Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির ইফতার মাহফিল, স্টেট এ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদানের চেক হস্তান্তর এ্যাসেম্বলীওম্যান জেনিফার রাজকুমারের বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ও সিনিয়র সিটিজেন ফোরাম অব বাংলাদেশী কমিউনিটি’র ইফতার মাহফিল
সব ক্যাটাগরি

অবিলম্বে জলবায়ু তহবিল গঠন করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 67 বার

প্রকাশিত: September 21, 2010 | 11:45 PM

দক্ষিণ এশীয় নেতাদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার নিউইয়র্কে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ওপর অনুষ্ঠিত সভায় ভাষণ দেন পিআইডি

ইউএসএনিউজএনওয়াই ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবিলম্বে আন্তর্জাতিক জলবায়ু পরিবর্তন তহবিল গঠন ও কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জোরালো ব্যবস্থা না নেওয়ায় দৃশ্যত বিশ্বনেতাদের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, আমাদের দেশের মতো অধিকাংশ দেশেই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবেলায় সম্পদের সীমাবদ্ধতা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা রয়েছে। সে কারণেই আমাদের দাবির মূল কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত জরুরি ভিত্তিতে জলবায়ু তহবিল গঠন ও এটাকে আশু কার্যকর করা। গত বছর কোপেনহেগেনে কপ-১৫-এ বিশ্বসম্প্রদায় এ বিষয়ে একমত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরের উত্তর লন ভবনে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) সংক্রান্ত দক্ষিণ এশীয়
নেতাদের এক বৈঠকে এ জোর দাবি ব্যক্ত করেন। এ বৈঠকে দক্ষিণ এশীয় নেতৃবৃন্দ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি এবং এমডিজির ওপর এর প্রভাব পর্যালোচনা করেন। খবর বাসস ও ইউএনবির।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু অভিবাসনের ভয়াবহ সমস্যা সম্পর্কে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, পরিস্থিতি মোকাবেলায় অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উন্নত বিশ্বের সহায়তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন অপরিহার্য।
শেখ হাসিনা বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাস বিশ্ব উষ্ণায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্বে ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য দায়ী। বিশ্বের জলবায়ু অস্থিতিশীল করার জন্য দায়ী দেশগুলোকে অবশ্যই কার্বন নিঃসরণ বন্ধে আইনগত বাধ্যবাধকতা বিষয়ক চুক্তির ব্যাপারে দ্রুত সম্মত হতে হবে।
তিনি অভিযোজন ও প্রশমন বিষয়ক সব পরিকল্পনা সফল করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, কেবল এর মাধ্যমেই জনগণকে ভৌগোলিক সীমানার ভেতর ধরে রাখা সম্ভব। অন্যথায় অধিক হারে মানুষ সীমান্ত পাড়ি দেওয়া শুরু করলে অনাকাঙ্ক্ষিত সংকটের সৃষ্টি হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে কেবল বাংলাদেশ থেকেই তিন কোটি লোক উত্তরে পাড়ি জমাবে এবং এতে ভয়াবহ সামাজিক ও আন্তঃসীমান্ত সমস্যার সৃষ্টি হবে।
তিনি বলেন, জলবায়ু তহবিল গঠনে ধনী ও উন্নত দেশগুলোর আরও উদার হওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া মাথাপিছু আয় ও জলবায়ু ঝুঁকির সূচকের ওপর ভিত্তি করে এ তহবিল বণ্টন করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নশীল দেশের জন্য ০.৭ শতাংশ জিএনআই ও স্বল্পোন্নত দেশের জন্য ০.২ শতাংশ জিএনইর সঙ্গে এ অনুদানকে সম্পৃক্ত করা যাবে না। এছাড়া উন্নয়নশীল দেশে বিনামূল্যে পরিবেশ বিষয়ক প্রযুক্তি হস্তান্তরে তাদের অবশ্যই সম্মত হতে হবে। অন্যথায় ২০১৫ সালের মধ্যে এমডিজি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, একে অপরকে দায়ী করার সময় আর নেই। বিশ্ব সল্ফপ্রদায়ের প্রয়োজনীয় ত্যাগ স্বীকারের সময় এখনও ফুরিয়ে যায়নি। অন্যথায় নিজেদের সৃষ্ট দুর্ভোগ নিজেদেরই পোহাতে হবে। ইতিমধ্যে নাজুক ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার কিছু দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে।
ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে অনুষ্ঠিত সার্ক সম্মেলনের কয়েক মাস পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এই প্রথম দক্ষিণ এশীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে দক্ষিণ-দক্ষিণ ও উত্তরেরসহযোগিতা চাই
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল দেশগুলোর (এলডিসি) অন্যতম প্রধান দুশ্চিন্তার বিষয় খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে দক্ষিণ-দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে সহযোগিতা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গতকাল নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে এলডিসি নেতাদের এক বৈঠকে এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা আমাদের এলডিসির প্রধান উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তার কারণ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে জলবায়ু পরিবর্তন এবং ২০০৮ সালের বিশ্বমন্দা বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট তৈরি করেছে। এমনকি টাকাওয়ালা দেশগুলোকেও খাদ্য কিনতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে।’
শেখ হাসিনা খাদ্য সংকট মোকাবেলায় কিছু নতুন কৌশল গ্রহণের আহ্বান জানান। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ-দক্ষিণ ও উত্তরের মধ্যে সহযোগিতা, এক দেশের অনাবাদি ভূমি চাষের জন্য অন্য দেশের বাড়তি কৃষক নিয়োগ এবং উত্তরের (উন্নত) দেশগুলোর প্রযুক্তি ও সাজসরঞ্জামগত সহায়তা। এলডিসি নেতাদের তিনি বলেন, নিজস্ব চাহিদা মেটানো, রফতানি এবং বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এটাই হবে আদর্শ ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক বিশ্বমন্দা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) অর্জনের পথে কিছু গুরুতর বাধা তৈরি করেছে। এ দুটি সংকটের উৎপত্তিস্থল উন্নত বিশ্ব। অথচ এর সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে এলডিসি। কারণ এতে এসব দেশের বিনিয়োগ, রেমিটেন্স, পর্যটন এবং রফতানি কমছে। সংকট দেখা দিচ্ছে খাদ্য ও জ্বালানির।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ নানা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তাদের পুনর্বাসনের জন্য জাতিসংঘের অধীনে একটি আইনগত প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠেয় কানকুন সম্মেলনে ঐক্যবদ্ধ আহ্বান জানাতে হবে। আর এই আইনগত কাঠামো গঠনে ভিত্তি হবে গতবারের কোপেনহেগেন সম্মেলন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ জলবায়ু তহবিল দ্রুত গঠনের পক্ষে। কারণ, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে ৩ কোটি ১৪০টি দ্বীপে বসবাস করে। সমুদ্রতলের উচ্চতা আর এক মিটার বাড়লে এসব দ্বীপ তলিয়ে যাবে। আর সে কারণেই আমরা এ তহবিলের দিকে চেয়ে আছি। আমরা এ তহবিলের দ্রুত বণ্টনও চাই, যাতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অ্যাকশন প্ল্যানের ১৩৪ দফা দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়।’
প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসীদের বিষয়ে এলডিসির ঐকমত্য কামনা করে উল্লেখ করেন, বিজ্ঞানীদের হিসাব মতে, ২০৫০ সাল নাগাদ জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিজনিত অভিবাসী সংখ্যা দাঁড়াবে একশ’ কোটি। আর প্রতি ৪৫ জন মানুষের মধ্যে একজন হবেন এর শিকার। এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির কারণে বেশিরভাগ মানুষই দেশ ছাড়তে চাইবে এবং তারা হবে প্রধানত এলডিসির সদস্য। তারা অভিবাসী হবে এলডিসির দেশগুলোরই মধ্যে অথবা অন্য কোনো দেশে। আর এ ধরনের অভিবাসন আমাদের বিশৃঙ্খলা, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আন্তঃসীমান্ত সংঘাতসহ নানা সমস্যা তৈরি করবে। শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, বিশ্বমন্দা থেকে পুনরুদ্ধারে আর্থিক প্রণোদনা বেশ সহায়ক হয়েছে। কিন্তু এটা কোনো স্থায়ী ও টেকসই সমাধান নয়। তিনি বলেন, ব্রেটন উডস প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সনদও অবাস্তব ভূমিকা পালন করছে। যে কোনো ভালো পরিবর্তনের জন্য এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর অবশ্যই বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফে শক্তিশালী ভূমিকা থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুল্ক ও কোটাসহ উন্নত দেশগুলোকে আরও উদার বাণিজ্য ছাড় দিতে হবে। এলডিসিভুক্ত দেশগুলোকে দিতে হবে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার। এ প্রসঙ্গে তিনি ডবি্লউটিওর দোহা রাউন্ড আলোচনা অবিলম্বে শেষ করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।
এমডিজি অর্জনে উন্নত দেশগুলোকে প্রতিশ্রুতিরক্ষার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নশীল দেশগুলোর সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণে আন্তরিক হতে উন্নত দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সালের সময়সীমার মধ্যে এমডিজির নিজস্ব কাঙ্ক্ষিত টার্গেটে পেঁৗছতে বাংলাদেশের প্রয়োজন বছরে ৪৪০ কোটি মার্কিন ডলার। প্রধানমন্ত্রী সোমবার জাতিসংঘ সদর দফতরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশাপাশি সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজি) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে এ আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘের সহায়তায় ‘নিজেদের জন্য এমডিজি চাহিদা, মূল্যায়ন ও ব্যয়’ শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করেছে। রিপোর্টে উলেল্গখ করা হয়েছে, ২০০৯-২০১৫ সাল মেয়াদে সহস্রাব্দ উন্নয়নের সব লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের ২ হাজার ২১০ কোটি ডলার অর্থাৎ প্রতি বছর ৪৪০ কোটি ডলার প্রয়োজন।
প্রায় ১৪০ জন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতিতে তিন দিনের এ সম্মেলনে শেখ হাসিনা এমডিজি ও অন্যান্য কর্মসূচি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের দৃঢ় সংকল্প ও অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২১ সালের মধ্যে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, ২০১৫ সালের মধ্যে শতভাগ শিশুর স্কুলে ভর্তি নিশ্চিত, ২০১৫ সালের মধ্যে শিক্ষার সব পর্যায়ে জেন্ডার বৈষম্যের অবসান, ২০২১ সালের মধ্যে অর্থনৈতিক কর্মকা ে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৪০ শতাংশে উন্নীতকরণ, প্রসূতি ও শিশু মৃত্যুহার হাজারে ১৫-তে হ্রাস, গড় আয়ু ৭০ বছরে উন্নীত করা, ২০১১ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ এবং ২০২১ সালের মধ্যে জাতীয় আইসিটি নীতি বাস্তবায়ন করে বৈশ্বিক যোগাযোগ স্থাপন করার মাধ্যমে একটি ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে চাই।
উলেল্গখ্য, শেখ হাসিনা ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ শীর্ষ সম্মেলনে এমডিজি অনুমোদনকারী ১৮৯ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এমডিজি শীর্ষ বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী এএমএ মুহিত, পরিকল্পনামন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) এ কে খন্দকার, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. রুহুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, অ্যাম্বাসাডর অ্যাট লার্জ এম জিয়া উদ্দিন, সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, নূরে আলম চৌধুরী লিটন এমপি ও আক্কু চৌধুরী।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানকারী মহিলা প্রতিনিধিদের সম্মানে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ট্যাগ:
Situs Streaming JAV