Friday, 13 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বর্ণাঢ্য জীবনি বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ সময়ের দাবী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 60 বার

প্রকাশিত: March 12, 2020 | 3:23 PM

জুয়েল সাদত : আসলে মার্চ মাসটাই আমাদের কাছে এক অনন্য মাস হিসাবে পরিনত। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষন, ১৭ মার্চ জাতির জনকের জন্মদিন, ২৫ মার্চের কালোরাত ও ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা। আবার এই বাংলাদেশে সেই মহামানবটিই (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) এই মার্চেই পৃথিবীতে আসেন। এবার তার জন্মের ১০০ তম বার্ষিকী। সহজভাবে তা চিত্রায়নের সুযোগ নাই। আবার অতি রন্জিত করাও ঠিক হবে না। অতি মুজিব প্রেমীদের ও অনু প্রবেশকারীদের কারনে তা বিতকিৃত করার আলামতে খোদ প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করেছেন।

মুজিব বর্ষে অনেক কিছু করার সুযোগ ছিল। দেশে বিদেশে তা পালন হবে নানান ভাবে র‌্যালিী, আলোচনা সভা, চিত্রাংকন ও নানান প্রকাশনার মাধ্যমে । কিন্তু তার চেয়ে বেশী করার মাধ্যম গুলো করতে পারত দুতাবাস গুলো। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে দেড়শত এর মত দুতাবাস ছিল আছে আরও বাড়ছে , তারা জাতির পিতাকে বহি:বিশ্বে বহুজাতির কাছে মুলধারায় উপস্থাপন করতে পারত। বিভিন্ন ভাষায় জাতির জনকের জীবনি প্রকাশ করে বুক আকারে। পৃথিবীর অনেকেই জানে না জাতির জনক শেখ মুজিব ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বেচেছিলেন তাও আবার তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি ৩৫৭৯ দিন জেল জীবন কাটিয়েছেন যা ১০ বছরের সমান ‘ যা বিশ্বে নেলসন মেন্ডেলার সমকক্ষ। মাত্র ৪৫ বছর তিনি আলো বাতাসে ছিলেন । তাকে সপরিবারে মেরে ফেলা হয়েছে। পৃথিবীতে দ্বিতীয় ব্যাক্তি কেউ নেই যার এই বর্নাট্য করুন জীবনি । অথচ আমরা যারা আওয়ামী মনোভাবের বা বাংলাদেশী তারা তার কথা জানি প্রতিবছর বলে ও বেড়াচিছ।  কিন্তু বিশ্ব ইতিহাসে তার অবদান সামগ্রিক প্রচার কে করবে ।  তিনি বিশ্বের একজন আইডল নেতা হবার সুযোগ ছিল। মহাত্বা গান্ধি কে যদি বিশ্ব জানতে পারে , নেলসন মেন্ডেলাকে যদি বিশ্ব জানতে পারে তাহলে শেখ মুজিব কে কেন জানবে না বিশ্ব। এ্ই কাজটা কে করবে । কেন বিশ্বের বিভিন্ন লাইব্রেরীতে জাতিন জনকের উপর কোন বই থাকবে না। কেন তার জীবনি ছোট বড় আকারে বিশ্বের নামি দামি প্রকাশনি কেন তৈরী করবে না। আমাদের তো টাকার কোন অভাব্ নেই। আমাদের সরকারের উচিত বিশ্বের নামি দামি লেখকদের দিয়ে তার জীবনি প্রকাশ করা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায়। শত শত কোটি টাকা খরচ করে জন্ম শত বার্ষিকী আমরা পালন করব, দেশের সেরা সেরা লেখকরা গল্প কবিতা গান রচনা করছেন। কিন্তু তাতো সবই ঢাকা কেন্দ্রিক তোষামোদর জন্য। ইংরেজীতে কি করতে পারছি, কেন আমরা ফরাসি ভাষায়, স্পেনিশ ভাষায়, হিন্দি ভাষায়, চায়নিজ ভাষায়, আরবি ভাষায় তার জীবনি নিজেদের খরচে প্রকাশ করছি না। কাজের কাজ তো সেটাই। সারা বিশ্বে জন্ম শত বার্ষিকী পালিত হবে কিন্তু বিশ্বের নতুন প্রজন্মকে আমরা কিভাবে তাকে চেনাব। আমরা যদি বাংলাদেশে নেলসন মেন্ডেলাকে চিনি, আমাদের বাচচারা যদি নেলসন মেন্ডেলাকে চিনে, আমাদের বাচচার যদি মার্টিন লুথার কিং (সাদা কালোর মুভমেন্টের আইকন ) কে চিনে তাহলে আমেরিকান নতুন প্রজন্ম কেন জাতির জনককে চিনবে না । আমাদের আইকনিক নেতা জাতির জনকে তাদের কারও চেয়ে কম নন। তিনি অনেক উর্ধে, তিনি তার জীবন উ্যসর্গ করেছেন মানুষের মুক্তির জন্য। আমাদের উচিত বিশ্বের সেরা সেরা লাইব্রেরীতে শেখ মুজিবের উপর বই প্রেরন করা। তা কিভাবে সম্ভব তা খুজে বের করতে হবে । বিশ্বের সেরা সেরা প্রকাশনিকে বলতে হবে তারা যেন তা প্রকাশ করে । তাহলে ই তাকে বিশ্বের আইকন হিসাবে পরিগনিত করা যাবে।

বিশ্বের শত শত দেশে আমাদের দুতাবাস রয়েছে, তাদের উচিত তাদের মাধ্যমে সে দেশের মুলধারায় জাতির জনকের জীবনি বিভিন্ন স্কুল কলেজের লাইব্রেরীতে স্পন্সর শিপের মাধ্যমে তা প্রকাশ করে বিতরন করা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে  আমাদের অনেক আইকনিক ব্যবসায়ী রা রয়েছেন দুতাবাস তাদের বিশেষ মর্যাদা দিয়ে থাকে , দুতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের সাথে যৌথভাবে ইংরেজী বই প্রকাশ করে বা সে দেশের ভাষায় জাতির জনকের জীবনি ছোট  আকারে বা বড় আকারে প্রকাশের উদ্যেগ নিতে পারে।ব্যবয়ায়ীদের অনুরোধ করতে পারে জন্ম শতাবার্ষিকী বা তার পরেও যে বহি:বিশ্বে তা ছড়িযে দেয়া । অনেক ভাল কাজ করার সুযোগ রযেছে। আসলে বিদেশী কোন গবেষক যদি সঠিক ভাবে জানতে পারে কে ছিলেন শেখ মুজিব, কি ছিল তার জীবনের লক্ষ্য, কেমন ছিল তার ব্যবহার, তিনি কেমন কাটিয়েছেন তার ৫৫ বছর , কতটা সফল নায়ক ছিলেন তাহলে তারাই লিখতে বা গবেষনা করতে শুরু করবে ।তার জীবনি নিয়ে  পিএইচ ডি হবে।আসলে আমরা বাংলাদেশের মধ্যই তাকে আটকে রেখেছি।তার সঠিক বিশ্ব মুল্যায়ন হয়নি, হচেছও না।যে শত  শত  মিলিয়ন ডলার খরছ হবে দেশ বিদেশে এ্ই মার্চ মাস জুড়ে তার আপ  কামিং কোন রেজাল্ট আসবে না।তার জন্য গান রচনা হচেছ, কনসার্ট হবে, শত শত সুভেনির, বই , গল্প , উপন্যাস রচিত হচেছ হবে।কিন্তু তার পরিথি সীমাদ্বই আমরা তাকে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মধ্যই আটকে রেখেছি মাত্র।নিউইযর্কে তিনটি বাংলাদেশে শত শত, আমেকিরার বিভিন্ন ষ্টেটে অর্ধশত অনুষ্টান হছেছ,বিশ্বের প্রায় দু শত শহরে বাংলাদেশী প্রবাসীরা তার জন্ম শতবার্ষিকী  পালন করবেন পুরো মার্চ মাস জুড়ে  তাকে তুলে  ধরার জন্য। কিন্তু আমাদের বিভিন্ন ভাষার পাবলিকেশন না হলে তাকে আমারা বাংলা ভাষার দুটো দেশের কিছু মানুষের কাছেই রেখেদিলাম। আমাদের বিশ্ব দরবারে তাকে ‍তুলে ধরতে হবে।

অসাধারন এক অনন্য মানব শেখ মুজিব। অসাধারন ছিল তার চিন্তা । লোভ লালসাহীন, এক প্রানবন্ত হ্যামিলনের বাশিওয়ালা। সাত কোটি  মানুষের স্ব্প্ন পুরুষ ছিলেন । তাকে নিযে গবেষনার বিস্তর মাধ্যম পড়ে আছে । আমরা তাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ি করে তাকে ক্ষুদ্রতায় আবদ্ব করেছি । তার অনন্য পোষাকটাও আজ অবমুল্যায়ন হচেছ । তিনি তার একটি পোষাককে তার নামে সমাদ্রিত করতে পেরেছেন। মুজিব কোট বলতে একটি বিশেষ পোষাক কে বোঝায় । এ নিয়েও গবেষনার সুযোগ আছে। এক শত বছর আগে তিনি জন্মেছিলেন মাত্র ৫৫ বছরের বর্নাট্য জীবন কজনের আছে। তার উদাসিনতার জন্য তার আত্ব বিশ্বাসের জন্য তার সাথে আরও সতের জন প্রান হারান। পৃথিবীতে কোন গোষ্টিকে এমন ভাবে মেরে ফেলার ইতিহাস নেই। কালের আবর্তে আজ তার মৃত্যু শক্তিতে রুপান্তরিত হয়েছে।  সব মানুষকে মৃত্যু বরন করতে হয়, তার এ্ই আত্ব ত্যাগ তাকে আল্লাহ এক অনন্য মর্যাদার আসনে বসাবেন এই প্রত্যাশা কোটি কোটি মুক্তিকামি বাংলাদেশীদের। আমরা এ্ই ক্ষনজন্মা বিরপুরুষের বিদেহী আত্বার শান্তি কামনা করি। আর সবার কাছে অনুরোধ “যে যেভাবে পারেন তার জীবনি দেশে বিদেশে নানান ভাষায় প্রকাশ করুন“। বাংলাদেশের ইংরেজী মাধ্যমের স্কুল গুলোতেও তার জীবনি প্রকাশ জরুরী পার্ঠ্যসুচিতে। আর আমরা যারা লেখক সংগঠক মুজিব আদর্শের  আছি তাকে ভালবাসি তার জীবনি প্রকাশে ও ছড়িযে দিতে সর্বাত্বক নিবেদিত হই নানান ভাষায়। নানান মাধ্যমে তাকে নেলসন মেন্ডেলা, মার্টিন লুথার কিং এর সম পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে । জাতির জনক তাদের চেয়ে ও উর্ধে। “আমাদের উদাসীনতায় তিনি ক্ষুদ্র একটি গোষ্টির মাঝে ঘুরপাক খাচেছন“।

জুয়েল সাদত

সাংবাদিক -কলামিষ্ট, উত্তর আমেরিকা।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV