Monday, 27 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোযে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ডেমক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হবার লড়াইয়ে বাংলাদেশি জামাল খান

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 43 বার

প্রকাশিত: December 9, 2019 | 6:44 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোযে সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে ডেমক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী হবার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত মেধাবি যুবক জামাল খান (৩২)। তথ্য-প্রযুক্তির বিশ্ব রাজধানী হিসেবে পরিচিত ‘সিলিকন ভ্যালি’ সংলগ্ন বে-এরিয়ার স্যান হোজে সিটির বাসিন্দা জামাল খান বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন করেছেন। তার বাবার নাম ড. মাহবুব খান ও মায়ের নাম রিনা খান। চার ভাই-বোনের মধ্যে জামাল তৃতীয়। সকলেই ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন বহু বছর যাবত।

৩ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ‘স্যান হোজে সিটি কাউন্সিল’ (ডিস্ট্রিক্ট ৪) নির্বাচনের প্রার্থী হিসাবে জামাল খান প্রবাসী বাংলাদেশি কম্যুনিটি এবং শহরের তরুন ও নতুন ভোটারদের কাছে ইতিমধ্যেই হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয়। উল্লেখ্য, ডেমক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পেতে আগে থেকেই আরো দু’জন মাঠে রয়েছেন। এরা হলেন বেরিয়েসা ইউনিফাইড স্কুল ডিস্ট্রিক্ট’র ট্রাস্টি ডেভিড কহেন এবং এটর্নি হুই ট্র্যান। এই ৩ জনের একজন বিজয়ী হয়ে নভেম্বরের মূল নির্বাচনে বর্তমান কাউন্সিলম্যান ল্যান ডীপকে ধরাশায়ী করার লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবেন। ল্যান ডীপ অতি সম্প্রতি ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি ত্যাগ করেছেন এলাকাবাসীর মনোভাব টের পেয়ে।এদিকে, জামাল খান লেইনভিউ ইলেমেন্টারি স্কুল, মোরিল মিডল স্কুল ও ইন্ডিপেনডেন্স হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা লাভ করেন। এরপর তিনি খ্যাতনামা ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলে ক্যাম্পাস থেকে তিন বিষয়ে (অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও বৈশ্বিক দারিদ্র পরিস্থিতি মোকাবেলা) স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। বার্কলের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে তিনি ম্যাপলাইট এবং সান ফ্রান্সিসকোতে ইউএস হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি’র অধীনে ইন্টার্নশিপ করেন। এছাড়াও ঐ সময়ে তিনি টাটা ইন্টারন্যাশনাল ও ইউসি বার্কলে’র যৌথ উদ্যোগে ‘সামাজিক উদ্যোক্তা বিষয়ক’ ওয়ার্কশপ করেছেন। জামাল খান ইউসি বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আটটি সেমিস্টারের প্রত্যেকটিতে সম্মানের সাথে কৃতকার্য হয়েছেন।

এরপর জামাল খান হার্ভার্ড থেকে প্রকাশিত ‘দ্য হার্ভার্ড হিউম্যান রাইটস জার্নালে’র ম্যানেজিং টেকনিক্যাল এডিটর হিসেবে কাজ করেছেন। পাশাপাশি তিনি ‘সাউথ এশিয়ান ল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনে’র কম্যুনিকেশন্স চেয়ারম্যান এবং ‘মুসলিম ল স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনে’র প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন গ্রীষ্মকালীন অবকাশের ছুটির সময়ে তিনি ওয়াশিংটন ডিসি’র ইউ এস সিনেটের স্থায়ী সাব-কমিটির অধীনে ‘ইনভেস্টিগেশন্স এন্ড  দ্য অফিস অব গভর্নমেন্ট এথিক্স’ বিষয়ে ইনটার্নশিপ করেছেন।
হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করার পর জামাল খান ‘দ্য প্রেসিডেন্টাল ম্যানেজমেন্ট ফেলোশিপ প্রোগ্রামে’র জন্য মনোনীত হন। তিনি হোয়াইট হাউজের একাধিক অফিসে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণাধর্মী কাজ করেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টারগভর্নমেন্টাল এ্যাফেয়ার্স, পরিবেশ রক্ষা, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদি। ওবামা প্রশাসনের রাজ্যস্তরে বেশকিছু অগ্রাধিকারমূলক কাজে জামাল খান জড়িত ছিলেন যার ভেতর নূন্যতম মজুরি, পারিবারিক ও অসুস্থকালীন ছুটি, ভোটের অধিকার, আগ্নেয়াস্ত্রের সীমিতকরণ, কার্যক্ষেত্রের অনুমোদন, ওপিওয়েড সমস্যা ও মোকাবেলা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

হোয়াইট হাউজের ফেলোশিপ প্রোগ্রাম শেষে জামাল খান ক্যালিফোর্নিয়ার লসএঞ্জেলেসে সিনেটর কমলা হ্যারিসের ক্যাম্পেইন হেড কোয়ারটার্সে যোগ দেন। এরপর তিনি নেভাদা অঙ্গরাজ্যের লাস ভেগাসে সিনেটর ক্যাথরিন কোর্তেজের ক্যাম্পেইন টিমের ‘ডেপুটি ডিজিটাল ডিরেক্টর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনের পর জামাল বে-এরিয়াতে ফিরে এসে এস সি এন স্ট্র্যাটেজিসের বর্তমানে এস সি আর বি স্ট্র্যাটেজিস পলিটিক্যাল কনসালট্যান্ট হিসাবে কিছুকাল কাজ করেন। গত নির্বাচন মৌসুমে জামাল খান স্যান হোজে সিটি মেয়র স্যাম লিকার্ডো’র নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে ‘ফাইন্যান্স ও ড্যাটা ডিরেক্টর’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জনসাধারণের ভেতর ‘ওপিওয়েড সমস্যা’ সম্পর্কিত বিভিন্ন দিক সহজভাবে তুলে ধরে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জামাল খান প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘দ্য আমেরিকান ওপিওয়েড প্রজেক্ট’। যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী গবেষণামূলক এ প্রজেক্টের অধীনে বেশকিছু প্রবন্ধ ও পডকাস্ট ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে এবং ‘ওপিওয়েড’ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত সম্বলিত আরও কর্মশালা, জার্নাল, পডকাস্ট ও বইসমূহের প্রকাশনার কাজ চলমান রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং সিটিতে দেড় ডজনের অধিক বাংলাদেশির মধ্যে মাত্র একজন রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারি তাহসিনা আহমেদ। নিউজার্সির হেলডেন সিটির কাউন্সিলওম্যান। অন্য সকলেই বাংলাদেশি-আমেরিকান। জামাল খান জয়ী হলে তিনি হবেন প্রবাস প্রজন্মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। এনআরবি নিউজ

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV