নিউইয়র্কে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস-বাফা’র বর্ণিল বৈশাখী উৎসব (ভিডিও সহ)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে বৈশাখ জুড়ে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা) উদযাপন করেছে নানা বৈচিত্রময় আয়োজন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৪ মে সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের ১৫১৪ ওলমস্টেড এভিনিউর পিএস ১০৬ মিলনায়তনে “শঙ্খ বাজে চিত্ত মাঝে” শিরোনামে অনুষ্ঠিত হলো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।
শামিম আরা বেগম ও গোলাম মোস্তফার উপস্থাপনায় বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠান শুরু হয় শিশু-কিশোর ও বড়দের অংশগ্রহনে সমবেত সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে। সদ্য প্রয়াত রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী সাদি মোহম্মদ স্মরণে শিল্পীরা গেয়ে উঠেন ‘ আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে”। সমবেত সংগীত পরিচালনায় ছিলেন তানভীর তমাল। এ সময় দর্শকসারীতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এরপর ছিল বাফার শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় দলীয় নৃত্য। নৃত্য প্রশিক্ষক রাসেল আহমেদের পরিচালনায় আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে ও আমরা নতুন যৌবনের দূত গানের সাথে দলীয় নৃত্য মন কেড়ে নেয় দর্শকদের। নৃত্য প্রশিক্ষক শাচী পেনীর পরিচালনায় বাফার শিল্পীদের পরিবেশনায় ক্ল্যাসিকেল নৃত্যের উপস্থাপন ছিল অসাধারণ।
অনুষ্ঠানে বরেণ্য অভিনয় শিল্পী রেখা আহমেদ ও বর্ষীয়ান সাংবাদিক মনজুর আহমদকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাফার পরিচালনা পর্ষদ সদস্য মুনিরা ও ফারজানা এবং নৃত্য বিভাগের শিক্ষার্থী অস্মিতা ও জান্নাত আলোকিত এই দুই অগ্রজকে ফুল দিয়ে বরণ করেন। সম্মাননা পর্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ। রেখা আহমেদের প্রতি সম্মান জানিয়ে অভিনয় শিল্পী শিরিন বকুল অভিনয় করেন রেখা আহমেদের লেখা ও অভিনীত নাটক বীরাঙ্গনা সখিনা। মানপত্র পাঠ করেন ক্লারা রোজারীও ও খায়রুল ইসলাম পাখী। উত্তরীয় পরিয়ে দেন মোশারফ হোসেন ও জুলফিকার হোসেন বকুল। ক্রেস্ট তুলে দেন সাংবাদিক কৌশিক আহমেদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব মুজিব বিন হক। মানপত্র তুলে দেন ফরিদা ইয়াসমিন ও শামীম আরা বেগম।
বাফা’র কর্ণধার ফরিদা ইয়াসমিন তাঁর বক্তব্যে বলেন, অভিনয় শিল্পী রেখা আহমেদ ও বর্ষীয়ান সাংবাদিক মনজুর আহমদকে সংবর্ধনা দিতে পেরে বাফা গর্বিত। বাফার শিক্ষার্থী তথা নতুন প্রজন্ম তাদের দৃষ্টান্ত অনুসরন করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাবে। এছাড়াও শিশু কিশোরদের বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার লক্ষ্যে যে সকল অভিভাবক বাফার সাথে যুক্ত হয়েছেন তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান।
বর্ষবরণের এই আয়োজনে মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশন করেন বাফার শিক্ষার্থীরা। পুতুল নাচ, হেই সামালো, নিটোল পায়ে রিনিঋিনি, টাপা টিনি, বাংলাদেশের ঢোল এই চমতকার সব গানের সাথে নাচের কোরিওগ্রাফী করেছেন প্রশিক্ষক রাসেল আহমেদ। নৃত্য পরিবেশনায় ছিল সারাফ, কথা , নাসিমা, অদিতিয়া, জয়িতা, আবৃত্তি, তনুশ্রী, শুভশ্রী, মিথিলা, আরিশা, এলিজা, রায়না, ইশারা, শ্রেয়শী, তাহনিয়াত, জ্বারা, রাজবিকা, দিশিতা, অধরা, বর্তিকা, শ্রীময়ী, অস্মিতা, জান্নাতুল, লাইসা, আজওয়া, বৃন্দা, সময়, সৃজিতা, ইরাম এবং রাসেল আহমেদ।
আমন্ত্রিত শিল্পী ইফতির সাথে দলীয়ভাবে গিটার বাজিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন গিটার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এএফএম আফতাবুজ্জামান স্পন্দনের নেতৃত্বে এই পর্বটিও ছিল দর্শক নন্দিত। একক সংগীত পরিবেশন করেন বুলা আফরোজ।
সমবেত সঙ্গীতে এবং গীটারে অংশগ্রহন করেন ইরাম, আজওয়া, প্রীতম, বৃয়ানা, আর্শি, আরোহী, ইনারা, শন, অর্জুন, তুরহান, বৃন্দা, সময়, সুহানা, শ্রীময়ী, শ্রীজিতা, শান্তলিকা, পারিসা নাজ, তনুস্রী, শুভশ্রী, আয়মান, জয়িতা, সানবি, মানব, পার্থ, রাধীকা, রিসব, শাওন , শ্যাম, সময়, তামজীদ, আলভীরা, আরাফ, আহনাফ, আরিয়ান, অর্জুন, আয়মান, ইরফান, জয়িতা, মৃদুলা, রোদেলা, নবব, নেহা, সাইফ, সামান্তা, সুচি, জারা, তরুন চন্দ, শম্পা রহমান, পাপড়ি, রেক্সোনা, বুলা, শারমিন, বিথী, অর্পনা, দিশা, হীরা, মিতু, ববি, পলি, সীমা, আসমা, সুমনা, শর্মি, অলকা, তারেক এবং প্রশিক্ষক তানভীর তমাল। তবলায় ছিলেন আরিফ হাসান, মৃদঙ্গ ও পার্কাশনে আদি পল, কীবোর্ডে রবিউল হাসান রুবেল, গীটারে স্পন্দন ও শিক্ষার্থী গীটারিস্টবৃন্দ।
বিশেষ সহযোগিতায় ছিলেন মনিরা নুর, ফারজানা ইয়াসমিন, আনোয়ারুল হক লাভলু, শিরিন বকুল, কে.সি.মং, সামিউল ইসলাম ও ইয়াকুব আলী মিঠু। অনুষ্ঠান এর মুল ভাবনা ও সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন ফরিদা ইয়াসমিন।
এর আগে বৈশাখের প্রথম দিনের আয়োজনে ছিল বৈশাখী শোভাযাত্রা, পান্তা ইলিশ দিয়ে আপ্যায়ন ও মেলা।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশি আমেরিকা পুলিশ কর্মকর্তার নামে সড়ক ‘ডিটেকটিভ দিদারুল ইসলাম ওয়ে’
- ECOSOC recommends UN General Assembly to take decision on Bangladesh and Nepal’s LDC graduation extension requests
- ইকোসকের সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ
- Bangladesh co-chairs multi-stakeholder panel session on Global Road Safety, calls for stronger institutions to save lives
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে বাংলাদেশের যৌথ-সভাপতিত্ব; প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান
- Road Transport Minister reaffirms Bangladesh’s commitment to halving road traffic deaths by 2030
- বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর
- ধুমকেতু ছিনিয়ে নেয় সম্মোহনী টিয়েম্পো: ইয়ামালের উদ্দেশ্যে ফুটবল পদাবলি