Saturday, 25 July 2026 |
শিরোনাম
DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’ ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
সব ক্যাটাগরি

বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীর রাজনৈতিক আশ্রয় পর্যালোচনার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 127 বার

প্রকাশিত: July 25, 2020 | 11:06 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দণ্ডপ্রাপ্ত খুনি রাশেদ চৌধুরীর রাজনৈতিক আশ্রয় মঞ্জুরের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার ঘোষণ দিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। প্রায় ১৫ বছর আগে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা রাশেদের আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুর করে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার মার্কিন সাময়িকী পলিটিকো জানিয়েছে, ওই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য নিজের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার। এই প্রক্রিয়ার শুরুর মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের সুযোগ হারাতে পারে বঙ্গবন্ধুর এই খুনি। আর তা হলে তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

বাংলাদেশ সরকার অনেক বছর ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। সর্বশেষ গত এপ্রিলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলারের কাছে এই অনুরোধ জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

রাশেদ চৌধুরীর আশ্রয় পর্যালোচনার জন্য পাঠাতে গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলস (বিআইএ)-কে চিঠি দেন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বার। ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আবেদনকারী যে একটি মারাত্মক অরাজনৈতিক অপরাধে জড়িত ছিল তা বিবেচনার সম্ভাব্য কোনও কারণ নেই এমনটা নির্ধারণে বোর্ড কি ভুল করেছিল?’

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল লিখেছেন, “এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বোর্ড কি যথাযথভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল, যে অপরাধের জন্য তার অনুপস্থিতিতে আবেদনকারী দণ্ডিত হয়েছে সেই ‘অপরাধ উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না’ কিংবা ‘চরিত্রগতভাবে নৃশংস বা বর্বর ছিল না’?”

মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল বিল বারের এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাশেদ চৌধুরীর আইনজীবী। ওই আইনজীবী বলেন, ২০০৫ সালে আশ্রয়ের আবেদন মঞ্জুরের সময় যদি বিল বার তার অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে না থাকেন তাহলে এই মামলা তার পুনরায় শুরু করার কোনও কারণ থাকতে পারে না।

রাশেদ চৌধুরীর আইনজীবী মার্ক ভ্যান ডার হাউট পলিটিকোকে বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে বিল বার ইতোমধ্যে তার (রাশেদ চৌধুরীর) আশ্রয় মঞ্জুর করা অভিবাসন আদালতের রায় পাল্টানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। বার যদি রাশেদ চৌধুরীর পক্ষে বিচারকদের অনুসন্ধানের সঙ্গে অসম্মত না হয়ে থাকেন তাহলে এই মামলা পুনরায় শুরুর কোনও কারণ নেই।’

রাশেদ চৌধুরী ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে। এর কিছু দিনের মধ্যে সে দেশটিতে আশ্রয়ের আবেদন করে। প্রায় দশ বছর পর একজন অভিবাসন বিচারক তার আশ্রয় আবেদন মঞ্জুর করেন। বিচারকের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের অবস্থানের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের যেকোনও যুক্তি দেখভাল করে এই বিভাগ। রাশেদ চৌধুরীর রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের সময় ডিএইচএস’র আইনজীবীদের যুক্তি ছিল, সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকায় এই আবেদনকারী আশ্রয় পাওয়ার অযোগ্য।

পরে এই মামলাটি চলে যায় মার্কিন বিচার বিভাগের বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলসের কাছে। মার্কিন এই বোর্ডটি অভিবাসন বিচারকদের তদারকি করে থাকে। তাদের সিদ্ধান্ত বদলানোর ক্ষমতাও রয়েছে এই বোর্ডের। ২০০৬ সালে এই বোর্ড বিচারকদের পক্ষ নিয়ে সিদ্ধান্ত দেয় যে রাশেদ চৌধুরী আশ্রয় পাওয়ার যোগ্য।

রাশেদ চৌধুরীকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলসের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার প্রক্রিয়া শুরু করে অ্যাটর্নি জেনারেল আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে তাদের প্রতিক্রিয়া জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
Situs Streaming JAV