Thursday, 22 October 2026 |
শিরোনাম
ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইউএসএর সাধারণ সম্পাদক ড. সাদিয়া আফরিন এরা চরমোনাই পীরের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল, কুরআন-সুন্নাহর আলোকে বয়ান New York Attorney General James Secures Reimbursements for T-Mobile Customers Whose Rates Were Unjustly Raised নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে কুনু-ফিরোজ পরিষদের সাত দফা ইশতেহার ঘোষণা; কমিউনিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠা, সাশ্রয়ী ফিউনারেল সেবা, বিমানের সরাসরি ফ্লাইট ও আর্থিক স্বচ্ছতায় অঙ্গীকার ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন: জাতিসংঘে রাষ্ট্রদূত আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে প্রথমবারের মতো বিতর্ক, গুরুত্ব পেল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি New York Attorney General James Warns New Yorkers About AI-Generated Election Misinformation Ahead of November Elections Bangladesh calls for global treaty to protect victims of crimes against humanity নিউইয়র্কে জাতিসংঘে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি: মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রতিরোধে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সনদ প্রণয়নের আহ্বান সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপন করলে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাখ্যান, আবেদনপত্রে চাওয়া তথ্য সঠিক ও সম্পূর্ণভাবে দেওয়ার নির্দেশনা মার্কিন দূতাবাসের
সব ক্যাটাগরি

টাইটানিকের ক্যাপ্টেন মাতাল ছিলেন?

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 138 বার

প্রকাশিত: March 10, 2012 | 6:29 PM

এডওয়ার্ড স্মিথএডওয়ার্ড স্মিথ
 আটলান্টিক মহাসাগরে হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা খাওয়ার সময় টাইটানিক জাহাজের ক্যাপ্টেন মাতাল ছিলেন। ওই দুর্ঘটনার জন্য ক্যাপ্টেনই দায়ী। প্রথম যাত্রায়ই দুর্ঘটনায় পড়ে ডুবে যাওয়া টাইটানিকের এক যাত্রীর লেখা চিঠিতে এ অভিযোগ করা হয়েছে। ডেইলি মেইল পত্রিকার খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

খবরে বলা হয়, দুর্ঘটনার দিন টাইটানিকের ক্যাপ্টেনের মাতাল থাকার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্বিতীয় শ্রেণীর যাত্রী এমিলি রিচার্ডস ওই চিঠি লেখেন। সমপ্রতি চিঠিটি পাওয়া যায়। এতে এমিলি লিখেছেন, হিমশৈলের সঙ্গে ধাক্কা লাগার কয়েক ঘণ্টা আগে ক্যাপ্টেন এডওয়ার্ড স্মিথ জাহাজের বারে বসে মদ পান করেন। এমিলি এই দৃশ্য নিজে দেখেছেন।
টাইটানিক দুর্ঘটনাসংক্রান্ত একাধিক ইতিহাস বইয়ে বলা হয়, হিমশৈলে ধাক্কা খাওয়ার সময় ক্যাপ্টেন তাঁর কেবিনে ঘুমাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁকে ঘুম থেকে জাগানো হয়।
ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যাওয়ার পথে ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল অর্ধনিমজ্জিত হিমশৈলে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায় বিলাসবহুল প্রমোদতরী আরএমএস টাইটানিক। জাহাজটিতে তখন দুই হাজার ২২৮ জন আরোহী ছিল। এমিলি (২৪) ও তাঁর দুই সন্তানকে দুর্ঘটনার দুই দিন পর উদ্ধার করা হয়। এমিলির ভাই জর্জসহ এক হাজার ৫২২ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। উদ্ধারের পর নিউইয়র্কে ফেরার পথে শাশুড়িকে ওই চিঠি লেখেন এমিলি। নিউইয়র্কে পৌঁছার পর অন্য একটি চিঠিতেও প্রায় একই ধরনের অভিযোগ করেন তিনি। ইংল্যান্ডের নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ‘হেনরি অলরিজ অ্যান্ড সন’ আগামী ৩১ মার্চ চিঠিটি নিলামে তুলছে।
এত দিন বলা হতো, ক্যাপটেন স্মিথ (৬২) ওই রাতে জাহাজের প্রথম শ্রেণীর রেস্তোরাঁয় নৈশভোজে অংশ নেন। এরপর নিজের কেবিনে ঘুমাতে যান।
টাইটানিক বিশেষজ্ঞ উনা রেইলি প্রশ্ন তুলেছেন, এমিলির বক্তব্য যদি সত্যিই হয়, তাহলে তিনি এত দিন এ কথা প্রকাশ করেননি কেন? উনা বলেন, হতে পারে, ক্যাপ্টেন বারে গিয়েছিলেন। কিন্তু এর অর্থ এই নয়, তিনি মদ পান করে মাতাল হয়ে পড়েছিলেন।
বেলফাস্টের হারল্যান্ড অ্যান্ড উল্ফ শিপইয়ার্ডে নির্মিত টাইটানিক তার ভ্রমণের সময় ছিল বিশ্বের বৃহত্তম সক্রিয় জাহাজ। পিটিআই অনলাইন। প্রথম আলো

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ