Tuesday, 27 October 2026 |
শিরোনাম
অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণের কেন্দ্রে মানবাধিকারকে রাখতে হবে: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে হিউম্যান সাপোর্টের বিনামূল্যে ফ্লু টিকাদান কর্মসূচি New York Attorney General James Announces Election Protection Hotline Ahead of November General Election ASAAL’s 19th Annual Convention Draws Nearly 500, Calls for Stronger Civic Engagement and Workers’ Rights নিউইয়র্কে ট্রাফিক এজেন্ট ইউনিয়নের সভায় দুই বাংলাদেশি নেতাকে ঘিরে সংঘর্ষ, আসন্ন নির্বাচন ঘিরে নেতৃত্বের বিরোধ প্রকাশ্যে দেহের মেহরাবে অনন্তের দীপ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে ব্রঙ্কসে ‘সেলিম-আলী’ পরিষদের সমাবেশ; মামলার কারণে আর্থিক ক্ষতি ও ভোটাধিকার ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ নিউইয়র্কে আ্যসালের ১৯তম বার্ষিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত; শ্রমিক অধিকার, নাগরিক ক্ষমতায়ন ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের অঙ্গীকার নিউইয়র্কে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় স্থগিত বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন; ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান নিয়ে মামলা, ৫ নভেম্বর পরবর্তী শুনানি; সংবাদ সম্মেলনে আইনি পরিস্থিতি তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন হানি ট্র্যাপে হত্যার অভিযোগ, সাগরের মামলা পিবিআইতে দেওয়ার দাবি পরিবারের; প্রধান আসামির জামিনে উদ্বেগ, দ্রুত গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান
সব ক্যাটাগরি

কী করে এলো নোবেল পুরস্কার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: October 21, 2013 | 11:13 AM

 

নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের এই গল্পটা হয়তো অনেকেরই জানা। তবে এতকাল পরেও যারা এই বিষয়টি সম্পর্কে পুরোপুরি জানেন না তাদের জন্যই নতুন করে বলা। যে আলফ্রেড নোবেলের নামে সাড়া জাগানো নোবেল পুরস্কারের গোড়াপত্তন সেই আলফ্রেড নোবেল নিজেই ছিলেন খ্যাতনামা এক বিজ্ঞানী। এক জীবনে সাড়ে তিনশ’রও বেশি আবিষ্কারের পেটেন্ট লাভ করলেও যে আবিষ্কারটি তাকে সবচেয়ে বেশি পরিচিত করে তুলেছিল সেটি হলো ডিনামাইট। প্রচণ্ড ধ্বংস ক্ষমতার অধিকারী এই রাসায়নিকটি মূলত মানব কল্যাণের জন্যই আবিষ্কার করেছিলেন নোবেল। কিন্তু তার এই আবিষ্কার যখন একের পর এক ব্যবহূত হতে লাগলো ভয়ংকর সব যুদ্ধাস্ত্র তৈরির কাজে তখন স্বভাবতই বিষয়টি ব্যথিত করে আলফ্রেড নোবেলকে। আর এ কারণেই আশৈশব শান্তিপ্রিয় আলফ্রেড নোবেল তার নানা আবিষ্কার থেকে অর্জিত সব অর্থ মানব কল্যাণের কাজে নিয়োজিত করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই কারণে ছয়বার তার সম্পত্তি নিয়ে উইল বা দলিল করেন। ১৮৯৫ সালে তিনি শেষবার যে উইল তৈরি করেন তাতে তিনি লেখেন, তাঁর আয়ের ৯৪ ভাগ তিনি এক পুরস্কারের জন্য দিয়ে যাচ্ছেন। এর এক বছর পর তিনি মারা যান। সে সময় তিনি পুরস্কারের জন্য রেখে যান ৩১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার। নোবেল ঠিক করে রেখে গিয়েছিলেন যে মোট ৫টি বিষয়ে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হবে। এই বিষয়গুলো ছিল সাহিত্য, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, চিকিত্সা শাস্ত্র আর শান্তির জন্য। কিন্তু তিনি চাইলেও তার পরিবার থেকে সে সময় আপত্তি আসে। যার ফলে সাথে সাথে নোবেল পুরস্কার দেওয়া সম্ভব হয়নি। ১৯০১ সালে আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর ৫ বছর পর নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। ১৯৬৯ সালে এসে ৫টি পুরস্কারের সঙ্গে আরেকটি যে পুরস্কার দেওয়া শুরু হয় সেটি হলো অর্থনীতিতে। নোবেল পুরস্কারের দেওয়া হয় ১০ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার যার অর্থমূল্য ১.৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ কোটি ৫ লক্ষ টাকার সমান। তার সাথে দেওয়া হয় একটি সোনার মেডেল ও সনদপত্র। নোবেল শান্তি পুরস্কারের দেওয়া হয় নরওয়েতে। আর বাকি পুরস্কারগুলো দেওয়া হয় সুইডেনে। উভয় দেশের প্রধান এই পুরস্কার বিজয়ীর হাতে তুলে দেন। প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। কেননা এই দিনটিতেই মারা গিয়েছিলেন নোবেল পুরস্কারের স্বপ্নদ্রষ্টা আলফ্রেড নোবেল।ইত্তেফাক
বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ