Saturday, 25 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীর চার শতাধিক শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন: আপন আলোয় উদ্ভাসিত নতুন প্রজন্ম

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 32 বার

প্রকাশিত: July 10, 2020 | 1:07 PM

আটলান্টিক সিটি থেকে সুব্রত চৌধুরী: আট জুলাই ২০২০ বুধবার দিনটি ছিল আটলান্টিক সিটি ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত দ্বাদশ গ্রেডের বাংলাদেশী আমেরিকান শিক্ষার্থীদের জন্য স্বপ্নপূরনের দিন। আটলান্টিক সিটি হাই স্কুলে দ্বাদশ শ্রেণীতে অধ্যয়নরত প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থীর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল আটলান্টিক সিটি হাই স্কুল এর খেলার মাঠে ।তাদের মধ্যে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কম নয়।করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে তিন পর্বে এই গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।সকাল থেকেই বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত শিক্ষার্থীরা গ্র্যাজুয়েশন গাউন পরে পরিবারের সদস্যদের সাথে অনুষ্ঠানস্থলে সমবেত হতে থাকে।

তাদের সবার শরীরি ভাষায় চার বছরের কঠোর পরিশ্রম শেষে প্রাপ্তির পূর্ণতা,চোখে-মুখে খুশির আনন্দ ঝিলিক।অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর কৃতি শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষনার সাথে সাথে তুমুল করতালিতে গমগম করে ওঠে বিশাল মাঠ। পূর্বসূরি বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবারও উওরসূরী বাংলাদেশী আমেরিকান শিক্ষার্থীদের জয়জয়কার।আর এই জয়-জয়কার অবস্থার মধ্যে আপন আলোয় উদ্ভাসিত বাংলাদেশী আমেরিকান শিক্ষার্থী শেখ নাহিয়ান,তৌসিফ জামান,ওয়াহিদুল মেহেদী,আজরা জেসমিন ও আরাফাত রহমান।তারা মেধারস্বীকৃতিস্বরূপ মেধা তালিকার সেরা দশে গৌরবজনক স্থান লাভ করার গৌরব অর্জন করেছে।

শেখ নাহিয়ান – বাংলাদেশের ঢাকা জেলার গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী শেখ নাহিয়ান মেধা তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করেছে।তার জন্ম ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে । বাবা শেখ নাহিয়ান ও মা ওয়াজেদা বেগম এর দুই সন্তানের মধ্যে সে বড়।ছোটবেলা থেকেই মেধাবী নাহিয়ান লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিল।তার অবসর কাটে ভলান্টিয়ার কাজে আর লেখালেখি করে।তার অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে নাহিয়ান এর ইচ্ছা বায়ো কেমিস্ট হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের জন্য কিছু করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার আহবান- সেরাটা দাও, সেরাটা পাবে।স্কুল জীবনে সে ক্রস কাউনটি, ট্র্যাক এন্ড ফিল্ড এ দলপতি, লিও ক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছে।ভেটনর সিটিতে বসবাসকারী সদালাপী,বন্ধুভাবাপন্ন নাহিয়ান তার ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য সবার দোয়াপ্রার্থী।

তৌসিফ জামান -মেধাবী শিক্ষার্থী তৌসিফ জামান এর জন্ম ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে।বাংলাদেশে তার বাড়ি লক্ষীপুর জেলায়। মেধাবী এই শিক্ষার্থী মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান লাভ করেছে। মা ফরিদা ইয়াসমীন এর তিন সন্তানের মধ্যে তৌসিফ সবার বড়। ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় সে বেশ মেধাবী ছিল।স্কুল জীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের সাথে সে নিজেকে জড়িত রেখেছিল। অবসরে সে বই পড়ে, খেলাধূলা করে ।তার আদর্শ ষ্টিভ হকিং ।পড়ালেখায় নজরকাড়া ফলফলের জন্য সে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে তৌসিফ চক্ষু চিকিৎসক হতে চায়। তার খুব ইচ্ছা বাংলাদেশের গরীব মানুষদের জন্য কিছু করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা ও নানা মোস্তাফিজুর রহমানের অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার উপদেশ- সময় ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা দেখাতে পারলে সাফল্য ধরা দেবেই। আটলানটিক সিটির ট্রেন্টন টেরেস এভিনিউতে বসবাসকারী শান্তশিষ্ট ,বন্ধুবৎসল তৌসিফ তার উত্তরোত্তর সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।

ওয়াহিদুল মেহেদী- কৃতি শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল মেহেদীর জন্ম ২০০২ সালে বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায়। গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল মেহেদী মেধা তালিকায় চতুর্থ স্থান লাভ করেছে।সে ২০০৬ সালে আমেরিকায় আসে। বাবা জাকারিয়া আলভি আর মা মরহুমা শাহানা বেগম এর চার সন্তানের মধ্যে মেহেদী সবার ছোট। ছোটবেলা থেকেই সে বেশ মেধাবী ছিল।স্কুল জীবনে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের সাথে সে নিজেকে জড়িত রেখেছিল।তার অবসর কাটে খেলাধূলা করে, গবেষনা কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখে।তার আদর্শ রাইট ভ্রাতৃদ্বয়।পড়ালেখায় অসামান্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সে রাটগারস বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে মেহেদীর ইচ্ছা এরোস্পেস প্রকৌশলী হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের মানুষদের জন্য কিছু করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার উপদেশ- সময় মেনে পড়ালেখা করলে সাফল্য পাবে। আটলানটিক সিটির টেক্সাস এভিনিউতে বসবাসকারী আলাপী,বন্ধুবৎসল মেহেদী তার ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে।

আজরা জেবিন -বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী আজরা জেবিন মেধা তালিকায় সপ্তম স্থান অধিকার করেছে।তার জন্ম ২০০১ সালে বাংলাদেশে।২০০৮ সালে সে আমেরিকায় আসে। বাবা আকিকুর কিনান আর মা রহিমা আকতার এর তিন সন্তানের মধ্যে সে দ্বিতীয় ।ছোটবেলা থেকেই মেধাবী আজরা লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিল।তার অবসর কাটে ভলান্টিয়ার কাজে,খেলাধূলা করে।তার প্রিয় ব্যক্তিত্ব তার কাজিন সুভা।তার অসামান্য কৃতিত্বেরস্বীকৃতিস্বরূপ সে রাটগারস বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভেরসুযোগ পেয়েছে।পেশাগত জীবনে আজরার ইচ্ছা চিকিৎসক হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার আহবান- সময়জ্ঞান মেনে পড়ালেখা করলে সাফল্য পাবেই। আটলানটিক সিটিরআর্কটিক এভিনিউতে বসবাসকারীসদালাপী,বন্ধুভাবাপন্ন আজরা তার ভবিষ্যত সাফল্যেরজন্য সবার দোয়াপ্রার্থী।

আরাফাত রহমান – বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার গর্বিত প্রবাসী শিক্ষার্থী আরাফাত রহমান মেধা তালিকায় নবম স্থান দখল করেছে।তাঁর জন্ম ২০০১ সালে,বাংলাদেশে। বাবা মো: মিজানুর রহমান আর মা ফাতেমা ইয়াসমীন এর সাথে ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে আসে।দুই ভাইবোনের মধ্যে আরাফাত বড়।ছোটবেলা থেকেই পড়ালেখায় মেধাবী আরাফাত লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজে নিজেকে ব্যস্ত রেখেছিল।তার অবসর কাটে খেলাধূলা করে।

তার প্রিয় ব্যক্তিত্ব তার মা।তার কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সে টেম্পল বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে।বড় হয়ে তার ইচ্ছা সার্জন হবার। তার অদম্য বাসনা বাংলাদেশের গরীব-দুঃখী মানুষদের সেবা করা।তার অসামান্য কৃতিত্বের পেছনে তার মার অবদানই সবচেয়ে বেশি।উওরসূরীদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শ – সময়মতো পড়ালেখা করলে সাফল্য আসবেই । আটলান্টিক সিটির ফেয়ারমাউনট এভিনিউতে বসবাসকারী সদালাপী,বন্ধুভাবাপন্ন আরাফাত তার ভবিষ্যত সাফল্যের জন্য সবার দোয়াপ্রার্থী। প্রবাসের নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের অসামান্য সাফল্য কমিউনিটিতে বেশ সাড়া ফেলেছে।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV