Sunday, 25 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

আমেরিকায় নতুন প্রজন্মের সংগঠন ‘বাংলাদেশী আমেরিকান ফর পলিটিক্যাল প্রগ্রেস-বাপ’

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 101 বার

প্রকাশিত: November 16, 2019 | 12:54 PM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশীদের যাত্রা শুরু হলো। প্রত্যাশার পরিপূরক অভিযাত্রায় তারা সামিল হলেন। সংগঠিত হলেন ‘বাংলাদেশী আমেরিকান ফর পলিটিক্যাল প্রগ্রেস’ অর্থাৎ ‘বাপ’ ব্যানারে। নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারি অথবা বেড়ে উঠা তরুণ-তরুণীরা দিপ্ত প্রত্যয়ে ঘোষণা করলেন মূলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে নিজেদের একজনকে বিজয়ী করার। পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের মধ্য দিয়ে সকলকে প্রগতিশীল চিন্তা চেতনায় উজ্জীবিত করে সৎ মানুষকে বিভিন্ন স্তরে জয়ী করার জন্যে নিরন্তরভাবে সোচ্চার থাকার সংকল্পও ব্যক্ত করা হলো কমিউনিটির জন্যে নতুন ইতিহাসের জন্মদানকারী তরুণ-তরুণীরা।

নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে কাবাব কিং রেস্টুরেন্টের মিলনায়তনে ১৩ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় নতুন এ সংগঠনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অভিভাবকেরাও ছিলেন। এসেছিলেন মূলধারার রাজনীতিকরাও। তাহমিনা আর মৌমিতার সঞ্চালনায় সংগঠনের প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করেন ডেমক্র্যাটিক পার্টির তৃণমূলের সংগঠক রাসেল রহমান। কয়েকমাস আগে কুৃইন্স ডিস্ট্রিক্ট এটর্নীর বিশেষ নির্বাচনে টিফানি কাবানের পক্ষে মাঠে ছিলেন রাসেলসহ অর্ধ শতাধিক তরুণ-তরুণী। সকলেই বাঙালি প্রজন্ম এবং নিউইয়র্কের বিভিন্ন কলেজ-ভার্সিটিতে অধ্যয়নরত অথবা পেশাগত জীবনে প্রবেশকারি। প্রগতিশীল চেতনার প্রার্থী কাবান পরাজিত হয়েছেন মাত্র ৪৮ ভোটে। এ নিয়ে অনেকে বিতর্ক রয়েছে স্বচ্ছ নির্বাচনের। তবে উদারতা প্রদর্শন করে পরাজয় মেনে নিয়েছেন কাবান। সেই কাবানও এসেছিলেন বাঙালি প্রজন্মের জেগে উঠার এই সমাবেশে। তার জন্যে তৃণমূলে ভোট প্রার্থনার অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে বাংলাদেশী বংশোদ্ভ’ত আমেরিকানদের সংগঠিত এ ঘটনাকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করেন। মা-বাবার আমেরিকান স্বপ্ন পূরণে নতুন প্রজন্মের গুরু দায়িত্ব গ্রহণের অবিস্মরণীয় ঘটনাকে সচল রাখার আহবানও জানান টিফানি কাবান। এসময় বাপের কর্মচেতনা উপস্থাপন করেন আরিফউল্লাহ। তিনি বলেন, ব্যবসায়ী-শিল্পপতি-ধনীক শ্রেণীর কবল থেকে মার্কিন রাজনীতিকদের মুক্ত করতে পারলেই সহজ-সরল আর কঠোর পরিশ্রমী অভিবাসীদের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটবে খুব সহজে। আমরা সেপথেই চলতে চাই। আরিফ বলেন, আমরা অনেকের জন্যে কাজ করেছি করছি। শুধু অন্যের বিজয় মালা আনতে থাকবো কেন, নিজেরাও সেটি পাবার অধিকার রাখি। স্জেন্যেই আজকের এ সংগঠন। আমরা নিকট প্রতিবেশী ভিন্ন ভাষা-বর্ণের মানুষের সাথেও সম্পর্ক রচনা করবো এবং সংঘবদ্ধভাবে ভোট যুদ্ধে নিজেদের বিজয় ছিনিয়ে আনবো।

আরিফ অকপটে উল্লেখ করেন, নিজেরা সৎ থাকবো, সৎ ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো। তাহলেই প্রশাসনে স্বচ্ছতা আসবে, দুষ্ট ও লোভী ব্যবসায়ীরা জয়ী হতে পারবে না। এটি হচ্ছে আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। আরিফ বলেন, কমিউনিটির লোকজনকে আমরা সজাগ করবো এবং ভোট যে অমূল্য সম্পদ অধিকারের প্রশ্নে-সেটি জানাবো।

অনুষ্ঠানে বাপের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণকে বিপুল করতালির মধ্যে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। এরা হলেন : রাসেল রহমান, আরিফউল্লাহ, তাহমিনা, ফারহানা হানিপ, রোকসানা আলী, মৌমিতা আহমেদ, তীর্থ দত্ত, মৌমিতা জামান, আবেদা খান, নওরীন আকতার, ইমতিয়াজ হোসেন, মেরি জুবাইদা, জয় চৌধুরী প্রমুখ। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের নির্বাচনে দুর্দন্ড প্রতাপশালী কংগ্রেসম্যান যোসেফ ক্রাউলিকে ধরাশায়ী করে আলেক্সান্দ্রিয়া করটেজের বিজয় ছিনিয়ে আনতে এসব তরুণ-তরুণীর বড় একটি গ্রুপ মাঠে ছিলেন। এর আগে ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বার্নি স্যান্ডার্সের পক্ষে ভোট প্রার্থনায় ঘরে ঘরে গেছেন। সে সব অভিজ্ঞতাকে অবলম্বন করে নিজের কমিউনিটির ভাগ্য উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হলেন বাপ ব্যানারে। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ