কানাডায় মসজিদে ঢুকে গুলি করে ৬ মুসল্লি হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক : কানাডার কুইবেক সিটির একটি মসজিদে গুলি করে ৬ জন মুসল্লিকে হত্যার দায়ে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণা করে বিচারক বলেছেন, ৪০ বছর জেল খাটার পর ওই অপরাধী প্যারোলে মুক্তি পেতে পারেন। শুক্রবার তার বিরুদ্ধে এ রায় দেন বিচারক ফ্রাঁসিস হুওট। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ২০১৭ সালে ওই মসজিদে গুলি করে কানাডার নাগরিক আলেকজান্দার বিসোনেট (২৯)। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ছয়টি অভিযোগ আনা হয়। কানাডায় একসঙ্গে এত মানুষ হত্যা একটি বিরল ঘটনা।
বিচারক বলেন, ৩৫ থেকে ৪২ বছর জেল খাটার পরে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া সম্ভব এই অপরাধীর। তবে সে ৪০ বছরের আগে এমন প্যারোলে মুক্তি পেতে পারবে না। এ শাস্তি অত্যন্ত কঠিন বলে এর বিরোধিতা করেন প্রসিকিউটররা। কিন্তু তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন বিচারক। উল্লেখ্য, কানাডায় মৃত্যুদন্ডের শাস্তি বাতিল করা হয়েছে। তার পর থেকে এই শাস্তি সবচেয়ে কঠোর।
প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে কুইবেকে ওই হত্যাকান্ডের নিন্দা জানান। তিনি একে সন্ত্রাসী হামলা বলে উল্লেখ করেন। তবে বিচারক বলেছেন, আলেকজান্দার নামাজ শেষে মসজিদে প্রবেশ করে গুলি করে। এটা কোনো সন্ত্রাসী হামলা ছিল না। এটা ছিল কুসংস্কার থেকে হামলা, বিশেষ করে মুসলিম অভিবাসীদের বিরুদ্ধে ছিল ওই কুসংস্কার।
ওই হামলার ঘটনায় ওই সময়ে নতুন করে কানাডায় যাওয়া নতুন সব অভিবাসীদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক উসকে উঠে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে কুইবেক প্রদেশ দিয়ে ওই সময়ে বিপুল সংখ্যক অভিবাসী প্রবেশ করছিলেন কানাডায়।
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
- যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে
- নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান
- BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY”








