Saturday, 31 October 2026 |
শিরোনাম
শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সব পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ জরুরি: জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক রিজুর পিতার ইন্তেকাল যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারি ফের স্থগিত, নিম্ন আদালতের আদেশে আপিল আদালতের বাধা যুক্তরাষ্ট্রে ডেলাইট সেভিং টাইমের অবসান, ১ নভেম্বর ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পেছাবে নিউইয়র্কে ন্যাশনাল ইমিগ্র্যান্টস ডে উদ্‌যাপন; বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি, সাত বিশিষ্ট ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান জাতিসংঘে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্য; এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ল আরও ৩ বছর নিউ জার্সিতে উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপিত নিউইয়র্কের জেএমসির সম্প্রসারণ প্রকল্প রমজানের আগেই সম্পন্নের প্রত্যাশা, ফান্ডরেইজিংয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ, বাকি প্রয়োজন আরও ২০ লাখ New York Attorney General James Secures More Than $480,000 and Debt Relief for New York Homeowners এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, একদিন মরে যাবো
সব ক্যাটাগরি

শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে মরনত্তোর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদানের দাবি নির্মূল কমিটির নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের

অনলাইন ডেস্ক পঠিত: 178 বার

প্রকাশিত: January 22, 2018 | 11:44 AM

ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : শহীদ জননী জাহানারা ইমামকে মরনত্তোর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের নেতৃবৃন্দ। গত ২০শে জানুয়ারি শনিবার নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় রয় ড্রাইভিং স্কুলে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এ দাবি জানান হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সভাপতি ফাহিম রেজা নুরের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সভার প্রথম পর্বে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক বাহিনী ও তাদের দোসরদের গণহত্যার উপর লেখক, সাংবাদিক ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘যুদ্ধাপরাধ ৭১’ প্রদর্শিত হয়।
নির্মূল কমিটি নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক স্বীকৃতি বড়ুয়ার সঞ্চালনায় সভার দ্বিতীয় পর্ব আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধ ৭১’ -এর মত প্রামাণ্যচিত্র আমাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয় ৭১ সালে কি বর্বর গণহত্যা বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছিল। আজ যদিও শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের পরবর্তী প্রজন্ম কিন্তু থেমে নেই। আর তাদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে, বিএনপিও বাংলাদেশকে পাকিস্থানি ধারায় নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বক্তারা বলেন, ১৯৯২ সালে যে আন্দোলন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম শুরু করেছিলেন, মূলত সেই আন্দোলনের কারণেই বাঙ্গালী জাতি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে এক হতে পেরেছিল এবং সেই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগ ও মহাজোট সরকার শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করেছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধী রাজাকার, আলবদর, আলশামসদের বিচারের দাবীতে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের অবদান অবিস্মরণীয়। তাই এই মহীয়সী নারীকে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় সম্মানে সম্মানিত করা সময়ের দাবি।
সভায় অন্যদেও মধ্যে বক্তব্য রাখেন একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য চলচ্চিত্রকার কবির আনোয়ার, মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত বিশ্বাস, শীতাংশু গুহ, সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডঃ আব্দুল বাতেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিবলি সাদেক, মুক্তিযোদ্ধা শরাফ সরকার, একুশে চেতনা মঞ্চের আহ্বায়ক ওবায়দুল্লাহ মামুন, ইসমাইল হোসেন স্বপন প্রমুুখ। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক খসরু, মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি, নির্মল পাল, শোভন রায় চৌধুরী, খন্দকার রেজাউল করিম প্রমুুখ।

বিজ্ঞাপন / স্পন্সরড কন্টেন্ট
ট্যাগ:
সর্বশেষ সংবাদ