিংবা কবির মতো বুদ্ধিবৃত্তিক কাজকে ভবিষ্যতে বেছে নিতে পারে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের ওই দাবির পক্ষে শৈশব বাঁচাও আন্দোলন (সেভ চাইল্ডহুড মুভমেন্ট) নামে একটি কর্মসূচিও শুরু হয়ে গেছে। তারা শিশুর যথার্থ বিকাশের দাবিতে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বেশ কিছু সংস্কারের দাবি জানিয়েছে। ওই আন্দোলনের উদ্যোক্তা ও নেতা ওয়েন্ডি এলিয়াট বলেন, বিশ্বের ৯০ শতাংশ দেশে ছয় বা সাত বছর বয়সের আগে শিশুদের সামাজিক ও আবেগ-অনুভূতিসংক্রান্ত শিক্ষার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু যুক্তরাজ্যে একটি ভুল বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে যে তাড়াতাড়ি পড়াশোনা শুরু করলেই জীবনে বেশি সাফল্য আসবে। এ ধরনের ইচ্ছা বা প্রবণতায় মানুষের হয়তো দোষের কিছু নেই, কিন্তু প্রাকৃতিক বিকাশের বিপরীতে যাওয়ার ফলে শিশুদের চড়া মূল্য দিতে হয়।
ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক স্যার অ্যাল বলেন, ফিনল্যান্ডে সাত বছর বয়সে শিশুরা বিদ্যালয়ে পড়তে শুরু করে। এর আগের সময়টা বিশেষ প্রশিক্ষকদের সান্নিধ্যে তারা নিজেদের এক একজন শিশু হিসেবে তৈরি করে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পায়। টেলিগ্রাফ।প্রথম আলো
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
- বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা
- নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন: সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়
- যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সেমিট্রির কবরে মরদেহ সমাহিত করা যাবে ১ জুলাই থেকে
- যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে কার্যকর ও উপযোগী দেশ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- নিউ জার্সির আটলান্টিক সিটিতে মেয়র মার্টি স্মল সিনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৫ জুন
- নিউইয়র্কে মুনার ঈদ পুনর্মিলনী