Sunday, 1 November 2026 |
শিরোনাম
দুই তরুণী রোগীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ; নিউইয়র্কে বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসক ডা. ফজলুল ইউসুফ গ্রেপ্তার, জামিনে মুক্ত বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদ, ‘শিখা অনির্বাণ’ প্রজ্জ্বলিত রাখার দাবি নিউইয়র্কে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ
সব ক্যাটাগরি

ভয়েস অব আমেরিকায় ৩৬ বছরের অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 193 বার

প্রকাশিত: October 2, 2017 | 7:16 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ভয়েস অব আমেরিকায় ৩৬ বছরের কর্মজীবন। দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করে তিনি এখন বিশ্ব বিখ্যাত এই গণমাধ্যমের বাংলা বিভাগের প্রধান। দেশের সিনিয়র সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে গতকাল দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক রোকেয়া হায়দার। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে রোকেয়া হায়দার স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্রথমে আমি খবর পড়া শুরু করি ১৯৬৯ সালে, চট্টগ্রাম বেতারে। স্থানীয় খবর পড়ে। বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক ছিলেন আশরাফুজ্জামান। তিনি একদিন বললেন, খবর পড়ো। নাটক করতে বলতেন। অনুষ্ঠান ঘোষণা করতে বলতেন। এটি অনেক সময়সাপেক্ষ ছিল। সেই সময়ে আমি ছাত্রী ছিলাম। খবর পড়া কি এত সহজ? স্থানীয় সংবাদ পড়লাম। পড়ে যখন দেখলাম, সংবাদের সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো রিহার্সালের বালাই নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হবে না। যাবো, খবর অন্য একজনে লিখে দেবে, পাখির বুলির মতো পড়ে চলে আসবো। তিনি আরো বলেন, আমি চিন্তা করলাম এটা তো মহাবিপদ। অন্য একজন ভুল লিখে দেবে, সেটাও আমি পড়ে আসবো। অন্যরা বলবে, আমি ভুল করছি- তা হবে না। তখন থেকে সময় দিতে লাগলাম খবর সম্পর্কে। রোকেয়া হায়দার বলেন, ছেলেবেলায় আব্বা ও নানা বলতেন দুটি পত্রিকা পড়তে। একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকা। জোরে জোরে উচ্চারণ করে পড়তে বলতেন। রিডিং পড়ার মতো। যাতে তুমি জানো কোথাও তুমি কোনো ভুল করছো কি না। এরপর ১৯৭৪ সালে সংবাদ পড়াকে পেশা হিসেবে নিলাম বাংলাদেশ বেতারে। এরপর টেলিভিশনে। ১৯৮০ সালে ভয়েস অব আমেরিকায় সংবাদ পড়তে শুরু করি। এরপর থেকেই ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে আছি।
অনুষ্ঠানে দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক মানবজমিন-এর সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক, ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিনিধি আমীর খসরু, সাংবাদিক নাজমুন আরা হক মিনু, পারভীন সুলতানা ঝুমা বক্তব্য রাখেন।
মানবজমিন প্রধান সম্পাদক ও ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিনিধি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, রোকেয়া হায়দারের কাছ থেকে আমরা অনেক পেয়েছি, শিখেছি এবং জেনেছি। আজকের এই ডিজিটাল যুগে ভয়েস অব আমেরিকাকে সামনের দিকে কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সেই লড়াইটা কিন্তু তিনি শুরু করেছেন। আমার বিশ্বাস এবং ধারণা, তিনি লড়াইটাকে সামনে নিয়ে যেতে পারবেন। মানবজমিন

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ