চীনারা তাদের ল্যাবে তৈরী করে মরনব্যাধী করোনা ভাইরাস : জাতিসংঘের কাছে তদন্ত দাবী খান শওকতের
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কের কম্যুনিটি এ্যক্টিভিষ্ট খান শওকত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, বিভিন্ন তথ্য প্রমান দেখে মনে হচ্ছে, করোনা ভাইরাসটি পরিকল্পিত আবিস্কার। এমন অপ: রণকৌশলের মরন খেলায় এ পৃথিবীটা বসবাসের অযোগ্য হবার দ্বারপ্রান্তে। এসব দিক বিবেচনা করে জাতিসংঘ মহাসচিব এ্যন্তনিও গুতেরেজ এর কাছে আবেদন করে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের দাবী জানিয়েছেন তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, মরনব্যাধী করোনা ভাইরাসে বিশ্বব্যাপী লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এ মৃত্যুর মিছিল চলছে। বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রচার হচ্ছে যে, এই ভাইরাসটি ল্যাবে তৈরী একটি জৈব রাসায়নিক মারনাস্ত্র। ২০১৯ সালের ১০ই ডিসেম্বরে প্রথম করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন চীনের হুবেই প্রদেশের ৬৭ বছর বয়সী নারী ওয়েই গুইশিয়ান। এরপর করোনা বিশ্ব অর্থনীতিকে ইতিমধ্যে ধ্বংস করে দিয়েছে, লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই রোগে ভুগছে, কোটি কোটি মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে পড়েছে, অনেক দেশ লক ডাউন হয়ে গেছে এবং ঘোর আতংকে কাটছে সারা বিশ্বের প্রতিটি প্রহর। করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে ব্যাপক দারিদ্রতা বৃদ্ধি পাবে। আর করোনা নির্মুলে যেসব ঔষধের কথা বলা হচ্ছে এগুলো এ্যন্টিবায়োটিক। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়াকে টার্গেট করে, ভাইরাসকে নয়। কোভিড-১৯ একটি ভাইরাস, এটা কোন ব্যাকটেরিয়া নয়।
করোনা ভাইরাসটি অন্যসব ভাইরাস থেকে ১০ গুন বেশী ভারী। তাই উড়ে চলে যাচ্ছেনা। মাটিতে পড়ে থাকছে। পুকুরে বা নদীতে থাকছে, মাছেরা খাচ্ছে, ফসলের সাথে মিশে যাচ্ছে, ফল মুলের সাথে মিশে যাচ্ছে। আবারো তা ফিরে আসবে আমাদের শরীরে। হয়ত একটি সময় থেমে যাবে করোনা ভাইরাসের এই ভয়াবহতা, কিন্তু এই বিষাক্ত জৈব-জীবানুর জন্য অনেকদিন পর্যন্ত সবজী, ফল, মাছ, গবাদীপশু, বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা ভোগ করবে মানব জাতি। সুস্থ্য হয়ে আবারও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চীনের অনেক মানুষ। অর্থাৎ একই অবস্থা ঘটবে সারা পৃথিবীতে। মরন ছাড়া কোন পথ নেই এ মানবজাতির। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বারবার সাবধান করে বলেছিল: জৈব রাসায়নিক মারনাস্ত্র তৈরী করলে তা বিশ্বব্যাপী মহামারিতে রুপ নেবে।
আমেরিকার বিখ্যাত গবেষক ফ্রান্সিস বয়েল বিবিসি-তে এক সাক্ষাতকারে দাবী করেছেন, করোনা ভাইরাস হচ্ছে জৈব মারনাস্ত্র! চীনারা তাদের ল্যাবে এই ভাইরাসটা তৈরী করে। দূর্ঘটনা বশত: তা ছড়িয়ে পড়ে। অনলাইনে সাক্ষাতকারটি এখনো আছে। বিভিন্ন তথ্য প্রমান দেখে মনে হচ্ছে, করোনা ভাইরাসটি পরিকল্পিত আবিস্কার। এমন অপ: রণকৌশলের মরন খেলায় এ পৃথিবীটা বসবাসের অযোগ্য হবার দ্বারপ্রান্তে। এসব দিক বিবেচনা করে নিউইয়র্কের কম্যুনিটি এ্যক্টিভিষ্ট খান শওকত জাতিসংঘ মহাসচিব এ্যন্তনিও গুতেরেজ এর কাছে আবেদন করে একটি তদন্ত কমিশন গঠনের দাবী করেছেন। গত ৪/১২/২০ তারিখে প্রেরীত উক্ত আবেদন পত্রে তিনি লেখেন:

To. Antonio Guterres. Secretary General. United Nations (UN). 1, UN Plaza. New York. NYC-10017. Sub: Requesting for an investigation for the Corona-virus Pandemic.
Sir,
We are keep observing the news of the several Medias which says, China made the Corona-virus (COVID-19) in their Lab. This virus killed hundreds of thousands innocent peoples all over the world. If truly anyone made this biological weapon in their lab, they must stop it. Otherwise this beautiful world cannot be safe to live. So, I am requesting you to conduct an investigation for the Corona-virus Pandemic, and find out the truth immediately.
খান শওকত বলেন: আমি বিশ্বাস করি, করোনার এই ঝড় থেমে গেলে, জাতিসংঘ তদন্ত করবে। চীনকে ভাইরাসমুক্ত করবে, দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক অবরোধে ওদেরকে পংগু করে দেয়া হবে। তা না হলে এ বিশ্ব রক্ষা হবেনা। আমি যা লিখেছি এটা আমার বিশ্বাস। সময়ই বলে দেবে আমার বিশ্বাসটা সঠিক কিনা।
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests