নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপি (উত্তর) এর উদ্যোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন (ভিডিও সহ)
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম, নিউইয়র্ক : নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপি (উত্তর) এর উদ্যোগে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে নিরব পার্টি হলে গত ২০ জানুয়ারি সোমবার রাতে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার জাহিদ। সহযোগিতায় ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন চৌধুরী। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূইয়া। প্রধান বক্তা ছিলেন নিউইয়র্ক মহানগর (দক্ষিণ) বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনিপ নেতা শরিফুল ইসলাম খালিশদার, ড. নুরুল আমিন মিয়া পলাশ, লিয়াকত আলী, সোয়েব আহমদ, সেবুল খান মাহবুব, মানিক আহমেদ, মোঃ আলী রাজা, দিলরুবা আক্তার মায়া,
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুর, ফারুক কবির, এডভোকেট আতিকুর রহমান সাবু, আনোয়ারুল আলম ভূইয়া, শেখ আক্তার হোসেন নান্নু, বেগ ইসলাম হোসাইন মিঠু, নাসির উদ্দীন প্রমুখ। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন হাফিজ মোঃ এবাদুর রহমান চৌধুরী। বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক। আর শেখ মুজিব বাকশাল কায়েম করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিলো। শেখ হাসিনাও আবার ক্ষমতায় এসে বাকশালীয় কায়দায় দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করেছিলো। অনিয়ম, অত্যাচার, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, জেল-জুলুম, নির্যাতন, গ্রেফতার, গুম, খুন, হত্যা, মামলা-হামলা ছিল নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার। কিন্তু পৃথিবীতে কোন স্বৈরাচার জোর করে বেশী দিন ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। শেখ হাসিনাও পারেননি। গণঅভ্যুথানে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। পতন হয় ফ্যাসিবাদের। এতে প্রবাসীদেরও রয়েছে ত্যাগ-অবদান।
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ ইনকের শরৎ উৎসব ও ফ্যামিলি নাইট
- নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে ‘কল সেন্টার’ চালু
- নিউইয়র্ক বাংলাদেশি আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের নয়া কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক এবং ১৩তম চার্টার বার্ষিকী উদযাপন
- New York Attorney General James Warns New Yorkers About Student Loan Scams
- Justice, equality and human rights essential to building a lasting culture of peace: Irene Khan
- ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতি গড়ার ভিত্তি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় : স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সারাহ
- নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটি ও আহলে সুন্নাতুল জামাতের ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল