Tuesday, 23 June 2026 |
শিরোনাম
Rohingyas Want to Return Home, Bangladesh Tells UN এক দশক ধরে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া দেশের জন্য টেকসই নয়, রোহিঙ্গারাও নিজ দেশে ফিরে যেতে চায় : জাতিসংঘে বাংলাদেশ Bangladesh and UN Women pledge closer cooperation to advance women’s empowerment and the WPS agenda নিউইয়র্কে চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (মাকসুদ-মাসুদ) এর সংবাদ সম্মেলনে কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার State Minister for Foreign Affairs Urges Stronger Global Action to Protect Civilians, Uphold Humanitarian Law and Support Rohingya Repatriation বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামার মহররম মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত! Bangladesh Calls for Stronger Humanitarian Action and Women’s Leadership in Peacebuilding at UN Forum নিউইয়র্কে জাতিসংঘ ফোরামে মানবিক সহায়তা জোরদার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীর নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরিদাতারা এখনো সুযোগ নিতে চান অভিবাসীদের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 5 বার

প্রকাশিত: December 3, 2017 | 12:47 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে চাকরিদাতাদের কাছে অভিবাসীদের আবেদন বাড়ছে। বিশেষত কম দক্ষতা প্রয়োজন হয় এমন কাজে স্থানীয় কৃষ্ণাঙ্গ ও শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে অভিবাসীদেরই বেশি পছন্দ করছেন চাকরিদাতারা। অভিবাসীদের মধ্যে কম বেতনে কাজ করা ও কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন না তোলার প্রবণতার কারণেই এমনটি ঘটছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকেরা।

অভিবাসীরা সাধারণত স্থানীয়দের তুলনায় বেশি পরিশ্রম করেন। পাশাপাশি তুলনামূলক কম বেতন ও সুবিধাতেই তাঁরা সন্তুষ্ট থাকেন। এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ ও ঊর্ধ্বতনদের আচরণ নিয়েও তাঁরা সহজে মুখ খোলেন না। আর এসব কারণেই স্থানীয় অধিবাসীদের তুলনায় অভিবাসীদের নিয়োগ দিতে আগ্রহী হচ্ছেন চাকরিদাতারা।

সম্প্রতি আমেরিকান অ্যাফেয়ার্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্মক্ষেত্রে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এ জায়গাটি দখল করছেন অভিবাসীরা। কঠোর পরিশ্রমী এসব অভিবাসী স্থানীয়দের তুলনায় বেশি নির্ভরযোগ্য, নিয়মানুবর্তী ও মালিকপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতামূলক আচরণ করেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা একঘেয়ে কাজ করতে হলেও তাঁরা কোনো রা করেন না। পাশাপাশি তাঁদের দাবি-দাওয়াও স্থানীয় কর্মীদের তুলনায় কম। কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ নিয়ে তাঁরা খুব কমই অভিযোগ করেন। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে নিয়োগকর্তার প্রতি অভিবাসী কর্মীরা বেশি বিশ্বস্ত থাকেন। আর এসব কারণেই স্থানীয়দের বদলে অভিবাসীদেরই বেশি পছন্দ করছেন চারকরিদাতারা।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের অধ্যাপক অ্যামি এল ওয়াক্স ও রক্ষণশীল জননীতি গবেষক জেসন রিচওয়াইন গবেষণাটি করেছেন। এ জন্য তাঁরা প্রায় পাঁচ দশকের কর্মসংস্থান-সম্পর্কিত পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করেছেন। পাশাপাশি নিয়েছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক ও কর্মীদের সাক্ষাৎকার।

২০০৩ থেকে ২০১৫ সালের পরিসংখ্যান উল্লেখ করে গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে অল্প শিক্ষিত অভিবাসীরা বছরে গড়ে ৪৯ সপ্তাহ কাজ করেছেন। হাইস্কুল থেকে ঝরে পড়া স্থানীয় আমেরিকানদের গড় কর্ম সপ্তাহের তুলনায় এটি অনেক বেশি। স্থানীয়দের অনুরূপ শিক্ষিতদের চেয়ে অভিবাসীরা ১৪ সপ্তাহ বেশি কাজ করেছেন।

এতে বলা হয়েছে, চাকরিদাতারা বিশেষত হিসপানিক ও এশীয়দের বেশি পছন্দ করেন। এর কারণ অল্প বেতনেই তাঁদের সন্তুষ্টি। এ ছাড়া ঊর্ধ্বতনের বিরূপ আচরণ কিংবা কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগ থাকলেও তাঁরা সাধারণত মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন না। এ ছাড়া দক্ষতার দিক থেকেও তাঁরা এগিয়ে।

বর্তমান প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই অভিবাসীদের কাছে নিজেদের কাজ হারানোর প্রসঙ্গটি বিভিন্নভাবে উঠে এসেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই এ ধরনের বিভিন্ন যুক্তি দাঁড় করিয়ে অভিবাসনবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। যদিও এ ধরনের বক্তব্য ও পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছেন শ্রমবাজার বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, সস্তা শ্রম একটি বিষয়। কিন্তু মোটা দাগে এটিকেই অভিবাসীদের প্রতি চাকরিদাতাদের বেশি আস্থার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না। অভিবাসীরা চাকরিদাতাদের আস্থা অর্জন করছেন তাঁদের কাজ ও দক্ষতা দিয়ে।

এদিকে কম দক্ষ কিংবা অদক্ষ অভিবাসীদের আমেরিকায় প্রবেশ কঠিন করে তুলতে ট্রাম্প প্রশাসন প্রস্তাব করেছে দক্ষতাভিত্তিক অভিবাসী গ্রহণ পদ্ধতির। এ পদ্ধতিতে প্রতিবছর দক্ষ অভিবাসী গ্রহণের সীমা ৫০ হাজারে সীমিত করার প্রস্তাবও করা হয়েছে। কিন্তু অর্থনীতিবিদসহ বিভিন্ন মহল থেকে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা আসছে। তারা বলছে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্ত কম দক্ষ অভিবাসীরা আমেরিকার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন নারী অভিবাসীদের কথা বলে থাকে, যাঁদের একটি অংশ গৃহস্থালির কাজেই সময় ব্যয় করে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে প্রশাসন গৃহস্থালির কাজের অর্থনৈতিক গুরুত্বটি অনুধাবন করছে না।

এ বিষয়ে খোদ আমেরিকান অভিবাসন কাউন্সিলের বক্তব্য হচ্ছে, গৃহস্থালির কাজে যুক্ত অভিবাসী নারীরা বর্তমান শ্রমশক্তির সঙ্গে টিকে থাকায় সহায়তার পাশাপাশি সন্তান পালনের মধ্য দিয়ে গড়ে তুলছেন ভবিষ্যৎ শ্রমশক্তিকেও। এটি দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা তাৎক্ষণিক নয় বরং অনেক সুদূরপ্রসারী।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Situs Streaming JAV