Sunday, 15 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে ‘অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপ’র বার্ষিক ইন্টারফেইথ ইফতার পার্টি HUSBAND CHARGED WITH MURDER AND DISMEMBERMENT OF WIFE WHOSE REMAINS WERE FOUND IN SEPARATE LOCATIONS ALONG BROOKVILLE BLVD AND CROSS BAY BLVD নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসের গ্রাফিক্স ওয়ার্ল্ডে মাসব্যাপী ইফতার আয়োজন নিউইর্য়কে এনওয়াইপিডি মুসলিম অফিসার সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ডিনার ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির ইফতার ও দোয়া মাহফিল যুক্তরাষ্ট্র যুবদল নেতা জাকির এইচ চৌধুরীর সংবাদ সম্মেলন: রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আদালত কর্তৃক মীমাংসিত বিষয় নিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে আমেরিকান ট্রাভেল এজেন্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউইয়র্কে অ্যাসাল ওজোন পার্ক চ্যাপ্টারের ইফতার ও অভিষেক
সব ক্যাটাগরি

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন : ব্রঙ্কসে কামাল-রুহুল প্যানেলের বিশাল পরিচিতি সভা

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 47 বার

প্রকাশিত: October 5, 2016 | 10:57 AM

ইউএসএনিউজ অনলাইন.কম : বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে কামাল-রুহুল প্যানেলের বিশাল পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে নিউইয়র্কে ব্রঙ্কসে। গত ২ নভেম্বর গোল্ডেল প্যালেসে অনুষ্ঠিত হয় পরিচিতি সভা। পরিচিতি অনুষ্ঠানে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বি প্যানেলের সভাপতি পদপ্রাথী তার নির্বাচন-পূর্ব ওয়াদার কোনটাই পুরণ করেন নি। বরং তিনি বাংলাদেশ সোসাইটির সংবিধান লঙ্ঘনসহ অনেকগুলো গণমুখী সুযোগ-সুবিধারও ইতি ঘটিয়েছেন। এ অবস্থায় তাকে পুন:নির্বাচন করা সোসাইটির জন্য শুভ হবে না।
কামাল-রুহুল প্যানেলের ব্রঙ্কস নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আবদুল হাসিম হাসনুর সভাপতিত্বে এবং কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক হারুন আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এ সভায় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মুনাজাত পরিচালনা করেন আবদুর রহমান। মুনাজাতে কামাল-রুহুল প্যানেলের বিজয় কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।kamal_ruhul_bx_2
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ-সভাপতি আজহারুল হক মিলন, কামাল-রুহুল পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা আলী ইমাম শিকদার, চেয়ারম্যান এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি, সদস্য-সচিব মফিজুর রহমান, ডাঃ শাহান আরা আলী, আবদুর রহিম বাদশা, সিরাজ উদ্দিন সোহাগ, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাসিত চৌধুরী মাশুক, আব্দুস শহীদ, জাকির খান, রিয়াজ উদ্দিন কামরান, মুজিবুর রহমান, কফিল আহমেদ, ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দ মুজিবুর রহমান, আবদুল বাসিত খান, আহসান রসুল নাসের, ফরিদ মিয়া, কেরামত আলী, আবদুস শহীদ মলি¬ক, ফরিদা ইয়াসমীন, মঈনুজ্জামান চৌধুরী, লোকমান হাসান লুকু, আজিমুর রহমান বোরহান, সাইফুল ইসলাম রহিম, সুনাম উদ্দিন (সাবেক চেয়ারম্যান), মীর আবদুল কাদির, রুহুল আমিন ছিদ্দিকী, ফারুক আহমেদ সোনা, এমদাদুল হক কামাল, সিরাজ উদ্দিন মোর্শেদ, নাসির উদ্দিন সরকার, কায়সুরুজ্জামান কয়েস, এ ইসলাম মামুন, মকবুল রহিম চুনাই, আতিকুর রহমান, হোসাম উদ্দিন চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন, মিঠু হামিদ, আব্দুর রব মজনু, আব্দুর রহিম, আবদুর রব মজনু, জে মোল্ল¬া সানি, মাহমুদ রহমান, মাকসুদা রহমান, একেএম কামাল, সৈয়দ এনাম আহমেদ, জুনায়েদ আহমেদ, আখতার আহমেদ চৌধুরী, মাজেদুল ইসলাম কামরান, রিশি ভূঁইয়া, পলি শাহানা, মনোয়ারা বেগম, জাহানারা আহমেদ লক্ষী, রুহুন্নেছা রুনা, রাহেনা আকতার, রিনা মুক্তা, কামাল-রুহুল পরিষদের সভাপতি পদপ্রার্থী কামাল আহমেদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুহুল আমিন সিদ্দিকী প্রমুখ।
আজহারুল হক মিলন বলেন, আজকের এ জনবহুল পরিচিতি সভা প্রমাণ করে ব্রঙ্স কামাল-রুহুল প্যানেলের ঘাঁটি। নিজের অতীত অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন, আমি সোসাইটির আটজন সভাপতির সাথে কাজ করেছি। কামাল ভাইয়ের সাথেও কাজ করেছি। তিনি নিষ্ঠাবান ব্যক্তি, বিনয়ী, ভদ্র, সবার সাথে হাসি-খুশী। তাকে যেখানে ডাকা হয়, তিনি সাড়া দেন। তার সময়ে লাইব্রেরী ছিল, বাংলা স্কুল ছিল, ইংরেজী শিক্ষার স্কুল ছিল, কম্পিউটার শেখার স্কুল ছিল Ñএখন কিছুই নেই কেন?
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুহুল আমিন ছিদ্দিকী প্রসঙ্গে মিলন বলেন, তার সততার কোন জুড়ি নেই। সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে তিনি দক্ষতার সাথে তার দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সৎ ও যোগ্য বলেই বর্তমানে একটি মসজিদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
ভোটারদের উদ্দেশ্যে মিলন বলেন, সোসাইটির ভোটারের সংখ্যা ১৮ হাজারের বেশি। এ বিপুল সংখ্যক ভোটের প্রত্যেকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করা প্রার্থীদের পক্ষে সম্ভব নয়। এতদসত্বেও আমাদের প্রার্থীদের যোগ্যা ও সততা বিবেচনা করে তাদেরকে বিজয়ী করলে আমাদের কমিউনিটি উপকৃত হবে। তিনি সোসাইটির পরবর্তী নেতৃত্বকে প্রতিটি জাতীয় দিবসে, বিশেষত স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের বিশেষভাবে সম্মানিত করার আহ্বান জানান।
আলী ইমাম শিকদার বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি শূন্য থেকে উঠে এখন ১৮ হাজার সদস্যের বিশাল সংগঠনে পরিণত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মোহাম্মদ আজিজের বিশেষ অবদান রয়েছে। তিনি ভীষণ অসুস্থ ছিলেন। আসুন আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করি।
প্রতিদ্বন্দ্বি প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী প্রসঙ্গে শিকদার বলেন, তিনি কথা দিয়ে কথা রাখেন না। তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তাদেরকে আর সোসাইটির দায়িত্ব দেয়া যায় না। কামাল ভাই ওয়াদা দিয়ে ওয়াদা রাখেন। বস্তুত কামাল-রুহুল প্যানেলের কোন বিকল্প নেই। এ কারণে বস্তুত কামাল-রুহুল প্যানেল ব্রঙ্কস, ব্রুকলীন, জ্যামাইকা, ওজনপার্ক এবং উডসাইড কেন্দ্রে বিজয়ী হবার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, আজকের এ পরিচিতি সভায় আপনাদের বিপুল উপস্থিতি বিজয়ের ইঙ্গিত বহন করে। কামাল-রু[হুল পরিষদে সব সাবেক জেলার, আঞ্চলিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এটা ঐক্যের পরিষদ। সবার পরিষদ।
কামাল-রুহল প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান এডভোকেট জামাল আহমেদ জনি বলেন, আমি আলী ইমাম শিকদারের অনুমতিক্রমে আমাদের ১৯জন প্রার্থীকে আমাদের সাথে পরিচিয় করিয়ে দিতে চাই। তিনি প্রতিদ্বন্ধী প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থীর অতীত কর্মকান্ড প্রসঙ্গে বলেন, তিনি বিভিন্নভাবে সোসাইটির গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন।
তার সংবিধান লঙ্ঘনের অন্যতম নজির হলো, তিনি সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ট্রাস্টিবোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান ডাঃ মিয়াকে সোসাইটির অফিসে প্রবেশ করতে দেন নি, যদিও ডাঃ মিয়া কুনু সাহেবকে নির্বাচিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন।
এডভোকেট জনি বলেন, কোন সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য যে ধরনের দক্ষতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা প্রয়োজন কামাল-রুহল প্যানেলের প্রত্যেক প্রার্থীরই তা রয়েছে। আমরা অনেক যাছাই-বাছাই করে এ প্যানেলকে আগামী দুই বছরের জন্য কমিউনিটির সেবা করার জন্য যোগ্য বলে বিবেচনা করি। আমাদের প্যানেল নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ সোসাইটির ব্রঙ্কস শাখা অফিস হবে, অনলাইনে ভোটার হবার ব্যবস্থা হবে, সদস্যপদ স্থায়ী করা হবে। আমাদের সব প্রার্থীই স্ব স্ব ক্ষেত্রে দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। এরা হলেন:
কামাল আহমেদ (সভাপতি), আব্দুর রহিম হাওলার (সিনিয়র সহ-সভাপতি), আব্দুল খালেক খায়ের (সহ-সভাপতি), মোঃ রুহুল আমিন সিদ্দিকি (সাধারণ সম্পাদক), সৈয়দ এম কে জামান (সহ-সাধারণ সম্পাদক), মোহাম্মদ আলী (কোষাধ্যক্ষ), আবুল কালাম ভূঁইয়া (সাংগঠনিক সম্পাদক), মনিকা রায় (সাংস্কৃতিক সম্পাদক), সিরাজুল হক জামাল (জন-সংযোগ ও প্রচার সম্পাদক), নাদির এ আইয়ুব (সমাজকল্যাণ সম্পাদক), নাসির উদ্দিন আহমেদ (সাহিত্য সম্পাদক), মোঃ নওশেদ হোসেন (ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক), আহসান হাবিব (স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক), কার্যকরী সদস্য মোঃ সাদী মিন্টু, আবুল কাশেম, ফারহানা চৌধুরী, মোঃ আজাদ বাকির, মাইনুল ইসলাম মাহবুব ও মইনুল ইসলাম।
মফিজুর রহমান মফিজ ব্রঙ্কসবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আপনরা কামাল-রুহুল পরিষদের জন্য যে বিপ¬ব শুরু করেছেন তা আগামী ২৩ তারিখ পর্যন্ত অব্যাহত রাখুন। আমরা চাই এ প্যানেল বিজয়ী হোক। সোসাইটি গণমুখী সেবামূলক সংগঠনে পরিণত হোক।
কামাল-রুহুল পরিষদের সভাপতি পদপ্রার্থী কামাল আহমেদ বলেন, আমাদের প্যানেলের প্রত্যেক প্রার্থী যোগ্য ও কর্মঠ। এ প্যানেলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারী প্রার্থী রয়েছেন। তার প্যানেলের সব প্রার্থীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে কামাল আহমেদ বলেন, আমরা বিজয়ী হলে আগামী নর্থ ব্রঙ্কসে নতুন একটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করব। তিনি বলেন, ব্রঙ্কসে আমি একাধারে ১৫ বছর বসবাস করেছি। এখন আমি অন্যত্র চলে গেলেও ব্রঙ্কসের সর্বদা যোগাযোগ রাখি, আসা-যাওয়া করি।
কামাল-রুহুল পরিষদের সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম হাওলাদার বলেন, আজকের এ পরিচিতি সভা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। আমি অভিভূত। কামাল-রুহুল পরিষদকে ভালোবাসেন বলেই রাত ১১টা পর্যন্ত এখানে অপেক্ষা করছেন। আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি বলেন, আল¬াহ কিছু মানুষকে মানুষের সেবা করার জন্য পাঠান। আমরা তেমনি কিছু মানুষ নিয়ে এ প্যানেলটি তৈরি করেছি। আমরা অবশ্যই আপনাদের পরিশ্রম ও সমর্থনের মূল্যায়ন করব।
কামাল-রুহুল পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রুহুল আমিন ছিদ্দিকী বলেন, এ প্যানেলটি পরীক্ষিত প্যানেল। অতীতে আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো পূরণ করেছি। ভবিষ্যতেও করব। আমরা আপনাদের সমর্থন-সহযোগিতা চাই।
সিদ্দিকী বলেন, আমরা সবাই আমাদের মাতৃভূমিতে ঘরবাড়ি-সম্পত্তি রেখে এসেছে। সেগুলোর নিরাপত্তা বিধানের জন্য আমরা সোসাইটির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের সাথে যোগাযোগ করার উদ্যোগ নিব।
মিঠু হামিদ বলেন, বিক্রমপুরের ভোটাদেরকে কামাল-রুহল প্যানেলের সব প্রার্থীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, উডসাইড কেন্দ্রে আল¬াহর রহমতে কামাল-রুহল পরিষদ বিজয়ী হবে।
আব্দুর রহিম বাদশা বলেন, বুদ্ধি-বিবেচনা ব্যবহার করে আমি কামাল-রুহুল পরিষদকে সমর্থন জানিয়েছি। কারণ, এ পরিষদের সব সদস্যই সভাপতির দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা ও দক্ষতা রাখেন। তিনি ব্রঙ্সবাসীকে কামাল-রুহুল পরিষদের প্রার্থীদের ভোট প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কামাল-রুহুল পরিষদ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
আহবাব হোসেন চৌধুরী খোকন বলেন, ব্রঙ্কসবাসীসহ নিউইয়র্ক সিটির অনেকেই আমাকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করার জন্য আনুরোধ জানিয়েছিলেন। ব্যক্তিগত কারণে আমি আপনাদের সে অনুরোধ রক্ষা করতে পারি নি। দুটি প্যানেলকে যাচাই-বাছাই করে আমি কামাল-রুহল প্যানেলকে বাংলাদেশ সোসাইটিকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা আমার প্যানেল, আমাদের সবার প্যানেল, পুরা বঙ্সবাসীর প্যানেল। এ প্যানেলের সব প্রার্থীকে ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন, বঙ্সবাসী যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব বাছাইয়ে কোন ভুল করেন নি। এ প্যানেল বিজয়ী হলে বাংলাদেশ সোসাইটি তথা আমাদের পুরা কমিউনিটি উপকৃত হবে।
সিরাজ উদ্দিন সোহাগ ব্রঙ্কসবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা সবাই কামাল-রুহল প্যানেলের সব প্রার্থীকে ভোট দিব এবং আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধু-বান্ধবদেরকেও ভোট দিতে অনুরোধ ও উদ্বুদ্ধ করব। তিনি বলেন, ব্রঙ্কসে সোসাইটির ভোট কেন্দ্র স্থাপনে কামাল-রুহুল পরিষদের অনেক প্রার্থীরই সহযোগতিা ছিল। তিনি বলেন, কামাল ভাই সভাপতি থাকাকালীন ব্রঙ্কসে প্রতিটি জাতীয় দিবস উদ্যাপিত এবং শিশু-কিশোরদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু গত দুই বছরে সেগুলো হয় নি। আমি বিশ্বাস করি কামাল-রুহল প্যানেল বিজয়ী হলো সেগুলো ব্রঙ্কসে আবার শুরু হবে।
কামাল-রুহুল প্যানেলের প্রতি ব্যাপক সমর্থন তথা বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষের উপস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত করে জাকির খান বলেন, সোসাইটির নির্বাচনী ইতিহাসে কোন প্যানেল পরিচিতি সভায় এমন জনসমাগম আর হয় নি। তিনি ভোট কেন্দ্র প্রাপ্তির জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য হবার জন্য কামাল আহমেদ ও আব্দুর রহিম হাওলাদারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের পরিশ্রমের কারণেই ব্রঙ্স থেকে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে অনেক অধিক সংখ্যক ব্রঙ্কসবাসী সোসাটির সদস্য হয়েছেন। আমরা মনে করি কামাল-রুহল পরিষদই সেরা পরিষদ। আজকে আপনাদের স্বতস্ফূর্ত ও ব্যাপক উপস্থিতিতি তাই প্রমাণ করে।
এইচ এম ইকবাল বলেন, কামাল-রুহুল প্যানেলের প্রত্যেক প্রার্থীই যোগ্য। ভোটের দিন আমরা প্রমাণ করব, বঙ্স’এর মাটি কামাল-রুহুল প্যনেলের ঘাঁটি।
নর্থ ব্রঙ্কস বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কাওসার আহমেদ বলেন, আমরা এ প্যানেলকে সমর্থন করি। কারণ এ প্যানেলের সবাই যোগ্য। আমরা সব ভোটারকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাব। যাতে কারো দৈনন্দিন কাজের কোন বিঘœ সৃষ্টি না হয় সেদিকেও আমাদেরকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি কামাল-রুহুল প্যানেলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে আপনারা তিনটি জাতীয় দিবসই পালন করুন যেখানে কমিউনিটির সবাই অংশ নিবেন। এমন কিছু উদ্যাপন না করাই ভালো যেখানে অনেকেই অংশ নিতে উৎসাহবোধ করেন না।
শাহেদ আহমেদ বলেন, আমরা প্রতিটি জায়গায় কামাল ভাই, রহিম ভাইকে দেখি। আমাদের কোন সমস্যা হলেই তারা দৌড়ে ব্রঙ্কসে আসেন। তার দৃঢ় বিশ্বাস ব্রঙ্কসে কামাল-রুহুল প্যানেল বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক প্রার্থী সম্পর্কে তথ্য নিয়ে আমি দেখেছি নেতৃত্বের জন্য সব ধরনের যোগ্যতা, ও অভিজ্ঞতা এবং আন্তরিকতার ইত্যাদি গুণাবলী কামাল-রুহুল প্যানের সব প্রার্থীর মধ্যেই রয়েছে। তাই আমি এ প্যানেলকে বিজয়ী করার জন্য কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক বলেন, বিগত নির্বাচনের আগে কুনুভাই বাংলাদেশ ভবন করবেন, ঐক্যবদ্ধভাবে বিজয় দিবস, ভাষা দিবস, ও স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন করবেন। অনলাইনে সদস্য হবার ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু তিনি তার কোন ওয়াদাই পুরণ করেন নি। তিনি ভূয়া আশ্বাস ও ওয়াদা দিয়ে ভোট নিতে চান। তাই তাদেরকে বর্জন করুন।
ডাক্তার শাহানাজ আলী বলেন, আমার বিবেচনায় এ প্যানেলের সব প্রার্থীই যোগ্য। তাই প্যানেলকে বিজয়ী করার জন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মোশাররফ হোসেন বলেন, সামান্য সংখ্য উদ্যোগী মানুষের নেতৃত্বে শুরু হওয়া বাংলাদেশ সোসাইটির সদস্য সংখ্যা আঠারো হাজারের বেশি। এতো বড় সামাজিক সংগঠন নিউইয়র্কে আর নেই। কামাল-রুহল প্যানেলের নেতৃবৃন্দ সোসাইটিকে আজকের অবস্থানে নিয়ে আসার জন্য যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি মোহাম্মদ আজিজের ভূমিকার ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন মোহাম্মদ আজিজ নিজের অর্থ ও শ্রম দিয়ে আমার প্রশংসা ও সমর্থন অর্জন করেছেন। তার মতো উদার ও দানবীর মানুষ কামাল-রুহুল পরিষদের প্রতি সমর্থন থাকায় এটাই প্রমাণিত হয় যে, এটাই শ্রেষ্ঠ প্যানেল।
জে. মোল¬া সানি কামাল-রুহুল প্যানেলে সভাপতি পদপ্রাথীী কামাল আহমেদের প্রশংসা করে বলেন, তার সাথে কাজ না করলে বুঝবেন না তিনি কেমন সদালাপী, কর্মঠ ও দক্ষ। তিনি এ প্যানেলকে সোসাইটির ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ প্যানেল হিসেবে বিবেচনা করে বলেন, আপনার শপথ নিন যে, আমরা কামাল-রুহুল পরিষদকে বিজয়ী করবেন।
আজিমুর রহমান বোরহান বলেন, মানুষ মানুষের জন্য এ বাক্যটি যদি সঠিক হয়, তবে তা কামাল ভাইয়ের মধ্যে আছে। যেকোন কাজেই তাকে পাওয়া যায়। তিনি মানুষের সেবা করেন, মানুষের জন্য সবকিছু ত্যাগ করেন। তার দুই বছরের কাজ এবং তার পরববর্তী দুই বছরের কাজের তুলনা করলেই বুঝা যায় সোসাইটির জন্য কার নেতৃত্ব প্রয়োজন ও গুরুত্বপূর্ণ।
আব্দুস শহীদ বলেন, আমরা আশাবাদী এবং এ সভায় আপনাদের বিপুল সমাগম প্রমাণ করে যে, আসন্ন নির্বাচনে কামাল-রুহুল প্যানেল বঙ্স থেকে বিজয়ী হবে। আমরা অনেকেই অতীতে কামাল ভাইয়ের সাথে ছিলাম না। কিন্তু কামাল ভাইয়ের উত্তম ব্যবহারের কারণে আমরা এখন তাকে সমর্থন করি।
কামাল-রুহুল প্যানেলের ব্রঙ্কস নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মমিনুল ইসলাম বলেন, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা কাজ করছি। এ ধরনের নেতৃত্ব কামাল-রুহুল পরিষদের প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে। আমরা যেন সবাই মিলে বিজয় অনুষ্ঠান করতে পারি সে লক্ষ্যে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
এম. এ. মঈন বলেন, ব্রঙ্কসবাসীর পক্ষে আমরা আশ্বস্ত করতে চাই আল¬াহর রহমতে বঙ্স কেন্দ্রে কামাল-রুহুল পরিষদ বিজয়ী হবে। এ হলেই আমরা বিজয় উৎসব করব। এ প্যানেলকে বিজয়ী করা আমাদের মান-ইজ্জতের ব্যাপার। আমরা যেন আমাদের বিবেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ না হই।
রিয়াজ উদ্দিন কামরান বলেন, ব্রঙ্স’এ কামাল-রুহল পরিষদের পক্ষে অনেক সৈনিক রয়েছেন। তাই এখানে আমরা বিজয়ী হব। আপনারা অন্যান্য কেন্দ্রে ভালো করার চেষ্টা করুন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতির সাবেক সভাপতি বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমিতি যে ১০ প্যানেলকে বিগত বছরগুলোতে সমর্থন দিয়েছে, প্রতিটিই বিজয়ী হয়েছে। কোনবারই আমরা হারি নি। এবার আমরা কামাল-রুহুল প্যানেলকে সমর্থন দিয়েছি। এ প্যানেলও বিজয়ী হবে।
এ ছাড়াও এ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রেখেছেন শাহেদ আহমেদ, শাখাওয়াত আলী, শামিম মিয়া, এয়ার আহমেদ, জাকির খান, নুরুল ইয়াহিয়া, মাইদুল আহমেদ, কফিল আহমেদ চৌধুরী, আবদুল বাসেত চৌধুরী, এমদাদুল হক কামাল, আতিকুর রহমান ফারূক প্রমুখ।
জাকির খান উপস্থিত সবাইকে মঞ্চের সামনে এসে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ জানালে নারী-পুরুষ সবাই মঞ্চের সামনে পিছনে দাঁড়িয়ে যান, যা অনন্য দৃশ্যের অবতারণা করে।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে এ্যাসেম্বলীম্যান লুইস স্যাভেলভাদা উপস্থিত হলে তাকে মঞ্চে নিয়ে আসা হয়। তিনি বেশ কিছুক্ষণ সেখানে অবস্থান করেন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আপনারাই আমাকে ভোট দিয়ে এ্যাসেম্বলীম্যান করেছেন। আমাকে ভোট দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমি আপনাদের সাথে কাজ করব। আপনারা সবাই আমার বন্ধু। আমরা একত্রে কাজ করতে পারি। আপনাদের বিজয়ে আমি আগাম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
সভাপতির ভাষণে আব্দুল হাসিম হাসনু উপস্থিতি সবাইকে দীর্ঘরাত পর্যন্ত অনুষ্ঠানে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ভোটের দিন সবাই ভোট কেন্দ্রে গিয়ে কামাল-রুহুল পরিষদের প্রার্থীদের ভোট প্রদান করবেন। তা হলেই আমরা বিজয়ী হব। আর গরু-খাসী জবাই করে ঐ বিজয় উৎসব এখানেই পালন করব। তিনি সোসাইটির অন্যতম উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মরহুম রশিদ আহমেদকে স্মরণ করে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করেন।

ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ
Advertisements
karnafully1
TEKSERV

Situs Streaming JAV