সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা :মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্রমোদির সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা
নাশরাত আর্শিয়ানা চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র : আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়ে যাচ্ছে মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোল (এমডিজি) এর মেয়াদ। আর এই কারণে এখন নতুন করে পরিকল্পনা করা হবে সাসটেনাবল ডেভলপমেন্ট গোল (এসডিজি)। এই সব করার জন্য আগমী ত্রিশ বছর কি হবে সেই হিসাবে কি কি করনীয় সেটা ঠিক করতে হবে। ২০৫০ সাল পর্যন্ত ডেভলপমেন্ট এজেন্ডা থাকতে হবে। অনেক বড় বড় ইস্যু আসবে। এই সব ইস্যুতে বাংলাদেশেরও অংশীদারিত্ব রয়েছে। সেটা ঠিক ঠাক মতো হতে হবে। এই সব বিষয়ে আলোচনার জন্য অবশ্যই একটা অবস্থানে আসতে হবে। এটা করতে বাংলাদেশের তরফ থেকেও বক্তব্য রাখতে হবে। সেটা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন। আগামী দিনের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয় আছে। আবহাওয়া পরিবর্তন, এর কুফল সম্পর্কে তুলে ধরে কি সুবিধা পাবে সেটাও বলতে হবে। টেকনোলজিরও অনেক পরিবর্তন হবে, এছাড়াও আরো অনেক গুরুত্বপূর্ন বড় বড় ইস্যু সামনে আসবে। সেই সব দিক বিবেচনা করেই বাংলাদেশ কি কি সুবিধা পাবে সেটা উপস্থাপন করতে হবে। এই সব বিষয়ে আমাদের একা বললে হবে না। এই জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আসতে হবে। তিনি আসবেন কথা বলবেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ কে আব্দুল মোমেন একথা জানান।
তিনি বলেন, ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়েও বেশ কয়েকটি বড় বড় সম্মেলন হবে। আগামী বছরে বাইন্ডিং এগ্রিমেন্ট হবে। এই এগ্রিমেন্ট হওয়ার আগেও প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন। আর এই সব কারণেই তিনি এখানে আসবেন। ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে বাংলাদেশ জোর ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। কিন্তু এই ব্যাপারে বড় বড় দেশগুলোর আগ্রহ কম। তারা আগ্রহী না হলেও অনেক ছোট ছোট দেশ আমাদের পাশে রয়েছে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড.এ কে আব্দুল মোমেন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী সেপ্টেম্বরে আসবেন। সেই রকম সিডিউল রয়েছে। ওই সময়ে বেশ কয়েকটি বৈঠকে তিনি যোগ দিবেন। সূত্র জানায়, জাতিসংঘের একাধিক বৈঠকে যোগ দেয়া ছাড়াও ওই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নরেন্দ্র মোদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন। এটি হবে তার গুরুত্বপূর্ন সফর। এই সফরে তিনিও তার দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা বলবেন। সূত্র জানায়, নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেদ্রমোদির সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আব্দুল মোমেন জানান, প্রধানমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে আসবেন। সম্মেলনে যোগ দেয়া ছাড়াও বিভিন্ন দেশের সরকার প্রধান ও রাষ্ট্রপতিদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী কয়েকদিন পরে এই বিষয়ে আরো অগ্রগতি হবে। তখন সিডিউল ঠিক হবে।
উল্লেখ, জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এই সব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের








