বাংলাদেশকে সতর্ক করলো ইউরোপীয় পার্লামেন্ট
ডেস্ক: বাংলাদেশকে সতর্ক করলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্ট। তারা বলেছে, শ্রমিকদের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো না হলে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত সুবিধা বাতিল করা হতে পারে। এ বিষয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট একটি প্রস্তাব করেছে। এতে বলা হয়েছে, মানবাধিকারের বিভিন্ন কনভেনশনে যেসব মূলনীতি গৃহীত হয়েছে যদি পর্যায়ক্রমে তা লঙ্ঘন করা হয়, গুরুতর কোন ঘটনা ঘটে তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশ কোটামুক্ত ও অন্যান্য যে সুবিধা পেয়ে থাকে তা প্রত্যাহার করা হবে। ব্রাসেলস থেকে কুয়েতের বার্তা সংস্থা কুনা গতকাল এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সামপ্রতিক সময়ে কারখানাগুলোতে বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভবন ধসে পড়েছে। এতে শ’ শ’ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টে বৃহস্পতিবার বিতর্ক হয়। সেখানে দাবি করা হয়, এসব ঘটনায় নির্যাতিতরা যেন সুবিচার পান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পদক্ষেপ নেবে। ওই পার্লামেন্ট বিতর্কের পর একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে। এতে ইউরোপীয় কমিশনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক কোম্পানি বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশে কাজ করছে। সেখানে ব্যবসা করতে গিয়ে তাদেরকে মানবাধিকার, শ্রমিকের অধিকার ও কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টি কঠোরতার সঙ্গে মেনে চলতে হবে। এতে ইউরোপীয় কমিশনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিষয়ক কনভেনশনের নীতিগুলো বাংলাদেশ মানছে কিনা তা তদন্ত করতে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এর মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে বাংলাদেশ এসব কনভেনশনের মূলনীতি পর্যায়ক্রমে লঙ্ঘন করছে কিনা। এই প্রস্তাবের অধীনে রানা প্লাজা ধস, তাজরীন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ড সহ আরও যেসব অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে এর জন্য যারা দায়ী তাদের বিচার করতে হবে। নির্যাতিত মানুষগুলো যাতে পূর্ণাঙ্গ ন্যায়বিচার পায় তাও বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে। বাণিজ্য বিষয়ক ইউরোপিয়ান কমিশনার ক্যারেল ডি গুচট বলেছেন, যেখানে কাপড় প্রস্তুত করা হয় সেখানকার পরিস্থিতির বিষয়ে দায়িত্ব নিতে হবে কাপড় প্রস্তুতকারক কোম্পানি ও বিশ্ববাজারের ক্রেতাদের। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজন্য বিশ্বের বিভিন্ন ক্রেতা ও শেয়ারধারীদের উচ্চ পর্যায়ের একটি সভা করতে চায় জুনে। ওদিকে বাংলাদেশ সেফটি একর্ড বা বাংলাদেশ নিরাপত্তা চুক্তি কেন প্রয়োজন সে বিষয়ে মুখ খুলেছেন ইউএনআই গ্লোবাল ইউনিয়নের মহাসচিব ফিলিপ জেনিংস। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা সংস্থা গ্যাপকে এতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এ বিষয়ে তিনি ইউরোনিউজকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেছেন, গত মাসে বাংলাদেশে পোশাক শিল্পে যে ট্র্যাজেডি ঘটে গেছে তা নিয়ে অনেক বিলাপ করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে ফের ওই ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না এমন দীর্ঘমেয়াদি কোন প্রতিশ্রুতির নিশ্চয়তা কি?মানবজমিনসর্বশেষ সংবাদ
- Low-Income, Rural Students Face Higher Dropout Risk Due to English Gaps and Cultural Shock, BUBT Study Finds
- বাংলাদেশ ল’ সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ ও সাধারণ সম্পাদক কামালকে অব্যাহতি; ব্যারিষ্টার আকমাম ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও শাবু ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে
- SUSPENDED ATTORNEY CHARGED WITH GRAND LARCENY FOR STEALING MORE THAN $1 MILLION FROM BORROWERS, DIME COMMUNITY BANK
- Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী
- যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়
- A Star Dimmed: Mourning the Loss of Tofail Ahmed, Architect of Our History
- নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং