Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

জেএফকে এয়ারপোর্ট স্লোগানে মুখরিত : ‘মাদার অব হিউম্যানিটি-শেখ হাসিনা ওয়েলকাম’ স্লোগানে প্রধানমন্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অভ্যত্থনা, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র বিক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 194 বার

প্রকাশিত: September 18, 2017 | 9:20 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে যোগদান উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক আগমনে উৎসবমুখর হয়ে ওঠেছে যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালী অধ্যুষিত নিউইয়র্ক। স্থানীয় সময় ১৭ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪ টা ৩৫ মিনিটে ইতিহাদ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে বড় সফরসঙ্গী দল নিয়ে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর এক/দেড় ঘন্টা আগ থেকে সেখানে বিভিন্ন ব্যানার পোস্টার হাতে নিয়ে বিমান বন্দর টার্মিনালে সমবেত হন আওয়ালীগ-বিএনপি’র হাজারো নেতা-কর্মী। তবে এবার আওয়ামী পরিবারের বিশাল উপস্থিতির কারণে স্বল্প সংখ্যক বিএনপি’র নেতা-কর্মীর কাল পতাকা প্রদর্শনের অস্তিত্ব ম্লান হয়ে যায়।
এনআরবি নিউজ জানায়, ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য গ্লোবাল পীচ-শেখ হাসিনা’, চ্যাম্পিয়ন অব আর্থ শেখ হাসিনা’, ‘চ্যাম্পিয়ন অব হিউম্যান রাইটস-শেখ হাসিনা’, ‘মাদার অব হিউম্যানিটি-শেখ হাসিনা ওয়েলকাম’, ‘জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘বিশ্বশান্তির অগ্রদূত-শেখ হাসিনা’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখরিত অবস্থায় জেএফকে এয়ারপোর্টে দলীয় নেতা-কর্মীরা স্বাগত জানায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে টানা নবম বছরের মত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে এলেন । ইতিহাদ এয়ারলাইন্সে তিনি তার সফরসঙ্গিসহ রোববার অপরাহ্নে জেএফকে এয়ারপোর্টে অবতরণ করেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিনসহ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান। এ সময় অত্যন্ত প্রফুল্ল এবং হাস্যোজ্জল ছিলেন শেখ হাসিনা। স্বল্প সময়ের মধ্যে তিনি সকলের কুশলাদিও জানতে চান।

এয়ারপোর্ট থেকে প্রশাসনের নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি বহর সহ শেখ হাসিনা ম্যানহাটানে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে উঠেছেন। ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই হোটেলে অবস্থান করেই তিনি জাতিসংঘের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। হোটেল লবিতে শেখ হাসিনাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানান যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ। এদিকে, ১৭ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুর থেকে অপরাহ্ন সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেএফকে এয়ারপোর্টের ৪ নম্বর টার্মিনাল ছিল প্রবাসীদের দখলে। শতশত প্রবাসীর হাতে ছিল শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর প্লেকার্ড-পোস্টার-ব্যানার। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ প্রভৃতি সংগঠনের ব্যানারে দলীয় নেতা-কর্মী ছাড়াও ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত নারী-পুরুষেরা। আগের মত এবারও বিএনপির পক্ষ থেকে জেএফকে এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনাকে কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সাড়া মেলেনি। ২৫/৩০ জনের মত জড়ো হয়েছিলেন কিন্তু আওয়ামী পরিবারের হাজারো প্রবাসীর উপস্থিতির কারণে কাল পতাকা প্রদর্শনের অস্তিত্ব ম্লান হয়ে যায়। যদিও বিএনপির হুমকি-ধামকির কারণে এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘শেখ হাসিনা এখন বিশ্ব-মানবতার নেতায় পরিণত হয়েছেন। মার্কিন প্রশাসনও এখন তাকে বিশেষভাবে বিবেচনা করছে। দল-নিরপেক্ষ বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর উপস্থিতির কারণেই বিএনপি পাততাড়ি গুটিয়েছে। এটি শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বের বিজয়।’

জেএফকে এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনাকে স্বাগত-সমাবেশে নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ‘জনতার জোয়ার দেখে বিএনপি-জামাতীরা উধাও হয়ে পড়েছে। এথেকেই ওদের শিক্ষা নিয়ে জ্বালাও-পোড়াও আর সন্ত্রাসের রাজনীতি পরিহার করা উচিত।’

স্বাগত-সমাবেশে নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সম্পাদক ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারমান নিজাম চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম ফজলুর রহমান, সহ-সভাপতি আকতার হোসেন, লুৎফুল করিম, শামসুদ্দিন আজাদ, সৈয়দ বসারত আলী, মাহবুবুর রহমান এবং আবুল কাশেম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, যুগ্ম সম্পাদিকা আইরিন পারভিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুক আহমেদ, মহিউদ্দিন দেওয়ান, আব্দুল হাসিব মামুন, আব্দুর রহিম বাদশা, প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম, বাংলাদেশী আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক লীগের সভাপতি খোরশেদ খন্দকার, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগের সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল কাদের মিয়া, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু আইনজীবী সমিতির সভানেত্রী ও মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোর্শেদা জামান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, যুব সম্পাদক মাহাবুর রহমান টুকু, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক সোলায়মান আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগের আন্তর্জাতিক সম্পাদক সাখাওয়াত বিশ্বাস, যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি নুরুজ্জামান সর্দার, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা তারেকুল হায়দার, সেবুল মিয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাজী মফিজুর রহমান, মাসুদ হোসেন সিরাজি ও আমিনুল ইসলাম কলিন্স, মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী মমতাজ শাহানা, সবিতা দাস প্রমুখ।

অপরদিকে, লন্ডন থেকে গ্রীণ সিগন্যাল না পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অধ্যাপক দেলোয়ার-গিয়াস-জিল্লুর-বাবুল-বাতিন- জাকির-সাঈদ গ্রুপের কেউই জেএফকে এয়ারপোর্টে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করেননি। এদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে বাবু-মিল্টন-জসীম গ্রুপ জেএফকে এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনাকে কাল পতাকা প্রদর্শনসহ বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। কিন্ত তা সফল হয়নি। এক ধরনের হতাশায় এই গ্রুপের কর্মীরা জেএফকে ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে। অপর গ্রুপের নেতৃবৃন্দ জানান, সাড়ে বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। এরপর প্রায় প্রতি বছরই আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত কমিটি দেয়া হয়নি। এ নিয়ে নেতা-কর্মীরা প্রচন্ড হতাশায় রয়েছেন এবং এরই নিরব প্রতিবাদ হিসেবে জেএফকে এয়ারপোর্টে বিক্ষোভ দেখাতে যাননি সিংহভাগ কর্মীই। তবে অধ্যাপক দেলোয়ার-গিয়াস-জিল্লুর-বাবুল-বাতিন-জাকির-সাঈদ গ্রুপের পক্ষ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সামনে বিক্ষোভের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সময় এ বিক্ষোভ দেখাবে বিএনপি, যুবদল, তারেক পরিষদ, জাসাসের নেতা-কর্মীরা। 

যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র প্রতিবাদ ব্যাপক বিক্ষোভ
ইউএনএ জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক আগমনের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমবাবেশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীরা জেএফকে বিমানবন্দরে এই সমাবেশে অংশ নেন। রোববার বেলা ১টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চার নম্বর টার্মিনালের পার্কিং লটে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সরকার বিরোধী নানা শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের ৭২তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জেএফকে বিমানবন্দরে এসে পৌছেন এবং বিশেষ পথে গাড়ী যোগে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। 
সমাবেশে যোগদানকারী উল্লেখযোগ্য নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিজানুর রহমান রহমান ভূইয়া মিল্টন, আব্বাস উদ্দিন দুলাল, আবুল কাশেম, রকিব উদ্দিন দুলাল, মোশাররফ হোসেন সবুজ, নিউজার্সী বিএনপির সভাপতি সৈয়দ জুবায়ের আলী, ওমর ফারুক, কামরুল হাসান, মনজুর কাদের সোহাগ, আকতার হোসেন, মওলানা আবুল খায়ের, ইকবাল হোসেন, তৌফিকুল ইসলাম মানিক, হেদায়েত উল্লাহ মানিক, নুর আলম, গোরাম রব্বানী সুমন, আহসান উল্লাহ মামুন, আল মামুন সবুজ, ইসমাইল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, জসিম উদ্দিন, মাসুদ আলম, মো: সোহেল, মো: ওমর ফারুক, মো: আতিক উল্লাহ, বাপ্পি রনি, দেলোয়ার হোসেন জাবেদ, মোজাম্মেল হোসেন সোহাগ, মোশাররফ হোসেন মুসু, আব্দুর রহিম, জুনায়েদ, আলমগীর হোসেন, সাইফুল ইসলাম, আলাউদ্দিন মিলন, মো: সিরাজুল ইসলাম, আমীরুল মারুফ, রুবেল হোসাইন, মো: জসিম উদ্দিন, বাদল মির্জা প্রদীপ, রেজাউল করীম, তারেক, শাওন, মনির হোসেন, তরিকুর ইসলাম নাইম, মানিক, ফিরোজ আলম, ইয়াসীন আরাফাত শিপন, আব্দুর রহমান, শিবলু মোহাম্মদ, ইয়াসীন, রিয়াদ, সুমন মির্জা, সোহেল প্রমুক উপস্থিত ছিলেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবাদ সমাবেশে আল মামুন সবুজ, মিজানু, সাইফুল ইসলাম, আহসানউল্লাহ মামুন, কামরুল হাসান সহ অন্যান্য ছাত্রনেতাদের শ্লোগোনে উত্তাল ছিলো জেএফকে টার্মিনাল।
প্রতিবাদ সমাবেশে মিজানুর রহমান রহমান ভূইয়া মিল্টন ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারেকে ‘অনির্বাচিত ও অবৈধ সরকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বার্থে পদত্যাগ এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবী করেন। তিনি বলেন, আমাদের বিক্ষোভ শেখ হাসিনার চরম আমানবিক, অনৈতিক ও স্বৈরাচারী আচরণের বিরুদ্ধে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কবর রচনা করে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছেন। তাই অবৈধ সরকার প্রধানের জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার নেই বলে উল্লেখ করেন। তিনি অবিলম্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবী জানিয়ে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামী দিরে রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি গোটা দেশবাসীসহ সকল প্রবাসীরা আজ আস্থাশীল। বাংলাদেশে গনতন্ত্র পূনপ্রতিষ্ঠিত হবে এবং আবারো বিশ্বসভায় বাংলাদেশ ও বিএনপি তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে।
তিনি আরো বলেন, অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে আসারে দুই দিন আগে থেকে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে মায়া কান্না করে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ায় পায়তারা করছেন। যেখানে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এগিয়ে এসে রোহিঙ্গাদের সাহায্য করেছেন, তখন শেখ হাসিনা নিশ্চুপ ছিলেন। অপরদিকে এই সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য বিএনপি’র ত্রাণ বিতরণেও বাধার সৃষ্টি করে। তিনি বলেন, দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে কোন সরকার প্রধান শান্তির জন্য পুরষ্কার পেতে পারেন না। তিনি বলেন, ‘যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিবাদ’ কর্মসূচী পালন করা হবে।অরপরদিকে একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিউইয়র্ক আগমনের সময় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরাফত হোসেন বাবু ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূইয়ার নেতৃত্বে দলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীরা জেএফকে বিমানবন্দরে এই সমাবেশে অংশ নেন। সমাবেশ থেকে সরকার বিরোধী নানা শ্লোগানে দেয়া হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে শরাফত হোসেন ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারেকে ‘অনির্বাচিত ও অবৈধ সরকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে অবিলম্বে পদত্যাগ এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবী করেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর অবৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কবর রচনা করে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছেন। তাই অবৈধ সরকার প্রধানের জাতিসংঘে প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার নেই বলে উল্লেখ করেন। তিনি বরেন, গুম-খুন করে এই সরকার বেশি দিন টিকে থাকতে পারবেনা। অচিরেই হাসিনা সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে উঠবে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন নিশ্চিত করা হবে।
জসিম ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিনত করে গুম-খুনের মাধ্যমে এই সরকার ক্ষমতায় টিকে আছে যা আজ বিশ্ববাসীর কাছে পরিস্কার। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে বিষর্জন দিয়ে মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন শেখ হাসিনা। লুটপাট আর স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আমাদের এই গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা অবৈধ আর অনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। তাই ‘যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিবাদ’ কর্মসূচী পালন করা হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি বিনা চ্যালেঞ্জে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে দেবে না। সময় আসছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আবার ক্ষমতায় আসবে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV