Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
সব ক্যাটাগরি

যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভা থেকে কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদের লং মার্চ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 66 বার

প্রকাশিত: December 13, 2022 | 8:08 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম ডেস্ক:  ১০ই ডিসেম্বর, শুক্রবার, সন্ধ্যা ৯টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদ ঘোষিত আগামী ৬-৭ জানুযারি  ঢাকা অভিমুখে  লং মার্চ কর্মসূচি সংক্রান্ত বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের এক বিশেষ ভার্চুয়েল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের অন্যতম সভাপতি রণবীর বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য ও যুগ্ম সম্পাদক বিষ্ণু গোপের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই সভায় ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে সরকারী দল প্রদ্ত্ত  প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবিতে কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আগামী ৬ই জানুযারি সারা দেশ থেকে সংখ্যালঘুদের লং মার্চ করে ঢাকা পৌঁছে, ৭ই জানুয়ারি সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের শাহবাগ চত্বরে মহাসমাবেশ অনুষ্ঠান  শেষে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা এবং প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদানের যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে, সে বিষয়ে অনুপুঙ্খ আলোচনা শেষে ওই কর্মসূচির প্রতি দ্ব্যার্থহীন সমর্থন জানানো হয়।

 উক্ত সভায় যুক্তরাষ্ট্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ লং মার্চের বিষয়টি  ছাড়াও দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ও আগামী নির্বাচনের বাস্তবতার আলোকে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা ও স্থায়ি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশে বিদেশে কার কী করণীয় সে’সব বিষয়ে সুচিন্তিত বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন মতিলাল দেবরায়, শিতাংশু গুহ, রূপকুমার ভৌমিক, সুশীল সাহা, প্রদীপ মালাকার, রিণা সাহা, সুশীল সিনহা, ভজন সরকার, শুভ রায়, দিলীপ নাথ, পারিজাত দাস, চন্দন সেনগুপ্ত, বিষ্ণু গোপ, রণবীর বড়ুয়া ও  ড. দ্বিজেন ভট্টাচার্য্য, প্রমুখ। 

ঐক্য পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি রূপকুমার ভৌমিক অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরকালে কেন্দ্রীয় ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট রাণা দাশগুপ্তর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ন্যায্য দাবিদাওয়া আদায়ের আন্দোলনে তাঁদের অবস্থান এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের কাছে তাঁদের প্রত্যাশার বিষয়ে যে মত বিনিময় হয় সে’ সম্পর্কে সভাকে সম্যক অবহিত করেন। বক্তারা দু:খের সঙ্গে বলেন যে, ১৯৭২ সালের সংবিধান পুন: প্রতিষ্ঠা করে সংখ্যালঘুদের সম-অধিকার নিশ্চিত করা তো দূরের কথা, এমনকি ২০১৮ সালে প্রদত্ত নির্বাচনি প্রতিশ্রতিগুলোও সরকার পুরণ করেনি; অথচ, ধর্মীয় মৌলবাদীদের প্রতিটি দাবিই চাওয়া মাত্রই মেনে নিয়েছে। কোন কোন বক্তা বলেন যে যেহেতু  সংখ্যালঘু সমম্প্রদায়ভুক্ত সাংসদগণ ভবিষ্যতে নমিনেশন না পাওয়ার ভয়ে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদ করা তো দূরের কথা, সংখ্যালঘুদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট  কোন ব্যাপারেই সংসদে মুখ খুলেতে নারাজ বা অপারগ, এখন তাই সংখ্যালঘুদের জন্য ভিন্ন ইলেকটরেটের বিকল্প নেই, যা অতীতেও আমাদের ছিল। সাম্প্রতিক  কালে শেখ হাসিনা সরকারের এক দিকে ধর্মীয় মৌলবাদী শক্তি আর অন্যদিকে অটক্র্যাটিক চীনের সঙ্গে সখ্য প্রতিষ্ঠার ফলে দেশে যদি আবারও ২০০১ সালের অক্টোবর কিংবা ২০০৮ সালের পরিস্থিতির উদ্ভব হয় তখন যুক্তরাষ্ট্র  ঐক্য পরিষদের কী করণীয় হবে সে বিষয়েও কয়েকজন বক্তা মতামত ব্যাক্ত করেন এবং পরামর্শ দেন।  

 

বক্তারা আরও বলেন যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-ভিত্তিক ১৯৭২ সালের সংবিধানকে পুন:প্রতিষ্ঠা না করে ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠীকে খুশি করার জন্য স্বৈরাচারী এরশাদকৃত রাষ্ট্রধর্ম  আইনকে  পাকাপোক্ত করে দেওয়া এবং সংখ্যালঘু নির্যাতকদের বিচার না করার ফলে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় আজ, দু:খজনকভাবে, অস্তিত্ব রক্ষার সঙ্কটে পড়ে অনশণ ধর্মঘট আর লং মার্চ করতে বাধ্য হচ্ছে।  এটা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। 

সভার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে এই অনুরোধ জানানো হয় যে, তিনি যেন ব্যক্তিগত উদ্যোগে  ২০১৮ সালে নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতিগুলো আর বিলম্ব না করে  বাস্তবায়ন  করেন, যার মধ্যে রয়েছে: (১) সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন,  সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ আইন, ও দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, (২) জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, (৩), অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন ও  পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন, এবং (৪) সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে আরও অনুরোধ জানান যে, তিনি যেন সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের মত একটি  হেইট ও স্পীচ্ আইন পাশ করে ওই আইনের আওতায় প্রতিটি জেলায একটি করে দ্রুত বিচারের ক্ষমতা সম্পন্ন বিশেষ আদালতে জজ সাহাবুদ্দীন কমিশ রিপোর্টে যে কয়েক হাজার সংখ্যালঘু নির্যাতককের তালিকা রয়েছে সেটা গ্যাজেটে প্রকাশ করে তাদের বিচার ও কঠোর শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়াটি শুরু করেন; এবং, এই প্রক্রিয়া চলাকালে যেন একজন বিচারপতির নেতৃত্বে আরকেটি শক্তিশালী কমিশন গঠন করে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এ’ পর্যন্ত সংঘটিত সকল সংখ্যালঘু নির্যাতনের অপরাধে অপরাধীদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা যথাশীঘ্র প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট আদালতসমূহের বিচারকদের হাতে তুলে দেন। 

Situs Streaming JAV