Monday, 9 March 2026 |
শিরোনাম
নিউইয়র্কে গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের ইফতার মাহফিল নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ৭ মার্চ ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা এগিয়ে যাবে নিউইয়র্কে জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির বার্ষিক ইফতার ও দোয়া মাহফিল Radwan Chowdhury Announces Candidacy for Montgomery County Council At-Large, Launches “Five-Pillar Blueprint” for Accountable Governance. New York Attorney General James Reminds New Yorkers of SNAP Work Requirements নিউইয়র্কে ডিজিটাল ওয়ান ট্র্যাভেলস এবং বাংলা ট্র্যাভেলস এর ইফতার মাহফিল রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন নিউইয়র্ক ইনক’র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশ আমেরিকান ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল নিউ জার্সির এগ হারবার সিটিতে শিবলীলা মঞ্চস্থ
সব ক্যাটাগরি

৭২টি পৌরসভার বেসরকারি ফল:বিএনপি ৩১,আ’লীগ ১৮,জামায়াত ৫, জাতীয় পার্টি ১,স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৭টিতে জয়ী

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 164 বার

প্রকাশিত: January 12, 2011 | 11:35 PM

ইউএসএনিউজ ডেস্ক: রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ৭২ পৌরসভায় বুধবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘোষিত ৭২টি পৌরসভার বেসরকারি ফলাফলে মেয়র পদে বিএনপি ৩১টি, আওয়ামী লীগ ১৮টি, জামায়াত ৫টি, জাতীয় পার্টি ১টি এবং বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোট ১৭টিতে জয়ী হয়েছেন। দুই বিভাগে বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৬ জন এবং বিএনপির ৪ জন নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজশাহী বিভাগ : রাজশাহী বিভাগের ৪৯টি পৌরসভার মধ্যে সবক’টিরই চূড়ান্ত ফল ঘোষিত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ১১টি, বিএনপি ২৩টি, জামায়াত ৩টি, স্বতন্ত্র ২টি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ৬টি এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ৪টি পৌরসভায় জয়লাভ করেছেন।
বগুড়া : বগুড়া পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত বর্তমান মেয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবর রহমান জয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৯৬ হাজার ৩৩৪। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম মন্টু পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৩৪৭ ভোট। জেলার কাহালু পৌরসভায় জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের হেলাল উদ্দিন কবিরাজ। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মান্নান ওরফে ভাটা মান্নান পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬০ ভোট। একই জেলার ধুনট পৌরসভার মাত্র ১০৬ ভোটে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগের এ জি এম বাদশা ১ হাজার ৫৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আলীম উদ্দিন হারুন মণ্ডল ১ হাজার ৪৮৯ ভোট পেয়েছেন। সারিয়াকান্দিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী টিপু সুলতান ৩ হাজার ২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবদুল হামিদ সরদার পেয়েছেন ২ হাজার ৮৩৪ ভোট। জেলার গাবতলী পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থী মোর্শেদ মিল্টন ৪ হাজার ৯৫৮ ভোটে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী সাইফুল ইসলাম সাইফ পেয়েছেন ৩ হাজার ৯১৮ ভোট। জেলার শিবগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপির মতিয়ার রহমান মতিন ৭ হাজার ২৬৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের তৌহিদুর রহমান মানিক পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৭৬ ভোট। শেরপুর পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত স্বাধীন কুমার কুণ্ডু ৬ হাজার ৩৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবদুস সাত্তার ৫ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়েছেন। সান্তাহার পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু ৯ হাজার ৪৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম গোলাম মোর্শেদ আওয়ামী লীগের ৬ হাজার ৮১০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নন্দীগ্রাম পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত সুশান্ত কুমার শান্ত ৫ হাজার ৭৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান মেয়র বিএনপির বিদ্রোহী কামরুল হাসান সিদ্দিকী জুয়েল পেয়েছেন ২ হাজার ৬৮২ ভোট।
রাজশাহী :রাজশাহীর আরানী পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হয়েছেন আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান মিনু। তিনি ৩ হাজার ৯৮২ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ১২২ ভোট। গোদাগাড়ি উপজেলার কাকনহাট পৌরসভায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবদুল মজিদ মাস্টার। ভোট পেয়েছেন ৩ হাজার ৪০২টি। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইসমাইল হোসেন মাস্টার পেয়েছেন ২ হাজার ৬২০ ভোট। ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপির আবদুর রাজ্জাক প্রামাণিক ৫ হাজার ৭১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৭৫ ভোট।তাহেরপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ৪ হাজার ২১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম বিএনপির আবু নইম শামসুর রহমান মিন্টু ৩ হাজার ৫২০ ভোট পেয়েছেন। কাটাখালীতে জামায়াতের মাজিদুর রহমান ৫ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির সিরাজুল হক পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৫৪ ভোট।গোদাগাড়ী পৌরসভায় জামায়াতের প্রার্থী আমিনুল ইসলাম ৬ হাজার ৫৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনিরুল ইসলাম বাবু পেয়েছেন ৪ হাজার ৩০৮ ভোট। দুর্গাপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তোজাম্মেল হোসেন ৫ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আকবর আলী বাবলু পেয়েছেন ৪ হাজার ৪২০ ভোট। তানোর পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত ফিরোজ সরকার ৭ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবুল কালাম আজাদ প্রদীপ সরকার পেয়েছেন ৫ হাজার ২৯৬ ভোট। মন্ডুমালা পৌরসভায় আওয়ামী লীগের গোলাম রব্বানি ৪ হাজার ৭৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত বর্তমান মেয়র শীশ মোহাম্মদ পেয়েছেন ৩ হাজার ২১৯ ভোট। কেশোরহাট পৌরসভায় বিএনপির বিদ্রোহী আলাউদ্দিন আলো ৭ হাজার ৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান শহীদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৬৭ ভোট। চারঘাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী নার্গিস খাতুন ৬ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী ও বর্তমান মেয়র জাকিরুল ইসলাম বিকুল পেয়েছেন ৫ হাজার ৭১০ ভোট।
নওগাঁ :নওগাঁ পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হক সনি ৩৭ হাজার ১৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ৩০ হাজার ৬০৩ ভোট পেয়েছেন। নজিবপুর পৌরসভার বিএনপির আনোয়ার হোসেন ৫ হাজার ২৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের আমিনুল হক ৪ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়েছেন।
সিরাজগঞ্জ : জেলার শাহজাদপুরে বেসরকারিভাবে মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির নজরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ৪৩৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান মেয়র মহাজোটের হালিমুল হক মিরু পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩৬ ভোট। একই জেলার রায়গঞ্জে জামায়াতের মোশারফ হোসেন ২ হাজার ৫৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নূর সাঈদ সরকার পেয়েছেন ২ হাজার ৪৬৫ ভোট। কাজীপুরে বিএনপির আবদুস সালাম ২ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোটের গোলাম মোস্তফা তালুকদার মধু পেয়েছেন ২ হাজার ৪৫৪। উল্লাপাড়ায় বিএনপির বেলাল হোসেন ১১ হাজার ১৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান মেয়র মহাজোটের মারুফ-বিন-হাবিব পেয়েছেন ১০ হাজার ৮০৩ ভোট। সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত অ্যাডভোকেট এম মোকাদ্দেস আলী ৩৬ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট কে এম হোসেন আলী হাসান পেয়েছেন ২৪ হাজার ১০২ ভোট। বেলকুচিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোফিজ উদ্দিন লাল ১২ হাজার ২০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত আবদুর রাজ্জাক ১১ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়েছেন।
নাটোর : নাটোর পৌরসভায় বিএনপির এমদাদুল হক আল মামুন ২১ হাজার ২৫৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম পেয়েছেন ১০ হাজার ২৮৬ ভোট। সিংড়া পৌরসভায় বিএনপির শামীম আল রাজি ৯ হাজার ২৭৩ ভোটে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান বাচ্চু ৭ হাজার ৫১১ ভোট পেয়েছেন।বড়াইগ্রাম পৌরসভার বিএনপির ইসহাক আলী ৪ হাজার ৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম শরিফুল ইসলাম মুক্তা পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৮০ ভোট।নলডাঙ্গা পৌরসভায় বিএনপির আব্বাস আলী নান্নু ৩ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ইয়াকুব আলী মণ্ডল। গুরুদাসপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের শাহনেওয়াজ মোল্লা ৮ হাজার ৪১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৩৫ ভোট। গোপালপুর পৌরসভায় বিএনপির বিদ্রোহী মঞ্জুরুল আলম বিমল পেয়েছেন ৪ হাজার ১০৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩ হাজার ৬১০ ভোট।
পাবনা :পাবনা পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত কামরুল হাসান মিন্টু ৩৬ হাজার ৬১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু ইসহাক শামীম পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯০২ ভোট। কিছু সময়ের জন্য ভোট গণনা বন্ধ থাকা ঈশ্বরদী পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত মোখলেসুর রহমান বাবলু বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১৬ হাজার ৬৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবুল কালাম মিন্টু পেয়েছেন ১২ হাজার ৪০৭ ভোট। চাটমোহরে বিএনপির হাসাদুল ইসলাম হীরা ৩ হাজার ১৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মির্জা রেজাউল করিম দুলাল ২ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়েছেন।একই জেলার ভাঙ্গুড়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুর রহমান প্রধান ২ হাজার ৭৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নূর মুজাহিদ স্বপন ২ হাজার ৭৫০ ভোট পেয়েছেন। সাঁথিয়া পৌরসভার আওয়ামী লীগের মিরাজুল ইসলাম ৮ হাজার ৩৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোজাম্মেল হক মাস্টার পেয়েছেন ৬ হাজার ২০৫ ভোট। সুজানগরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী তোফাজ্জেল হক তোফা ৪ হাজার ৯১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম আওয়ামী লীগের আবুল কাশেম ৪ হাজার ৭৮৮ ভোট পেয়েছেন। ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের খ ম কামরুজ্জামান মাজেদ ৩ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির এনামুল হক রুবেল পেয়েছেন ২ হাজার ৭৯৭ ভোট।
জয়পুরহাট :জয়পুরহাট পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আজিজ মোল্লা ১৩ হাজার ৫৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফজলুর রহমান পেয়েছেন ১০ হাজার ৭০৯ ভোট। পাঁচবিবি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব ৩ হাজার ৩১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম দুদু পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪৮ ভোট। আক্কেলপুরে বিএনপির বিদ্রোহী আলমগীর চৌধুরী বাদশা ৬ হাজার ১২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান মেয়র বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কমল পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭৯ ভোট। কালাই পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত তৌহিদুল ইসলাম তালুকদার ২ হাজার ৮৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির আনিসুর রহমান পেয়েছেন ২ হাজার ২৯৭ ভোট।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ :চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির আবদুল মতিন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩২ হাজার ১৯৯। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের লতিফুর রহমান পান ২৭ হাজার ২১৩ ভোট। শিবগঞ্জ পৌরসভায় বর্তমান মেয়র বিএনপি সমর্থিত শামীম কবীর হেলিম ১০ হাজার ১৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাবিরুল ইসলাম রাজিন পেয়েছেন ৮ হাজার ১৪ ভোট। নাচোল পৌরসভায় স্বতন্ত্র আবদুল মালেক মিঠু চৌধুরী ২ হাজার ৭৩৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি হারিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৩৫০। রহনপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস ৭ হাজার ৭৯০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত জালাল উদ্দিন আকবর মুক্তি পেয়েছেন ৪ হাজার ৫১৫ ভোট।
রংপুর বিভাগ
রংপুর বিভাগের আট জেলার ২৪টি পৌরসভার মধ্যে বুধবার ২৩টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেসরকারিভাবে সবক’টি পৌরসভার ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে মেয়র পদে ৮টিতে বিএনপি, ৭টিতে আওয়ামী লীগ, জামায়াত ২টি, জাতীয় পার্টি একটি এবং বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ৫টিতে জয়ী হয়েছেন। দিনাজপুরের পার্বতীপুর পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।
রংপুর : বদরগঞ্জ পৌরসভায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত উত্তম কুমার সাহা ৫ হাজার ২০০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকের পার্টির সরওয়ার জাহান মানিক পেয়েছেন ৩ হাজার ১ ভোট। একই জেলার হারাগাছ পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সাদাকাত হোসেন ঝন্টু ১১ হাজার ২৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোনায়েম হোসেন ফারুখ পেয়েছেন ৮ হাজার ২০৭ ভোট।
লালমনিরহাট : লালমনিরহাট পৌরসভায় আওয়ামী লীগের রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু ১৪ হাজার ২৮০ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাফিজুর রহমান বাবলা ৯ হাজার ৭১৭ ভোট পেয়েছেন। একই জেলার পাটগ্রাম পৌরসভায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শমসের আলী। তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোস্তফা সালাউজ্জামান পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৫৪ ভোট ।
কুড়িগ্রাম : কুড়িগ্রাম পৌরসভায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নূরু ইসলাম ১০ হাজার ৪৩৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবদুল জলিল পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৯৩।জেলার উলিপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের হামিদ সরকার ৮ হাজার ৯৪৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির হায়দার আলী মিয়া পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৮১ ভোট। একই জেলার নাগ্গ্বেশ্বরী পৌরসভায় জাপার আবদুর রহমান মিয়া ৭ হাজার ৬০০ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল কাশেম সরকার পেয়েছেন ৭ হাজার ৭০ ভোট।
গাইবান্ধা : গাইবান্ধা পৌরসভায় বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শামসুল আলম। তিনি পেয়েছেন ৮ হাজার ৬২২ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ারুল হাসান সবুর পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৯১ ভোট। সুন্দরগঞ্জ পৌরসভায় জামায়াতের নুরুন্নবী প্রামাণিক সাজু ৪ হাজার ১৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাপার আবদুল মজিদ মণ্ডল পেয়েছেন ২ হাজার ৪৪ ভোট। একই জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান। তিনি পেয়েছেন ৭ হাজার ৪২৭ ভোট । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুখ আহমেদ পেয়েছেন ৬ হাজার ৮২৯ ভোট।
ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের এসএমএ মঈন। তিনি পেয়েছেন ১৫ হাজার ৮৬৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির গোলাম সারোয়ার রঞ্জু পেয়েছেন ১১ হাজার ২৯৮ ভোট। একই জেলার পীরগঞ্জ পৌরসভায় ৭ হাজার ১৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি নেতা রাজিউর রহমান রাজু। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের ইকরামুল হক পেয়েছেন ৬ হাজার ৩৭ ভোট। রানীশংকৈল পৌরসভায় বিএনপি নেতা মোখলেসুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৮৩২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আলমগীর সরকার পেয়েছেন ২ হাজার ৭১৩ ভোট।
পঞ্চগড় : পঞ্চগড় পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ১২ হাজার ৯২০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোঃ জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭ হাজার ৭১৫ ভোট।
দিনাজপুর : দিনাজপুরে ফুলবাড়ী পৌরসভায় ৭ হাজার ৩২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মানিক সরকার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হবিবর রহমান সরকার পেয়েছেন ৫ হাজার ২৫৬ ভোট। বীরগঞ্জে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা মোঃ আবু হানিফ ৩ হাজার ২৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ২ হাজার ৭৬৩ ভোট পেয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মোশাররফ হোসেন বাবুল। হাকিমপুর পৌরসভায় বিএনপি প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী ৫ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের জামিল হোসেন চলন্ত পেয়েছেন ৫ হাজার ৯২ ভোট। সেতাবগঞ্জ পৌরসভায় ৬ হাজার ১১৫ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের আবদুস সবুর নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আসলাম পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৫৭ ভোট। বিরামপুর পৌরসভায় ৯ হাজার ৩০২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আজাদুল ইসলাম আজাদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ আক্কাস আলী পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৫০। দিনাজপুর পৌরসভায় বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৭৬০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আলতাফ উদ্দিন পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৪২ ভোট।
নীলফামারী : নীলফামারী পৌরসভায় ৭ হাজার ১১১ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগের দেওয়ান কামাল আহমেদ নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত জহুরুল আলম পেয়েছেন ৬ হাজার ৩২৬ ভোট। জলঢাকা পৌরসভায় বিএনপির আনোয়ারুল কবির চৌধুরী ৯ হাজার ৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির ইলিয়াস হোসেন বাবলু পেয়েছেন ৮ হাজার ৫১৯ ভোট। জেলার সৈয়দপুর পৌরসভায় বিএনপি সমর্থিত আমজাদ হোসেন সরকার ভজে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের সিদ্দিকুল আলম।

ট্যাগ:
Situs Streaming JAV