বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘খালেদাকে বাঁচাও ডটকম’র যাত্রা শুরু (ভিডিও)
https://www.facebook.com/USANewsNY/videos/664952424246376/
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি পিটিশনে স্বাক্ষরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র থেকে ‘খালেদাকে বাঁচাও ডটকম’ নামে একটি ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে। এরই মধ্যে এর কাজও শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে পালকি পার্টি সেন্টারে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সচেতন নাগরিক সমাজ, যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সচেতন নাগরিক সমাজ, যুক্তরাষ্ট্র’র মোকশেদ আর ভূইয়া। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র যুব দলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, এটিএম হেলালুর রহমান, ডা. জিয়াউল হক, রাশেদা আহমেদ মুন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বাংলাদেশের গণমানুষের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অহেতুক মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে রেখেছে শেখ হাসিনার সরকার। বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৪ বছর। বাংলাদেশের গণমাধ্যম রিপোর্ট অনুসারে তিনি বাত এবং অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসসহ অনেকগুলো রোগে ভুগছেন এবং প্রতিনিয়ত তাঁর স্বাস্থ্য অবনতির দিকে যাচ্ছে। এমতাবস্থায় তাঁর মুক্তির খুবই প্রয়োজন। কিন্তু শেখ হাসিনার সরকার অহেতুক খালেদা জিয়ার মামলাগুলোকে সময়ক্ষেপন করে তাকে মুক্তি না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে মামলা তারিখ পিছিয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশে ও প্রবাসে দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, স্বাধীনতা ও সাবভৌমত্বকে সমুন্নত রেখে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছি। আমরা মনে করি ৭৪ বছর বয়সী অসুস্থ্য খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন কারাগারে রাখাটা মানবিক দিক থেকেও অন্যায়। আমরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি চাই। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে জানানো এবং অসুস্থ খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে পিটিশনে স্বাক্ষরের জন্য ‘খালেদাকে বাঁচাও ডটকম’ (www.khaledakebachao.com) নামে ওয়েবসাইটটি খোলা হয়। এরই মধ্যে পিটিশনে গণ স্বাক্ষরের কাজ শুরু হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৮৩ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সাত দলীয় জোট গঠন করে এবং জেনারেল এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে অবিরাম সংগ্রাম শুরু করে। অন্য প্রধান রাজনৈতিক পার্টিগুলো সমঝোতা করলেও খালেদা জিয়া নয় বছরব্যাপী আন্দোলনে এরশাদের অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক সরকারের সঙ্গে আপোস করেননি। তাই তখন তার নাম হয় আপোসহীন নেত্রী। খালেদা তার নীতিতে অবিচল ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম মহিলা এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলিতে প্রধানমন্ত্রী হিসাবে গণতান্ত্রিক সরকারের নেতৃত্বে দ্বিতীয় ছিলেন। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়া দুইবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তৃতীয়বার তিনি ছিলেন ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত। জানুয়ারি ১৯৯১, ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬, জুন ১৯৯৬ এবং অক্টোবর ২০০১, ডিসেম্বর ২০০৮-এর সাধারণ নির্বাচনে সুদীর্ঘ ১৮ বছরে মোট পাঁচটি সাধারণ নির্বাচনে যে সর্বোচ্চ ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সব কয়টিতেই বিজয়ী হন বেগম খালেদা জিয়া। বাংলাদেশের অন্য কোনো পলিটিশিয়ান এই সাফল্যের ধারে কাছেও যেতে পারেননি। সম্ভবত মোট ২৩টি আসনে তার প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা একটি বিশ্ব রেকর্ডও।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests