অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার-অ্যাসাল’র ১৫ তম বার্ষিক কনভেনশন : ‘অর্গানাজিং লোকালি-ইমপেক্টিং গ্লোবালি’ (ভিডিও সহ)
সাখাওয়াত হোসেন সেলিম, ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : ‘অর্গানাজিং লোকালি-ইমপেক্টিং গ্লোবালি’ এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার-অ্যাসাল’র ১৫ তম বার্ষিক কনভেনশন। গত ১১ ডিসেম্বর রোববার সন্ধ্যে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কুইন্সের শেরাটন লাগোর্ডিয়া ইস্ট হোটেলের বিশাল হল রুমে এ কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ণাঢ্য আয়োজন আর উৎসবমুখর পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রে মূলধারায় দক্ষিণ এশিয়ার ৮ দেশীয় ইমিগ্র্যান্টদের একমাত্র সংগঠন অ্যাসালের এ ব্যতিক্রমী মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। রেকর্ড সংখ্যক জনপ্রতিনিধি সহ দক্ষিণ এশিয় ইমিগ্র্যান্টদের সরব উপস্থিতিতে বিশাল হল রুম মুখরিত থাকে। খবর ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম’র।
কনভেনশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অ্যাসালের ১৫ তম বার্ষিক কনভেনশন কমিটির চেয়ার ও একুশে পদক প্রাপ্ত লেকক-বিজ্ঞানী ড. নুরান নবী।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যাসালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা মূলধারার প্রখ্যাত লেবার লিডার মাফ মিসবাহ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী ভাষণ দেন মার্কিন সিনেটের মেজরিটি লিডার চাক শুমার, ইউএস হাউস ডেমোক্রেটিক লিডার হাকিম জেফ্রিস, নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস, নিউইয়র্ক স্টেট কম্পট্রোলার থমাস দিনাপলি, নিউইয়র্ক সিটি কম্পট্রোলার ব্র্যাড ল্যান্ডার সহ জাতীয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ।
অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন অ্যাসালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা মাফ মিসবাহ উদ্দিন ও ন্যাশনাল সেক্রেটারী এম করিম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালী আরও ভাষণ দেন নিউইয়র্ক স্টেটের মার্কিন সিনেটর ড. কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ড; নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিয়া জেমস, নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা আন্দ্রেয়া স্টুয়ার্ট-কাজিন, নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির স্পিকার কার্ল হেস্টি, জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান এবং জর্জিয়া থেকে নির্বাচিত সিনেটর নাবিলা ইসলাম প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডোনোভান রিচার্ডস, স্টেটেন আইল্যান্ড এবং ব্রুকলিনের সিনেটর ডায়ানা সাভিনো, নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান কুইন্স এডি ২৪ ডেভিড আই. ওয়েপ্রিন, অ্যাসেম্বলিম্যান কুইন্স এডি ২৬ এডওয়ার্ড ব্রাউনস্টেইন, অ্যাসেম্বলি মেম্বার ব্রঙ্কস এডি ৮৭ ক্যারীনেস রেইস, অ্যাসেম্বলি মেম্বার ব্রুকলিন এডি ৪২ রিডনিসে বিচোটে হারমেলিন, অ্যাসেম্বলি ওমেন কুইন্স এডি ৩৪ জেসিকা গঞ্জালেজ রোজাস, অ্যাসেম্বলিম্যান কুইন্স এডি ৩১ জাহরান মামদানি, অ্যাসেম্বলি ওমেন কুইন্স এডি ৩৯ ক্যাটালিনা ক্রুজ, অ্যাসেম্বলিওম্যান ব্রঙ্কস এডি ৮৬ ইউডেলকা তাপিয়া, অ্যাসেম্বলিওম্যান কুইন্স এডি ৩৮ জেনিফার রাজকুমার, অ্যাসেম্বলিম্যান-নির্বাচিত কুইন্স এডি ৩০ স্টিভ রাগা, কাউন্সিলম্যান ম্যানহাটান সিডি ৬ গ্যালে এ ব্রিউয়ার, কাউন্সিলম্যান কুইন্স সিডি ২০ স্যান্ড্রা উং, কাউন্সিলম্যান কুইন্স সিডি ২৫ শেখর কৃষ্ণান, কাউন্সিলওম্যান কুইন্স সিডি ২৩ লিন্ডা লি, কাউন্সিলওম্যান কুইন্স সিডি ২৭ নানতাশা উইলিয়ামস, কাউন্সিলওম্যান ব্রুকলিন সিডি ৪০ রিটা জোসেফ, কাউন্সিলওম্যান স্টেটেন আইল্যান্ড সিডি ৪৯ কামিলা হ্যাঙ্কস, লোকাল ১৯৩০ প্রেসিডেন্ট ডেবোরা অলম্যান, অ্যাসালের ন্যাশনাল ট্রাস্টি ইউটিসি এসোসিয়েটস’র সিইও ইঞ্জিনিয়ার আজিজ আহমেদ, ডেমোক্রেট লিডার এটর্নী মঈন চৌধুরী সহ মূলধারার নির্বাচিত কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। কনভেনশনে অতিথিরা ছাড়াও অ্যাসাল’র বিভিন্ন চ্যাপ্টারের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
স্বাগত বক্তব্যে অ্যাসালের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা মাফ মিসবাহ উদ্দিন অ্যাসাল’র লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, এবারের থিম “স্থানীয়ভাবে সংগঠিত করা, বিশ্বব্যাপী প্রভাবিত করা”। মূলধারার রাজনীতিতে দক্ষিণ এশীয়দের অবস্থান আরো সুসংহত করতে অ্যাসাল দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশিয়রা যাতে নিজ নিজ অধিকার ও মর্যাদা সুসংহত রাখতে পারেন সে লক্ষে ‘অ্যাসাল’ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, অ্যাসাল গ্লোবালী চিন্তা-চেতনায় তৃণমূল থেকে ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশীসহ দক্ষিণ এশিয়ানদের বিভিন্ন দাবি দাওয়া জোরালোভাবে উপস্থাপন করছে। ইমিগ্র্যান্টদের নানা ইস্যুগুলো জনপ্রতিনিধিদের ইস্যুতে পরিণত করে তা বাস্তবায়নে কাজ করছে অ্যাসাল। তিনি বলেন, নির্বাচিত কর্মকর্তাদের আমাদের সমস্যাগুলো জানতে, শুনতে এবং কথা বলতে হবে। আমরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি তা সমাধান করতে পারি না। আজ আমরা অনেক নির্বাচিত কর্মকর্তার কাছ থেকে শুনব যারা আমাদের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি দেবেন যে তারা অ্যাসাল এবং আমরা যে সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করি তাদের সাহায্য করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন।” তিনি অ্যাসাল’র ১৮ চ্যাপ্টারের কাজের স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, “আমাদের আত্ম-কেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয়, আশেপাশের লোকদের কেন্দ্র হওয়া উচিত আমাদের।”
মাফ মিসবাহ উদ্দিন অ্যাসালের আমন্ত্রণে কনভেনশনে যোগদানের জন্য সকলের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা অত্যন্ত সম্মানিত যে, মেয়র এরিক অ্যাডামস তার ব্যস্ত সময়সূচী সত্ত্বেও আমাদের সাথে যোগ দিয়েছেন।
মেয়র এরিক অ্যাডামস তার বক্তৃতায় বলেন, “অ্যাসাল আমার পুরানো বন্ধু, আমরা এর আগেও একসাথে কাজ করে ছিলাম। আমি ইউনিয়নের সদস্য ছিলাম, আমি ইউনিয়নকে চিনি, আমি শ্রমিক আন্দোলনের অংশ ছিলাম, চুক্তির আলোচনা স্থির হবে, একসাথে আমরা এই শহরকে এগিয়ে নিয়ে যাব।” তিনি বলেন, আমরা নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছি এবং এটি উন্নত হচ্ছে, আমরা জানি নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা আমাদের জনগণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের অর্থনীতি উন্নত হচ্ছে, লোকেরা পূর্ণকালীন চাকরি শুরু করছে এবং আমাদের শহর ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে। আমাদের সম্প্রদায়গুলো যে সমস্ত সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে আমরা একসাথে তার সমাধান করব।
ইউএস হাউস ডেমোক্রেটিক নেতা হাকিম জেফ্রিস অ্যাসালের প্রশংসা করে বলেন, যখন আমাদের দেশের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল তখন অ্যাসালের সদস্যরা সারা দেশে কঠোর পরিশ্রম করেন এজন্য তাদের ধন্যবাদ। তিনি বলেন, “অ্যাসাল হল একটি শক্তিশালী সুসংগঠিত বাহিনী যা শুধু দক্ষিণ এশীয়দের নয়, দেশের প্রতিটি সম্প্রদায়কে সাহায্য করে। আমাদের সমস্যা একই। আপনার এবং আমার গল্প একই। আমি একটি শ্রমজীবী পরিবার থেকে এসেছি, এবং আমার বাবা-মা উভয়ই ইউনিয়ন সদস্য ছিলেন। হাউস ডেমোক্রেটিক নেতা হিসেবে আমি আপনাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিই, আমি শ্রমজীবী মানুষের সাথে থাকব, দক্ষিণ এশীয়দের সাথে অ্যাসালের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খরচ কমাতে, বেতন বৃদ্ধি এবং আরও ভাল নিরাপত্তার জন্য লড়াই করব। আমরা শ্রমজীবীদের জন্য, অ্যাসালের জন্য এবং আমাদের সম্প্রদায়ের প্রত্যেকের জন্য যা করতে পারি তা করব”।
ইউএস কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বলেন, ২০১২ সালে যখন আমি প্রথমবার কংগ্রেসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তখন আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য অ্যাসাল কে ধন্যবাদ। অ্যাসাল ছাড়া কোনো শ্রমিক সংগঠন সে সময় তার প্রার্থিতা সমর্থন করেনি। তিনি অ্যাসাল স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশংসা করে বলেন, তারা শুধুমাত্র নিউইয়র্ক স্টেটেই নয় সারা দেশে কাজ করেছে। তিনি জর্জিয়ার সিনেটের পুনঃনির্বাচনে অ্যাসাল এর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, যেখানে সিনেটর ওয়ার্নক ডেমোক্রেটদের ৫১-৪৯ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিতে জিতেছিলেন! তিনি বলেন, “অ্যাসাল প্রথম থেকেই আমার সাথে ছিল, আমি সবসময় অ্যাসলের সাথে থাকব।”
নিউইয়র্ক স্টেট কম্পট্রোলার ডিনাপোলি বলেন, “অ্যাসাল জানে আমরা তাদের ভালোবাসি, আমরা তাদের সাথে আছি এবং তারা আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য এবং বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের জন্য যা করে আমরা তার প্রশংসা করি। অ্যাসালকে সাহায্য করার জন্য আমরা কিছু করতে পারি তাহলে অনুগ্রহ করে নির্দ্বিধায় আমাদের বলুন। আপনাদের সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।”
কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডোনোভান রিচার্ডস বলেন, “অ্যাসাল আমার পাশে দাঁড়িয়েছে এবং মাইনাস-ডিগ্রি ঠান্ডার মধ্যেও আমার সাথে প্রচারণা চালিয়েছে। আমি সবসময় অ্যাসাল’র সাথে থাকব। অ্যাসাল’র ভাল কাজ সমগ্র নিউইয়র্ক জুড়ে ছড়িয়ে আছে। আমরা অ্যাসাল কে নিয়ে গর্বিত।”
উদ্বোধক কনভেনশন কমিটির চেয়ার ড. নুরান নবী সকলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আমি কনভেনশন কমিটির চেয়ার হিসেবে ১৫তম বার্ষিক কনভেনশনের উদ্বোধন করার সৌভাগ্য হয়েছে। এজন্য আমি সম্মানিত বোধ করছি। কিন্তু আমি অ্যাসাল এর আজীবন সদস্য হতে পেরে আরও গর্বিত। আমি অনেক গর্ব করে বলতে পারি যে ২০০৮ সালে অ্যাসাল এর সাথে ছিলাম যখন এটি যাত্রা শুরু করেছিল। অ্যাসাল সম্প্রদায়ের জন্য যা করে তা অতুলনীয় এবং আমরা সবাই অ্যাসাল কে পুরো আমেরিকা জুড়ে নিয়ে যেতে এবং দক্ষিণ এশীয়দের আমেরিকার সবচেয়ে সক্রিয় গোষ্ঠীতে রূপান্তর করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
ইউটিসি এবং কোডার্স ট্রাস্টের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী আজিজ আহমেদ বলেন, “অ্যাসাল নেতাদের, বিশেষ করে কিংবদন্তি শ্রমিক নেতা প্রতিষ্ঠাতা মাফ মিসবাহ উদ্দিনকে অভিনন্দন জানাই। অ্যাসাল আমাদের সম্প্রদায়ের জন্য যা করেছে এবং এটি যা অর্জন করেছে আমি তার জন্য খুবই গর্বিত। তার মতে, সম্প্রদায়ের প্রত্যেকেরই অ্যাসাল -এ যোগ দেওয়া উচিত এবং তাদের আন্দোলন জোরদারে সাহায্য করা উচিত। আমি সবাইকে এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকতে এবং এর সাফল্যে অবদান রাখার জন্য অনুরোধ করছি।”
সেক্রেটারী এম করিম চৌধুরী কনভেনশনে বিগত বছরের কার্যক্রম তুলে ধরে অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটিসহ বিভিন্ন চ্যাপ্টারের কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন। এসময় তিনি ১০টি রাজ্যের ১৮টি চ্যাপ্টারের কার্যক্রমের বিবরণ তুলে ধরেন। সম্মেলনে অধিকাংশ অধ্যায়ের সভাপতি, সেক্রেটারি এবং মহিলা কমিটির সভাপতিরা সংক্ষিপ্তভাবে বক্তব্য রাখেন।
করিম চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মাফ মিসবাহ উদ্দিনের একটি দৃষ্টিভঙ্গি ছিল এবং তিনি আমাদের সম্প্রদায় এবং মূলধারার রাজনীতির মধ্যে সেতু হিসেবে অ্যাসাল কে তৈরি করেছিলেন। তিনি যা কল্পনা করেছিলেন আজ আমেরিকা জুড়ে তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যদি আরও কঠোর পরিশ্রম করতে থাকি তাহলে এমন একটি আমেরিকা তৈরি করতে পারব যেখানে প্রতিটি দক্ষিণ এশিয়ান তাদের আমেরিকান স্বপ্ন পূরণ করতে পারবেন।”
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অ্যাসালের ন্যাশনাল করেসপন্ডিং সেক্রেটারী জেড মাতালন। কনভেনশনের শুরুতে শপথ বাক্য পাঠ করান অ্যাসাল স্ট্যাটেন আইল্যান্ড চ্যাপ্টারের ইউথ কমিটির ১০ বছর বয়সী মিনহা মাহজাবীন।
কনভেনশনে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা, মূলধারা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড সহ যুক্তরাষ্ট্রে নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য স্টেট ও সিটি গভর্ণমেন্টের পক্ষ থেকে অ্যাসালকে প্রক্লেমেশন ও সাইটেশন প্রদান করা হয়। ১৫ তম বার্ষিক কনভেনশন উপলক্ষে অ্যাসাল তথ্য সমৃদ্ধ একটি বিশেষ জার্নাল প্রকাশ করে।
অনুষ্ঠানে মূলধারার রাজনীতিক, কংগ্রেসম্যান, নিউইয়র্ক স্টেট ও সিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি, কর্মকর্তা, শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, কমিউনিটি লিডার, সাংবাদিক, অ্যাসাল সদস্য সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন।
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








