বাংলাদেশে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর ঘাঁটি নেই: মজি

মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা বলেছেন, বাংলাদেশে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর কোনো ঘাঁটি নেই। তবে সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি সমুদ্রসীমা ও স্থলসীমানায় পাহারার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক বছর ধরেই ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী। আজ সকালে মিন্টু রোডে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। পরে মজিনা বনানীতে মার্কিন পণ্যসামগ্রীর বিপণিকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন।
ডিবি কার্যালয়ের সভায় মজিনা: মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজন অনুযায়ী এখানে আসা-যাওয়া করেন। তাঁরা সন্ত্রাসবাদ দমনে সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশী বাহিনীগুলোকে প্রশিক্ষণ দেন। তাঁরা এখানে স্থায়ী নন। বিষয়টিকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের কোনো ব্যাপার আছে কি না, এ প্রশ্নের মজিনা বলেন, বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের নয়, সহযোগিতার। তিনি জানান, গত এক দশকে বাংলাদেশের পুলিশকে প্রশিক্ষণ ও যন্ত্রপাতি বাবদ এক কোটি ৯০ লাখ ডলার সহায়তা দেয়া হয়েছে। পুলিশের তিনটি বিশেষ বাহিনী গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছে। দলগুলো হলো: ডিবির বোমা অপসারণ দল, সোয়াত ও সন্ত্রাসবিরোধী আন্তদেশীয় অপরাধ দমন ইউনিট (সিটিটিইউসি)। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের পুলিশকে সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার বেনজির আহমেদ, ডিবির যুগ্ম কমিশনার মারুফ হাসান, ডিবির দুই কমিশনার মনিরুল ইসলাম ও মাহাবুবুর রহমান প্রমুখ।
বিপণিকেন্দ্রের উদ্বোধন: বনানীতে মার্কিন পণ্যসামগ্রীর বিপণিকেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে মজিনা বলেন, সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি সমুদ্রসীমা ও স্থলসীমানায় পাহারার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অনেক বছর ধরেই ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী। এ জন্য দপ্তর রাখাটা জরুরি নয়। মার্কিন বিশেষ বাহিনীর উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জোরালো সহযোগিতা রয়েছে। সোয়াত গঠনের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রথম প্যারা কমান্ডো গঠনে আমরা সহযোগিতা করেছি। দুর্যোগ মোকাবিলায়ও আমরা সহায়তা করেছি। ইতিমধ্যে ৫৪৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মাণের অপেক্ষায় আছে আরও ১১৬টি। মজিনা বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদ দমনের জন্য আমরা বাংলাদেশকে কার্যকর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সহযোগিতা করছি। সেনাবাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা রয়েছে। এসব বিষয়ে দুই দেশের সহযোগিতা রয়েছে। খুব শিগগিরই বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর দপ্তর খোলা হবে কি না, জানতে চাইলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমি তো এর কোনো প্রয়োজন দেখি না। দপ্তরে বসে থাকাটা জরুরি না। কার্যকর প্রশিক্ষণ প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট সহযোগিতা বাড়ানো দরকার। এ কাজ তো আমরা ভালোভাবেই করছি। বাংলাদেশে সন্ত্রাসের ঝুঁকি আছে কি না, জানতে চাইলে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সন্ত্রাসবাদের সত্যিকার ঝুঁকি আছে। এই ঝুঁকি যুক্তরাষ্ট্রেও আছে। শুধু বাংলাদেশ বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, যেকোনো গণতান্ত্রিক দেশেই এই ঝুঁকি রয়েছে।
মানবজমিন
- DRIVER CHARGED WITH MANSLAUGHTER IN DEADLY HIT-AND-RUN IN MARCH ON JAMAICA AVENUE
- নিউইয়র্কে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংসদ অধ্যাপক সেলিম ভূঁইয়াকে সংবর্ধনা, কুমিল্লা বিভাগ শুধু সময়ের ব্যাপার
- UN General Assembly Adopts Bangladesh-Led Culture of Peace Resolution
- বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’ বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
- নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় জল খাবার রেস্টুরেন্ট এর গ্র্যান্ড ওপেনিং
- New York Attorney General James Secures $375,000 from 1-800-Flowers for Deceiving Consumers About Automatic Subscription Renewals
- নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests