চিত্রশিল্পী এবং অলঙ্করণ শিল্পী বাংলাদেশি-আমেরিকান ফাহমিদা আজিমের পুলিৎজার পুরস্কার জয়
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক, নিউইয়র্ক: সাংবাদিকতা ও প্রকাশনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্মানজনক সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন চিত্রশিল্পী এবং অলঙ্করণ শিল্পী বাংলাদেশি-আমেরিকান ফাহমিদা আজিম।
জানা যায়, ছয় বছর বয়সে মা-বাবার সাথে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভার্জিনিয়ায় অভিবাসন হয়েছিল ফাহমিদা আজিমের। তার স্বপ্ন ছিল খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী হওয়ার। সেভাবেই বেড়ে উঠেছেন উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণের মধ্য দিয়ে।
এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার ৯ মে নিউইয়র্কের কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ঘোষণা করা হয়। ফাহমিদা আজিম বর্তমানে ওয়াশিংটন রাজ্যের সিয়াটলে বসবাস করেন বলে পুলিৎজার ওয়েবসাইটের দেখা গেছে। তিনি অন্য চারজনের সাথে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছেন চিত্র বিশ্লেষণ ও অলঙ্করণের জন্য।
ইনসাইডার ওয়েবসাইট প্রকাশিত ‘হাউ আই এসকেপড আ চায়নিজ ইন্টারমেন্ট ক্যাম্প’ (যেভাবে একটি চীনা বন্দিশিবির থেকে পালিয়ে এসেছি) শিরোনামের ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টে অলঙ্করণের জন্য তিনি এ পুরস্কার জিতে নেন।
ফাহমিদা লেখাপড়া করেছেন কমিউনিকেশন্স আর্টে এবং বর্তমানে তিনি ওয়াশিংটন স্টেটের সিয়াটলে একটি কোম্পানিতে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে চাকরি করছেন। তাঁর আগ্রহ হচ্ছে বাস্তবজীবনে মানুষের বিশেষ বৈচিত্র্যময় জীবনযাপনের ওপর। সেই প্রতিপাদ্যকে কাজে লাগিয়েই ফাহমিদা আঁকেন এবং লিখেন। এমনকি সে সব বিশেষ বৈশিষ্ট্যের মানুষদের খাদ্যাভাসকেও তিনি তার কাজে তুলে ধরেন।
ফাহমিদা হচ্ছেন প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান যিনি পুলিৎজার পুরস্কার পেলেন। ফাহমিদা আজিম এর আগে ‘সামিরা সার্ফ’ বইটিতে অলঙ্করণের জন্যে এ বছরই ‘গোল্ডেন কাইট’ পুরস্কার পেয়েছেন। ২০২০ সালে ‘মুসলিম উইমেন আর এভরিথিংস’, ২০২১ সালে ‘আমিরার পিকশ্চার ডে’ গ্রন্থের প্রচ্ছদ করার জন্যও তিনি পুরস্কার পেয়েছিলেন। তাঁর চেতনায় সব সময় উজ্জীবিত থাকে মুসলিম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা। ইতিপূর্বে তার ইলাস্ট্রেশন ছাপা হয় নিউইয়র্ক টাইমস, দ্য নিউইয়র্কার, সায়েন্টিফিক আমেরিকান, দ্য ইন্টারসেপ্ট, এন্টারটেইনমেন্ট উইকলিতে। ফাহমিদা ‘মেগা মেঘা’ নামক একটি উপন্যাস লিখছেন, যার অলঙ্করণ নিজেই করবেন। ফাহমিদা কাজের মূল চেতনা- বহুজাতিক সমাজে মুসলিম নারীদের সংস্কৃতি, ব্যক্তিস্বতন্ত্রতা এবং তাদের মধ্যে পারষ্পারিক যোগাযোগ নিয়ে।
১৯১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদপত্র প্রকাশক জোসেফ পুলিৎজারের মৃত্যুর পর তার উইল অনুসারে এবং দান করা সম্পদ দিয়ে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে সাংবাদিকতার স্কুল চালু করা হয় এবং এই পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
শুরুতে সাংবাদিকতায় চার বিভাগে, চিঠিপত্র ও নাটকের জন্য চার বিভাগে, শিক্ষায় একটি পুরস্কার এবং পাঁচটি ভ্রমণ বৃত্তি দেওয়া হতো। বর্তমানে সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকতা, লেখালেখি ও আলোকচিত্রের জন্য ১৫টি বিভাগে এবং বই, নাটক ও সঙ্গীতের জন্য সাতটি বিভাগে পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।
- নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
- নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে
- নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল
- Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance.
- New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements
- নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল
- রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত








