Saturday, 7 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদা্য়িক সহিংসতার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 6 বার

প্রকাশিত: July 19, 2022 | 7:51 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক: বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক নির্যাতন এবং এ’ ব্যাপারে সরকারের নীরবতার প্রতিবাদে নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় গত ১৬ই জুলাই ২০২২ শনিবার সন্ধা ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এক সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়।


বিপুল সংখ্যক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশী সংখ্যালঘু এবং বিদেশী মানুষের উপস্থিততিতে অনুষ্ঠিত উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠেনের অন্যতম সভাপতি অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত এবং সভা পরিচালনা করেন রামদাস ঘরামী। ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নবেন্দু দত্ত ও রণবীর বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক ডক্টর দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য এবং ডিরেক্টর সুশীল সাহা ও রূপকুমার ভৌমিক ছাড়া সভায় বক্তাদের মধ্যে ছিলেন শ্রীকৃষ্ণ ভক্ত সংঘের চেয়ারম্যান ডাক্তার প্রভাত দাস, ইউনাইটেড হিন্দুজ অফ ইউ. এস. এ-র প্রধান শ্রীমান নিত্যানন্দ কিশোর ব্রহ্মচারী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের ডিরেক্টর ভজন সরকার, কবি নিখিল রায়, হিন্দু কোয়ালিশন অফ ইউ. এস. এ-র ডিরেক্টর দীনেশ মজুমদার, শম্পা চৌধুরী, সুতিপা চৌধুরী, জলি সাহা, পরেশ ধর, মণিকা রায় চৌধুরী প্রমুখ।
বক্তাগণ ছাড়া বিভিন্ন সংগঠন থেকে সমাবেশে অংশগ্রহনকারী বাংলাদেশীদের মধ্যে ছিলেন রবীন্দ্র সরকার, রণেশ চক্রবর্তী, সুরেশ চন্দ্র রায়, রূপক নন্দী, সুভাষ বৈরাগী, বিপলব দাস, প্রবীর বড়ুয়া, জ্যোতিষ দাস, রূপক বড়ুয়া, জনি চন্দ, কানন শীল, সুবর্ণা ভৌমিক, তমা সেন, ঝুনু ঘোষ, ইন্দিরা দাশগুপ্ত, সোমা সাহা, বিভাস দাশগুপ্ত প্রমূখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ১৯৪৬ সালের নোয়াখালী হিন্দু ম্যাসাকার থেকে শুরু করে গত দুর্গাপূজো চলাকালে এবং চলতি সপতাহে লোহাগড়া ও মির্জাপুর পর্যন্ত সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের উপর মৌলবাদী ও উগ্রপন্থী মুসলমানরা সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর লুটপাট করে বসত-ভিটে থেকে উচ্ছেদ করা, উপাসনালয় গুড়িয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা, নারী ধর্ষণ, খুন ও বলপূর্বক ধর্মান্তরিত করার মত মধ্যযুগীয় বর্বরতার সবই করেছে সরকারের প্রত্যক্ষ্য বা পরোক্ষ মদদে।
তাঁরা বলেন, বর্তমান সরকার এর কোন ব্যতিক্রম নয় — সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের সুরক্ষার জন্য শেখ হাসিনা সরকারও কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি, বরং কুখ্যাত এরশাদকৃত রাষ্ট্রধর্ম-ইসলাম আইনকে পাকাপোক্ত করে দিয়ে, ব্লেস্ফেমি আইনের পরিবর্তে ব্যবহৃত ডিজিটাল সিকিউারটি আইনের মাধ্যমে নিরপরাধ সংখ্যালঘু তরুণ তরুণীদের জেলে পুরে রেখে ধর্মান্ধ মৌলবাদী শক্তিকে সহায়তা করেছে।
বক্তারা মত প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন আজও অব্যাহত থাকার পেছনে চারটি প্রধান কারণ রয়েছে: প্রথমটি হল, ১৯৭২ সালের সংবিধানে দেশের সকল ধর্মের মানুষকে সম-মর্যাদা প্রদানের ব্যাপারটাকে উপেক্ষা করে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিশেবে স্বীকৃতি প্রদান; দ্বিতীয়টি, ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে ঠিক বিএনপি-র মতই সংখ্যঅলঘু সমপ্রদায় এবং প্রগতিশীল মুসলমানদের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে মৌলবাদী ও উগ্রপন্থী চক্রের সঙ্গে আঁতাত করা; তৃতীয়টি হল, কোন দিনই কোন সংখ্যালঘু নির্যাতকের বিচার না করা; আর চতুর্থটি হল, সালাফী-মওদুদী ইসলাম, অর্থাৎ আই. এস. ব্র্যান্ডের ইসলামের বিস্তারে সহায়তা করা।
একাধিক বক্তা বলেন যে, সংখ্যালঘু নির্যাতনের ব্যাপার প্রধানমন্ত্রী হাসিনা ও তাঁর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আবদুল মোমেনের ভূমিকা দেখে মনে হচ্ছে যে, মৌলবাদীদের সঙ্গে তাঁর এমন একটি গোপন রাজনৈতিক আঁতাত হয়ে থাকবে যে, শেখ হাসিনা সরকারকে সমর্থন করার বিনিময়ে অশুভ মৌলবাদী-সন্ত্রাসী শক্তি বাংলাদেশের অবশিষ্ট সংখ্যালঘুদের সন্ত্রাসের মাধ্যমে উচ্ছেদ করতে পারবে। বক্তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সাবধান করে দিয়ে বলেন যে, এত প্রাণ ও নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ তাঁর পৌরহিত্যে পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের মত ধর্মীয় সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত হলে দেশ থেকে শুধু সংখ্যালঘুরাই নিশ্চিহ্ন হবেন না, দেশের প্রগতিশীল মুসলমানদেরও জীবন বিপন্ন হবে, এমন কি তিনি নিজেও হয়তো প্রাণ নিয়ে পালানোর পথ পাবেন না।
বেশ কয়েকজন বক্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তাঁর বর্তমান নীতি পরিবর্তন করে দেশের সংখ্যালঘু নির্যাতন সমস্যার টেকসই সমাধানকল্পে কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে আহবান জানান, যার মধ্যে অন্যতম: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইশতেহারে ক্ষমতাসীন দল সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেগুলোর বাসস্তবায়ন করা, অর্থাৎ ১৯৭২ সালের সংবিধান পুন:প্রতিষ্ঠা করে দেশে সেকুলার ডেমোক্র্যাসির ভিত্ মজবুত করা; সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন পাশ করা, আলাদা সংখ্যালঘু মন্ত্রনণালয় প্রতিষ্ঠা করা, সংখ্যালঘু মানবাধিকার কমিশন গঠন করা; কিন্তু সর্বাগ্রে এবং অবিলম্বে একটি হেইট ক্রাইম ও স্পীচ্ বিল পাশ করে এর আওতায়, বিশেষ ট্রাইব্যুনালে, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং জজ্ সাহাবুদ্দীন কমিশন রিপোর্টে লিপিবদ্ধ সংখ্যালঘু নির্যাতকদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Situs Streaming JAV