Thursday, 12 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল সোসাইটি ইউএসএ’র ইফতার মাহফিল: খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকার আহ্বান BOROUGH PRESIDENT GIBSON HOSTS FOURTH ANNUAL BRONX IFTAR DINNER DIALOGUE UNDER THE THEME “UNITY IN DIVERSITY” নিউইয়র্কে মানসিক সংকটে থাকা যুবককে গুলি: পুলিশ প্রশিক্ষণ এবং মানসিক সংকটসংক্রান্ত ৯১১ কল নিউইয়র্কে গ্রী ম্যাকানিকেল ইয়াঙ্কার্স এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কস নিউইয়র্ক ইনকের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতা ও ইফতার মাহফিল New York Attorney General James Releases Statement on Live Nation Trial নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

বিশ্ব মানব পাচার বিরোধী দিবস উদযাপন: মানবপাচার রোধে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স নীতির পুনরুল্লেখসহ এ বিষয়ক ফোর-পি বাস্তবায়নের উপর জোর দিলেন জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত ফাতিমা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 156 বার

প্রকাশিত: July 31, 2020 | 12:38 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক. নিউইয়র্ক : “মানব পাচারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে” -৩০ জুলাই বিশ্ব মানবপাচার বিরোধী দিবস উদযাপন উপলক্ষে উচ্চ পর্যায়ের ভার্চুয়াল প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে একথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। মানবপাচার রোধে বহুমাত্রিকতার প্রেক্ষাপটে ‘প্রিভেনশন’, ‘প্রমোশন, ‘প্রটেকশন, এবং ‘পার্টনারশীপ’ -এই ফোর-পি ধারণ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, আইনী সম্প্রদায়, সুশীল সমাজ, এনজিও এবং বিশেষ করে স্থানীয় কমিউনিটিসহ সকল অংশীজনদের সাথে নিয়ে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তা তুলে ধরেন তিনি। মানব পাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাপকভিত্তিক যে সকল আইনী ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রদত্ত বক্তব্যে তাও উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। এই ঘৃণ্য অপরাধ প্রতিরোধে যাঁরা সামনের সারিতে থেকে কাজ করছেন এবং যারা সর্বপ্রথম সাড়া দিচ্ছেন বিশেষ করে এই বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে, তাঁদের তাৎপর্যপূর্ণ এ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। মানবপাচার বিরোধী গ্রুপ অফ ফ্রেন্ডস এবং জাতিসংঘের ড্রাগস ও ক্রাইম বিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিসি) এর যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ উক্ত মানবপাচার বিরোধী গ্রুপ অফ ফ্রেন্ডস এর সদস্য। ইভেন্টটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল – ‘সাড়াদানকারীদের স্বীকৃতি- প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত এবং মানবপাচার রোধে তাদের ভূমিকা তুলে ধরা (RECOGNIZING RESPONSE – COMMITTED TO THE CAUSE: HIGHLIGHTING THE ROLE OF RESPONDERS TO TRAFFICKING)’।
মানবপাচারের আন্তঃসীমান্ত ও আন্তঃদেশীয় প্রকৃতি ও ব্যাপ্তিকে আমলে নিয়ে স্থানীয়, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার উপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। মানবপাচার বিষয়টি সামগ্রিকভাবে দেখা এবং এর মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করাসহ এ সমস্যা সমাধানে বেশকিছু সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরেন তিনি। এগুলো হলো: দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কার্যক্রম এবং সহযোগিতাসমূহ জোরদার; সংশ্লিষ্ট জাতীয় আইনসমূহ কার্যকর; ইনটিলিজেন্স ও তথ্য বিনিময় ব্যবস্থার উন্নয়ন; মানব পাচার সংশ্লিষ্ট অপরাধের প্রতিরোধ ও মনিটরিং এর জন্য ডিজিটাল সার্ভিলেন্স ও আইসিটির ব্যবহার এবং এতদবিষয়ে সক্ষমতা বিনির্মাণ। মানব পাচার বিষয়ে আইওএম, ইউএনওডিসি ও ইন্টারপোলসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত ফাতিমা।
নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক ও নিয়মিত অভিবাসনের ইতিবাচক দিকসমূহের কথা তুলে ধরে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, মানব পাচারের নেতিবাচক প্রভাব রুখতে এটি হতে পারে টেকসই বিকল্প। মানবপাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়নে এ সংক্রান্ত প্রটোকল ও আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সার্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা এবং প্রয়োগ নিশ্চিতে আরও জোর প্রচেষ্টার আহ্বান জানান বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।
ইভেন্টটির মডারেটর ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বেলারুশের স্থায়ী প্রতিনিধি। তিনি মানব পাচার বিরোধী গ্রুপ অফ ফ্রেন্ডস জোটের পক্ষে বক্তব্য রাখেন। প্যানেলিস্টগণের মধ্যে ছিলেন ইউএনওডিসি এর নির্বাহী পরিচালক, যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিরোধ ও মনিটরিং বিষয়ক অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ এবং বলিভিয়া, বেলজিয়াম ও মিশরের স্থায়ী প্রতিনিধিগণ। এছাড়া অনুষ্ঠানটিতে বক্তব্য রাখেন ইউএন উইমেন এর উপ-নির্বাহী পরিচালক এবং ইউএনওডিসি’র গ্লোবাল ফ্লাইট এগইনিস্ট হিউম্যান ট্রাফিকিং বিষয়ক শুভেচ্ছা দূত।
জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের এই ইভেন্টটিতে সদস্য দেশসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধি, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রতিনিধি এবং এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটিতে মানব পাচারের শিকার একজন নারী তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এ ধরনের ভার্চুয়াল ইভেন্টে বিপুল সংখ্যক উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিবর্গের অংশগ্রহণ বিশেষ তাৎপর্য বহণ করে।
বক্তাগণ কোভিড-১৯ মোকাবিলা ও উত্তরণ প্রচেষ্টায় মানবপাচার প্রতিরোধ বিষয়টিকে সন্নিবেশনের আহ্বান জানান এবং এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মধ্যে আরও অধিক সমন্বয় ও ব্যাপকভিত্তিক প্রচেষ্টা গ্রহণের উপর জোর দেন।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV