ভয়েস অব আমেরিকায় ৩৬ বছরের অভিজ্ঞতা বিনিময় করলেন বাংলা বিভাগের প্রধান রোকেয়া হায়দার
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : ভয়েস অব আমেরিকায় ৩৬ বছরের কর্মজীবন। দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করে তিনি এখন বিশ্ব বিখ্যাত এই গণমাধ্যমের বাংলা বিভাগের প্রধান। দেশের সিনিয়র সাংবাদিক ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে গতকাল দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক রোকেয়া হায়দার। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে রোকেয়া হায়দার স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্রথমে আমি খবর পড়া শুরু করি ১৯৬৯ সালে, চট্টগ্রাম বেতারে। স্থানীয় খবর পড়ে। বেতারের আঞ্চলিক পরিচালক ছিলেন আশরাফুজ্জামান। তিনি একদিন বললেন, খবর পড়ো। নাটক করতে বলতেন। অনুষ্ঠান ঘোষণা করতে বলতেন। এটি অনেক সময়সাপেক্ষ ছিল। সেই সময়ে আমি ছাত্রী ছিলাম। খবর পড়া কি এত সহজ? স্থানীয় সংবাদ পড়লাম। পড়ে যখন দেখলাম, সংবাদের সবচেয়ে ভালো বিষয় হলো রিহার্সালের বালাই নেই। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হবে না। যাবো, খবর অন্য একজনে লিখে দেবে, পাখির বুলির মতো পড়ে চলে আসবো। তিনি আরো বলেন, আমি চিন্তা করলাম এটা তো মহাবিপদ। অন্য একজন ভুল লিখে দেবে, সেটাও আমি পড়ে আসবো। অন্যরা বলবে, আমি ভুল করছি- তা হবে না। তখন থেকে সময় দিতে লাগলাম খবর সম্পর্কে। রোকেয়া হায়দার বলেন, ছেলেবেলায় আব্বা ও নানা বলতেন দুটি পত্রিকা পড়তে। একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি পত্রিকা। জোরে জোরে উচ্চারণ করে পড়তে বলতেন। রিডিং পড়ার মতো। যাতে তুমি জানো কোথাও তুমি কোনো ভুল করছো কি না। এরপর ১৯৭৪ সালে সংবাদ পড়াকে পেশা হিসেবে নিলাম বাংলাদেশ বেতারে। এরপর টেলিভিশনে। ১৯৮০ সালে ভয়েস অব আমেরিকায় সংবাদ পড়তে শুরু করি। এরপর থেকেই ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে আছি।
অনুষ্ঠানে দৈনিক মানবজমিন-এর প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক মানবজমিন-এর সম্পাদক মাহবুবা চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব ওমর ফারুক, ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিনিধি আমীর খসরু, সাংবাদিক নাজমুন আরা হক মিনু, পারভীন সুলতানা ঝুমা বক্তব্য রাখেন।
মানবজমিন প্রধান সম্পাদক ও ভয়েস অব আমেরিকার প্রতিনিধি মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, রোকেয়া হায়দারের কাছ থেকে আমরা অনেক পেয়েছি, শিখেছি এবং জেনেছি। আজকের এই ডিজিটাল যুগে ভয়েস অব আমেরিকাকে সামনের দিকে কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায়, সেই লড়াইটা কিন্তু তিনি শুরু করেছেন। আমার বিশ্বাস এবং ধারণা, তিনি লড়াইটাকে সামনে নিয়ে যেতে পারবেন। মানবজমিন
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”
- নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল
- নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল








